Jay Shah: রণতুঙ্গার মন্তব্যের জন্য জয় শাহ-র কাছে ক্ষমা চাইল শ্রীলঙ্কা সরকার, পরিত্রাণ পেতে ভরসা বিসিসিআই সচিবই
Jay Shah: শ্রীলঙ্কার ১৯৯৬ সালের বিশ্বকাপজয়ী অধিনায়ক অর্জুন রণতুঙ্গাকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে আমেদাবাদে ভারত-অস্ট্রেলিয়া বিশ্বকাপ ফাইনালে। নরেন্দ্র মোদী স্টেডিয়ামে সেদিন ১৯৯২ সালের পাকিস্তান বাদে সব দলের বিশ্বকাপজয়ী অধিনায়ককে সংবর্ধিত করা হবে।
তবে তারই আগে জয় শাহকে নিয়ে বিরূপ মন্তব্য করায় এখন ঘরে-বাইরে প্রবল সমালোচনায় বিদ্ধ রণতুঙ্গা। তাঁর মন্তব্যের প্রেক্ষিতে শ্রীলঙ্কা সরকারের তরফে ক্ষমা প্রার্থনাও করা হলো।

চলতি বিশ্বকাপ থেকে শ্রীলঙ্কা বিদায় নিতেই শ্রীলঙ্কা ক্রিকেটের পদাধিকারীদের সরিয়ে রণতুঙ্গার নেতৃত্বে কমিটি গঠন করেছিল শ্রীলঙ্কা সরকার। যদিও পরে আদালতে সেই সিদ্ধান্তের জেরে হোঁচট খায় সরকার। শ্রীলঙ্কা ক্রিকেটের পদাধিকারীরা আপাতত আদালতের নির্দেশে স্বপদে বহাল রয়েছেন।
শ্রীলঙ্কার ক্রিকেট বোর্ডে সরকারি হস্তক্ষেপের অভিযোগ পেতেই জরুরি বৈঠক ডেকে শ্রীলঙ্কা ক্রিকেটকে সাসপেন্ড করে আইসিসি। এর ফলে অনিশ্চিয়তার মুখে পড়েছে শ্রীলঙ্কা ক্রিকেট। ক্রিকেট বোর্ড থেকে শ্রীলঙ্কার রাষ্ট্রপতি, মন্ত্রীরাও মনে করছেন, এই অবস্থান থেকে পরিত্রাণের পথ খুলে দিতে পারেন জয় শাহ।
জয় শাহ একদিকে যেমন বিসিসিআই সচিব, তেমনই এশিয়ান ক্রিকেট কাউন্সিলের চেয়ারম্যান। অর্জুন রণতুঙ্গা সম্প্রতি বলেন, শ্রীলঙ্কা ক্রিকেটের সঙ্গে জয় শাহ-র যা সম্পর্ক তা দেখে মনে হতেই পারে পদাধিকারীরা সব বিসিসিআইয়ের পদানত, শ্রীলঙ্কা ক্রিকেটকে যেন জয় শাহ-ই চালাচ্ছেন। তাঁর চাপেই শ্রীলঙ্কা ক্রিকেট দুর্দশাগ্রস্ত, ক্ষতির মুখে পড়েছে।
রণতুঙ্গার কথায়, এক ভারতীয়ই শ্রীলঙ্কা ক্রিকেটকে দুর্বল করে দিয়ে ক্ষতি করছেন। জয় শাহ-র বাবা কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, তাঁর জন্যই তাঁর পুত্র এত প্রভাবশালী। আজ শ্রীলঙ্কার সংসদীয় অধিবেশনে রণতুঙ্গার এই মন্তব্যের বিরোধিতা করেছেন মন্ত্রী হারিন ফার্নান্দো ও কাঞ্চন উইজেশেখরা। তাঁরা একবাক্যে বলেন, শ্রীলঙ্কা ক্রিকেটের এই দুর্দশা তাদের পদাধিকারীদের জন্য। অন্য কেউ দায়ী নন।
উইজেশেখরা বলেন, আমাদের দেশের প্রতিষ্ঠানের এই অবস্থার জন্য এশিয়ান ক্রিকেট কাউন্সিলের চেয়ারম্যানের দিকে আঙুল তোলা অর্থহীন। যে মন্তব্য করা হয়েছে তা ভুল। আমরা সরকারের তরফে দুঃখপ্রকাশ করছি। পর্যটনমন্ত্রী ফার্নান্দো জানিয়েছেন, আইসিসির জারি করা সাসপেনশন নিয়ে জয় শাহর সঙ্গে কথা বলছেন রাষ্ট্রপতি রণিল বিক্রমাসিংঘে।
আগামী জানুয়ারিতে শ্রীলঙ্কায় অনূর্ধ্ব ১৯ বিশ্বকাপ রয়েছে। কিন্তু এই সাসপেনশন জারি থাকলে কেউ শ্রীলঙ্কায় খেলতে যাবে না। এতে ক্রিকেট থেকে সরকারের কোনও আয়ও হবে না। সবমিলিয়ে দেশের ঐতিহ্যের সঙ্গে আর্থিক বিষয়টিও গুরুত্বপূর্ণ। তাই জয় শাহকে ম্যানেজ করেই পরিত্রাণের পথ খুঁজছে শ্রীলঙ্কা।












Click it and Unblock the Notifications