অবশেষে স্পেনের বাড়িতে কিবু-মারিওরা, ইস্টবেঙ্গল-মোহনবাগানে স্বস্তি
অবশেষে স্পেনের বাড়িতে কিবু-মারিওরা, ইস্টবেঙ্গল-মোহনবাগানে স্বস্তি
স্বস্তিতে ইস্টবেঙ্গল ও মোহনবাগান। কারণ দীর্ঘ পথ পাড়ি দিয়ে অবশেষে স্পেনে পৌঁছেছেন মারিও-ভিকুনা-কোলাডো-বেইতিয়ারা। যে যাঁর বাড়িতে পৌঁছে গিয়েছেন নিরাপদে। সে খবর দুই প্রধানের তাঁবুতে পৌঁছতেই নিশ্চিন্ত হয়েছেন ক্লাব কর্তারা। দূরে গেলেও ফুটবলার ও কোচদের সঙ্গে ক্লাবের নিয়মিত যোগাযোগ থাকবে বলেই জানানো হয়েছে।

করোনা ভাইরাসের প্রভাব
করোনা ভাইরাসের প্রভাব ছড়িয়েছে বিশ্বের ২১২টি দেশে। সবমিলিয়ে মারণ ভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা ৩৮ লক্ষ ছাড়িয়েছে। মৃত্যু হয়েছে প্রায় ২ লক্ষ ৭০ হাজার মানুষের। ভারতে করোনা ভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা ৫০ হাজার ছাড়িয়ে গিয়েছে। প্রাণ হারিয়েছেন প্রায় ১৮০০। অন্যদিকে স্পেনে আড়াই লক্ষেরও বেশি মানুষ মারণ ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন। প্রাণ হারিয়েছেন প্রায় ২৬ হাজার মানুষ।

লকডাউনে স্থগিত ফুটবল
করোনা ভাইরাসের আবহে ভারতে লকডাউন জারি করা হয়েছে। স্থগিত করে দেওয়া হয়েছে সব ধরনের ফুটবল। ২৮ ম্যাচ বাকি থাকতে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে আই লিগ। মোহনবাগানকে লিগের চ্যাম্পিয়ন বলে ঘোষণা করা হয়েছে। তালিকার দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে ইস্টবেঙ্গল। যদিও দুই দলের মধ্যে পয়েন্টের পার্থক্য ১৬।

দুই প্রধান একসাথ
ইস্টবেঙ্গল ও মোহনবাগানের মধ্যে মাঠে যতই শত্রুতা থাক, বিপদের সময় দুই প্রধান যে হাত মেলাতে পিছপা হয় না, তার প্রমাণ পাওয়া গিয়েছে আগেও। পাওয়া গেল আবারও। করোনার আবহে ইস্টবেঙ্গল এবং মোহনবাগানে খেলা স্প্যানিশ ফুটবলার কোচদের তাঁদের দেশে পাঠাতে একই বাসের ব্যবস্থা করেছিল কলকাতার দুই ক্লাব। রবিবার সকালে কলকাতার নিউটাউনের আবাসন থেকে ছেড়েছিল স্প্যানিশ ফুটবলার ও কোচদের বাস। বিহার, ঝাড়খণ্ড, বেনারস এবং আগ্রা হয়ে সোমবার বিকেলে সেই বাস রাজধানী দিল্লিতে পৌঁছেছিল। মঙ্গলবার সকালে দিল্লি থেকে বিশেষ বিমানে নেদারল্যান্ডসের পথে পাড়ি জমিয়েছিলেন ইস্ট-মোহনের বিদেশি ফুটবলাররা।

নেদারল্যান্ডসে কোলাডো-বেইতিয়ারা
প্রায় ৯ ঘণ্টার বিমান যাত্রার পর নেদারল্যান্ডসের আমস্টারডাম বিমানবন্দরে পৌঁছে যান কোলাডো-বেইতিয়ারা। সেদিনের রাত বিমানবন্দরের কাছেই এক হোটেলে কাটান ইস্টবেঙ্গল ও মোহনবাগানের বিদেশি তারকারা।

মাদ্রিদের বিমান
বুধবার বারোটায় আমস্টারডান থেকে মাদ্রিদের বিমান ধরেন কিবু ভিকুনা এবং মারিও রিভেরারা। স্পেনের রাজধানী পৌঁছে ফুটবলাররা নিজেদের বাড়ির পথে রওনা হন। ওইদিন সন্ধ্যার মধ্যে তাঁরা যে যাঁর বাড়িতে পৌঁছে যান বলেও খবর। তা শোনার পর নিশ্চিন্ত হয়েছেন ইস্টবেঙ্গল ও মোহনবাগানের কর্তারা।












Click it and Unblock the Notifications