রাজারহাটে কেমন স্টেডিয়াম তৈরি করছে সিএবি? সংস্কারে দর্শকাসন বাড়বে ইডেনেও, জানালেন সৌরভ
সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায় জানালেন, রাজারহাটে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সিএবির জন্য জমির বন্দোবস্ত করে দিয়েছেন। সেখানেই একটি স্টেডিয়াম তৈরি হবে। টেস্ট ও ঘরোয়া ক্রিকেটের বিভিন্ন ম্যাচ সেখানে হবে।
রাজারহাটে নতুন স্টেডিয়াম তৈরি করতে চলেছে সিএবি। আজ কলকাতায় এক অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে এ কথা জানান প্রাক্তন বিসিসিআই সভাপতি সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়। প্রথমে ডুমুরজলায় স্টেডিয়াম হওয়ার কথা থাকলেও পরে পরিস্থিতি বদলায়। রাজারহাটে জমির বন্দোবস্ত করে দেওয়ায় মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ধন্যবাদও জানিয়েছেন মহারাজ।

রাজারহাটে নতুন স্টেডিয়াম
সৌরভ জানান, রাজারহাটে আমাদের জমি রয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তা সিএবিকে দেওয়ার সমস্ত বন্দোবস্ত করে দিয়েছেন। ইডেনের মতো বড় নয়, তুলনায় কিছুটা ছোট স্টেডিয়াম তৈরি করা হবে। ইডেন গার্ডেন্স থাকছেই, এটি ঐতিহ্যশালী। অক্টোবরে বিশ্বকাপের পর ইডেনে সংস্কার কাজ শুরু হবে। দর্শকাসন বাড়িয়ে ১ লক্ষ করা হবে। ২০১১ বিশ্বকাপের সময় বাকেট সিট বসানো হয়েছিল। সে কারণে দর্শকাসন কমে ৭০ হাজার হয়ে গিয়েছিল।

২ বছরেই তৈরি হবে
সৌরভ জানিয়েছেন, ২ বছরের মধ্যেই নতুন স্টেডিয়ামটি তৈরি হয়ে যাবে। রাজারহাটের স্টেডিয়ামে টেস্ট ম্যাচের পাশাপাশি রঞ্জি ট্রফি-সহ বিভিন্ন ঘরোয়া টুর্নামেন্টের খেলাগুলি হবে। দুটি স্টেডিয়ামের রক্ষণাবেক্ষণও যথেষ্ট ব্যয়সাপেক্ষ। সেই টাকায় ক্রিকেটের বিকাশ হয়। ফলে যা-ই করা হবে, তা হবে সবকিছুর মধ্যে ভারসাম্য বজায় রেখেই।

ক্রিকেট বদলেছে
বিসিসিআইয়ের প্রাক্তন সভাপতি এদিন বলেন, ক্রিকেট অনেকটাই বদলে গিয়েছে। সব খেলাতেই পরিবর্তন এসেছে। ক্রিকেট অর্থনৈতিকভাবে পৌঁছেছে মজবুত জায়গায়। খেলার গুণমানেরও উন্নতি হয়েছে। এখন ভারত অস্ট্রেলিয়া, দক্ষিণ আফ্রিকা, ইংল্যান্ডের মতো দেশগুলিতে অল্প সময়ের ব্যবধানে সফরে যায়। অস্ট্রেলিয়া দল তো ভারতে এসে এবার প্রস্তুতি ম্যাচই খেলছে না। ভারতীয় পিচের সঙ্গে অজিরা বেশি পরিচিত হওয়াতেই এটা সম্ভব হয়েছে। আমার সময় ৭-৮ বছরে একবার আমরা অস্ট্রেলিয়া যেতাম। আমি রঞ্জি খেলেছি, প্রথম শ্রেণির ক্রিকেট উপভোগ করেছি। নির্বাচকদের নজরে পড়ার সুযোগ কাজে লাগিয়ে ১৯৯৬ সালে দেশের হয়ে খেলেছি। ক্রিকেটারদের ক্ষেত্রে প্রশাসনে থাকা ব্যক্তিদেরও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকার কথা মনে করিয়ে দেন সৌরভ।

ভিশন ২০২০
বাংলার ক্রিকেটের ক্ষেত্রে ভিশন ২০২০-র কথা উল্লেখ করে সৌরভ বলেন, এর মাধ্যমে আমরা ক্রিকেটারদের ফিটনেস, ওয়ার্কলোজ মনিটর করেছি। মুকেশ কুমার, অভিমন্য়ু ঈশ্বরন, শাহবাজ আহমেদ, আকাশ দীপ এই সিস্টেম থেকেই উঠে এসেছেন ১৩-১৪ বছর বয়সে খুব সাধারণ ব্যাকগ্রাউন্ড থেকে মুকেশ এসেছেন। তিনি খেলতে চাইতেন, কিন্তু জানতেন না কী করণীয়। তাঁর মতো তরুণদের ক্ষেত্রে এই ভিশন ২০২০ খুবই কার্যকরী হয়েছে। আমি, ঋদ্ধিমান সাহা, মহম্মদ শামি দেশের হয়ে খেলেছি। শামি ৭৫-৮০টি টেস্টে হয়তো খেলবেন কেরিয়ারে, সেটা জোরে বোলারের ক্ষেত্রে কম নয়।












Click it and Unblock the Notifications