Sourav Ganguly: ২০০৩ নয়, দাদার ফেভারিট বিশ্বকাপের কথা শুনলে অবাক হবেন আপনিও
আসছে বিশ্বকাপ, ঢাকে কাঠি পড়ে গিয়েছে আইসিসির মেগা ইভেন্টের। বিশ্বকাপ শুধু একটা খেলা নয়, এরসঙ্গে জড়িয়ে আছে আবেগও। ক্রিকেটার জীবনে তিনটি বিশ্বকাপ খেলেছেন, এরমধ্যে অধিনায়কত্বও করেছেন একটিতে। কিন্তু নিজের খেলা তিনটি বিশ্বকাপের মধ্যে একটিকেও ফেভারিটের তালিকায় রাখলেন না সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়। দাদার পছন্দ শুনলে অবাক হবেন আপনিও।
১৯৯৯ সালে ইংল্যান্ডে প্রথম বিশ্বকাপ খেলতে নামেন সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায় এই বিশ্বকাপে ব্যক্তিগতভাবে রান পেল দলগতভাবে ব্যর্থ হয় ভারত।বিশ্বকাপে কোনও ভারতীয়র খেলা সর্বোচ্চ রানের ব্যক্তিগত ইনিংসটি রয়েছে দাদারই নামে। ১৯৯৯ সালে টনটনে শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে ব্যাট হাতে ১৫৮ বলে ১৮৩ রানের একটা ইনিংস খেলেছিলেন। বিশ্বকাপে আজও তার ওই ইনিংসকে টপকাতে পারেনি কোনও ভারতীয়।

এরপর ২০০২ সালে টিম ইন্ডিয়ার অধিনায়কত্বের দায়িত্বভার দাদার কাঁধে ওঠে। আইসিসি চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি, নটওয়েস্ট ট্রফির পর ২০০৩ সালের বিশ্বকাপ সৌরভের নেতৃত্বে খেলতে নামে টিম ইন্ডিয়া। ২০০৩ দক্ষিণ আফ্রিকাতে বসেছিল বিশ্বকাপের আসর। কুড়ি বছর পর বিশ্বকাপের ফাইনালে জায়গা করে নেয় ভারতীয় দল।
কিন্তু ফাইনালে অস্ট্রেলিয়ার কাছে হেরে কাপ অধরাই থাকে দাদার দলের, ২০০৩ সালে ২০ বছর পর দেশকে বিশ্বকাপের ফাইনালে তোলেন সৌরভ। ট্রফি জিততে না পারলেও দাদার দলের খেলা মন জিতে নিয়েছিল দেশবাসীর।

চার বছর পরে ২০০৭ সালে ওয়েস্ট ইন্ডিজের মাটিতে বিশ্বকাপ খেলতে নামে টিম ইন্ডিয়া। সৌরভ ক্রিকেটার হিসেবেই এই বিশ্বকাপ খেলেন। কিন্তু গ্রুপ পর্ব থেকেই ছিটকে যায় টিম ইন্ডিয়া। এরপর আর বিশ্বকাপ খেলা হয়নি মহারাজের। কিন্তু এই তিনটি বিশ্বকাপকে নিজের জীবনের ফেভারিটের তালিকায় রাখতে নারাজ মহারাজ।
সম্প্রতি স্টার স্পোর্টসকে দেওয়া একটি সাক্ষাৎকারে সৌরভ নিজের ফেভারিট দুটি বিশ্বকাপের কথা তুলে ধরেছেন প্রাক্তন ভারত অধিনায়ক। সৌরভকে জিজ্ঞেস করা হয়েছিল তাঁর জীবনের ফেভারিট বিশ্বকাপ কোনটা? মহারাজ উত্তর দিয়েছেন, ১৯৮৩ সালের বিশ্বকাপ তাঁর কাছে অন্যতম প্রিয় কারণ টিভির পর্দায় তিনি দেখেছিলেন দেশের প্রথম বিশ্বকাপ জয়। ২০১১ সালের বিশ্বকাপের কথা উল্লেখ করেছেন দাদা।
সৌরভের কথায়, 'ক্রিকেটার জীবনে আমি কখনও বিশ্বকাপ জয়ের স্বাদ পাইনি। তবে ১৯৮৩ সালের বিশ্বকাপ আমার কাছে অত্যন্ত প্রিয়, কিছুটা আবেগেরও বটে। দেশকে প্রথমবার বিশ্বকাপ জিততে দেখার আনন্দটাই ছিল আলাদা।'

পাশাপাশি দাদা উল্লেখ করেছেন ২০১১ সালের কথা। সৌরভের বক্তব্য, '২০১১ সালে সামনে থেকে ভারতীয় দলকে বিশ্বকাপ জিততে দেখেছি। আমি কমেন্ট্রি বক্স থেকে মাঠের ধারে নেমে আসি। সেই দলে আমার অনেক সতীর্থ ক্রিকেটার ছিলেন যেমন সচিন, যুবরাজ, জাহির, শেহওয়াগ। যারা ২০০৩ সালে বিশ্বকাপ ফাইনাল খেলেছিল তো সেটা আমার কাছে খুব স্পেশ্যাল ছিল।'












Click it and Unblock the Notifications