Sourav Ganguly: ২২ বছর! বিশ্বাসই হচ্ছে না সৌরভের, 'সর্বকালের সেরা ODI'-এর ভিডিও দেখুন
Sourav Ganguly: সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়ের ফেসবুক পোস্ট আজ ভাইরাল। ভারতের প্রাক্তন অধিনায়ক তথা বিসিসিআইয়ের প্রাক্তন সভাপতি আজ ডুব দিলেন সুখস্মৃতিতে।
আজ থেকে ২২ বছর আগে ইংল্যান্ডের দর্পচূর্ণ করেছিল সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়ের ভারত। সেই চিরস্মরণীয় দ্বৈরথ সকলের মনেই গেঁথে। সে কারণেই এত দ্রুত যে সময় চলে গেল তা বিশ্বাসই হচ্ছে না মহারাজের।

সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায় লন্ডনে গেলেই ঢুঁ মারেন লর্ডসে। এবারও ব্যতিক্রম হয়নি। সানার অফিসের অনুষ্ঠানে লিডারশিপ নিয়ে বক্তব্য পেশ করেন লর্ডসেই। এমসিসির বৈঠকে যোগ দেন। স্ত্রী ডোনা গঙ্গোপাধ্যায়কে নিয়ে সৌরভ গিয়েছিলেন ইংল্যান্ড-ওয়েস্ট ইন্ডিজ টেস্ট দেখতে।
জিওফ্রে বয়কট, ভিভিয়ান রিচার্ডসদের সঙ্গেও লর্ডসে দেখা হয়েছে সৌরভের। সচিন তেন্ডুলকর, অজিত আগরকরদের সঙ্গেও সময় কাটান। ১৯৯৬ সালে এই লর্ডসেই সৌরভের টেস্ট অভিষেকে শতরান, বল হাতেও সাফল্য। আবার এই লর্ডসেই হয়েছিল ২০০২ সালের সেই ম্যাচ।
সৌরভ আজ ফেসবুক পোস্টে লিখেছেন, লর্ডসে তাঁর হৃদয়ের এক বিশেষ জায়গায় চিরকাল থাকবে। ৮ জুলাই সৌরভের জন্মদিনে সেই লর্ডস ক্রিকেট গ্রাউন্ডের সোশ্যাল মিডিয়াতেই পোস্ট করা হয়েছিল ন্যাটওয়েস্ট ট্রফি জয়ের পর লর্ডসের ব্যালকনিতে সৌরভের জার্সি ওড়ানো।
মহারাজকীয় দাদাগিরির সেই মুহূর্তের কথা উঠলে আজও সৌরভ লাজুক হয়ে যান। এমনকী আজ ন্যাটওয়েস্ট ট্রফি জয়ের যে চারটি মুহূর্তের ছবি তিনি পোস্ট করেছেন তাতে নেই সৌরভের জার্সি ওড়ানোর মুহূর্ত। কিন্তু আপামর ভক্তদের মনে গেঁথে রয়েছে সেই মুহূর্ত। সৌরভের সতীর্থদের মনেও। লর্ডস ক্রিকেট গ্রাউন্ডের তরফে ম্যাচটিকে সর্বকালের সেরা ওডিআই বলে উল্লেখ করা হয়েছে।
২০০২ সালের ১৩ জুলাই ইংল্যান্ডকে হারিয়ে ন্যাটওয়েস্ট ট্রফি জিতেছিল ভারত। সৌরভ লিখেছেন, বিশ্বাসই হচ্ছে না ২২ বছর পেরিয়ে গেল! লর্ডসে সেই ম্যাচে ভারত ৩ বল বাকি থাকতে ২ উইকেটে জয় ছিনিয়ে নিয়েছিল। ম্যাচের সেরা হয়েছিলেন মহম্মদ কাইফ।
টস জিতে নাসের হুসেনের ইংল্যান্ড ব্যাটিং নিয়েছিল। নাসেরের ১১৫ ও মার্কাস ট্রেসকোথিকের ১০৯ রানের সৌজন্যে ইংল্যান্ড তোলে ৫ উইকেটে ৩২৫। জাহির খান তিনটি উইকেট নেন। আশিস নেহরা ও অনিল কুম্বলে একটি করে উইকেট নেন। ভারতের ওপেনিং জুটিতে ১৪.৩ ওভারে ওঠে ১০৬।
সৌরভ ৪৩ বলে ৬০ রান করেন, ১০টি চার ও ১টি ছয়ের সাহায্যে। সেখান থেকে ২৪ ওভারে স্কোর গিয়ে দাঁড়ায় ৫ উইকেটে ১৪৬। বীরেন্দ্র শেহওয়াগ ৪৫, দীনেশ মোঙ্গিয়া ৯, রাহুল দ্রাবিড় ৫ ও সচিন তেন্ডুলকর ১৪ রানে আউট হয়। যার ফলে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ চলে যায় ইংল্যান্ডের হাতে।
ভারত এরপরই ঘুরে দাঁড়ায় যুবরাজ সিং ও মহম্মদ কাইফের জুটিকে ভর করে। যুবরাজ-কাইফ জুটিতে ওঠে ১২১। যুবি ৬৩ বলে ৬৯ রান করে আউট হন। এরপর কাইফকে সঙ্গত দেন হরভজন সিং (১৩ বলে ১৫)। অনিল কুম্বলে ০ রানে আউট হন। শেষ অবধি ভারত লক্ষ্যে পৌঁছে যায় কাইফ ও জাহিরের জুটিতে ভর করে।
কাইফ ৭৫ বলে ৮৭ রানে অপরাজিত থাকেন। তাঁর ইনিংস সাজানো ছিল ৬টি চার ও ২টি ছয় দিয়ে। এই জয় ভারতীয় ক্রিকেট ইতিহাসের অন্যতম সেরা সাফল্য। আর সেই বিশেষ দিনটিতে সৌরভ স্বাভাবিকভাবেই হয়ে পড়লেন স্মৃতিমেদুর, আবেগাপ্লুত।












Click it and Unblock the Notifications