Sourav Ganguly Birthday: ভারতীয় ক্রিকেটে নবজাগরণের পথিকৃৎ, ফিরে দেখা দাদার ১০ কীর্তি

৮ জুলাই মানেই ভারতীয় ক্রিকেটের দাদাগিগির দিন। সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়ের ৫১তম জন্মদিনে মেতেছেন তাঁর ভক্তরা। ভারতীয় ক্রিকেটের ইতিহাসে সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায় একটা অধ্যায়। অধিনায়ক থেকে প্রশাসক ভারতীয় ক্রিকেটে বরাবরাই কঠিন সময়ে হাল ধরেছেন দাদা। সাফল্যের দিশারী হয়েছেন। জন্মদিনে দাদার কিছু স্মরণীয় কীর্তি তুলে ধরা হল এই প্রতিবেদনে।

১৯৯৬ সালে লর্ডসে টেস্ট অভিষেক হয় বেহালার বাঁহাতির। অভিষেক টেস্টেই মহারাজকীয় শতরান। এমনকি দ্বিতীয় টেস্টেও সেঞ্চুরি হাঁকান মহারাজ। এরপর ভারতীয় দলে আসন পাকা করতে আর ভাবতে হয়নি সৌরভকে।

সৌরভ

১৯৯৯ সালে প্রথম বিশ্বকাপ খেলেন সৌরভ। বিশ্বকাপে কোনও ভারতীয়র খেলা সর্বোচ্চ রানের ব্যক্তিগত ইনিংসটি রয়েছে দাদারই নামে। ১৯৯৯ সালে টনটনে শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে ব্যাট হাতে ১৫৮ বলে ১৮৩ রানের একটা ইনিংস খেলেছিলেন। বিশ্বকাপে আজও তার ওই ইনিংসকে টপকাতে পারেনি কোনও ভারতীয়।

সালটা ২০০০, বিতর্কে জর্জরিত ভারতীয় ক্রিকেট। নেতৃত্বের ভার উঠল এক বঙ্গ সন্তানের কাঁধে। ভারতীয় ক্রিকেটকে গড়াপেটা কেলেঙ্কারির কালো মেঘ কাটিয়ে নতুন আকাশের সন্ধান দিয়েছিলেন। বরাবরই তরুণ ক্রিকেটারদের উপর আস্থা রাখতেন দাদা। তার জন্যই পরবর্তীতে যুবরাজ সিং, হরভজন সিং, এমএস ধোনি, জাহির খানের মতো কিংবদন্তিদের পেয়েছেন।

শেহওয়াগকে ওপেনার বানিয়ে মাস্টারস্ট্রোক দেন দাদা। ওপেনার হিসেবে নিজের কেরিয়ার শুরু করেননি বীরু। তিনি একজন মিডল অর্ডার ব্যাটসম্যান ছিলেন এবং টেস্ট অভিষেকে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে সেঞ্চুরি করার সময় ৬ নম্বরে ব্যাট করতে আসেন। সৌরভ ডানহাতি এই মারকুটে ব্যাটসম্যানকে ইনিংস ওপেন করতে বলেন। বাকিটা ইতিহাস।

দাদা

অতিরিক্ত ব্যাটসম্যান খেলাতে দ্রাবিড়কে করে দেন উইকেটরক্ষক। একটা সময় দ্রাবিড়ের সীমিত ওভারের ম্যাচে সুযোগ পাওয়া কঠিন হয়ে পড়েছিল। কিন্তু দাদার বুদ্ধিতেই বাজিমাত। গ্লাভস হাতে উইকেটের পিছনে দাঁড় করিয়ে দেন দ্য ওয়ালকে।

সৌরভের আরও মাস্টারস্ট্রোক ছিল তা হল কেনিয়াতে একটি সফল ভারতের 'এ' সিরিজের পরেই একজন তরুণ এমএস ধোনিকে জাতীয় দলে অন্তর্ভুক্ত করা। তার নির্বাচন সবাইকে অবাক করেছিল কিন্তু দাদা ধোনির মধ্যে ভবিষ্যত দেখেছিলেন। ২০০৫ সালে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে ওয়ানডেতে ধোনি ১৪৮ রান করেছিলেন এবং তারপর থেকে ধোনিকে আর পিছনে ফিরে তাকাতে হয়নি।

দাদার নেতৃত্ব বদলে দিয়েছিল ভারতীয় ক্রিকেটের দিশা। ২০০০ সালে আইসিসি চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির ফাইনালে উঠে টিম ইন্ডিয়া। বৃষ্টিতে ম্যাচ না হওয়ায় যুগ্ম বিজয়ী হয় ভারত। ২০০১ সালে দেশের মাটিতে অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে টেস্ট জয় তো ভারতীয় ক্রিকেটে মিথ হয়ে আছে।

দাদা

২০০৩ সালে ২০ বছর পর দেশকে বিশ্বকাপের ফাইনালে তোলেন সৌরভ। ট্রফি জিততে না পারলেও দাদার দলের খেলা মন জিতে নিয়েছিল দেশবাসীর। ২০০৫ সালে গ্রেগ চ্যাপেলের সময়ে দল থেকে বাদ পড়লেন সৌরভ। কিন্ত একবছর পর মহারাজকীয় প্রত্যাবর্তন। দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে টেস্টে সিরিজে দুরন্ত ক্যামব্যাক। ২০০৭ সালে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে টেস্টে ঘরের মাঠ ইডেনে প্রথম শতরান, একই সিরিজে কেরিয়ারে প্রথম দ্বিশতরান করেন দাদা।

২০০৮ সালে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটকে আলবিদা জানান দাদা। তবে দাদাগিগির পার্ট টু শুরু হয় ২০১৯ সালে। এবার বোর্ড সভাপতি সৌরভ। অধিনায়কত্বের জীবনের মতোই প্রশাসক হিসাবেও একগুচ্ছ সাহসী সিদ্ধান্ত নেন দাদা।

Notifications
Settings
Clear Notifications
Notifications
Use the toggle to switch on notifications
  • Block for 8 hours
  • Block for 12 hours
  • Block for 24 hours
  • Don't block
Gender
Select your Gender
  • Male
  • Female
  • Others
Age
Select your Age Range
  • Under 18
  • 18 to 25
  • 26 to 35
  • 36 to 45
  • 45 to 55
  • 55+