Sourav Ganguly: রাজনৈতিক ব্যক্তি ডাকলে সমস্যা কোথায়? স্ট্রেট ব্যাটে দাদাগিরি সৌরভের, ভয় পেতেন কাকে?
Sourav Ganguly: সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়কে পেতে চেয়েছে অনেক রাজনৈতিক দল। কিন্তু রাজনৈতিক নেতা, মন্ত্রীদের সঙ্গে সৌজন্যমূলক পারস্পরিক হৃদ্যতা বজায় থাকলেও সৌরভ রাজনীতির আঙিনায় পা রাখেননি।
মহারাজ রাজনীতিতে পা রাখবেনও না। বড় পদের প্রস্তাব পেয়েও হেলায় তা ছেড়ে দিতে পারেন বলেই সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়ের আইডল হিসেবে গরিমা উজ্জ্বল। সামনেই লোকসভা ও রাজ্যসভার নির্বাচন। ফলে ফের সৌরভকে নিয়ে চর্চা চলছেই।

সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায় রাজ্যে লগ্নি আকৃষ্ট করার লক্ষ্যে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে স্পেন সফরে গিয়েছিলেন। বাংলার ছেলে-মেয়েদের কর্মসংস্থানের লক্ষ্যে শালবনীতে ইস্পাত কারখানা গড়ার কথা বলতেই সমালোচনায় নামে বিজেপি। কিন্তু তথ্য আর যুক্তির কাছে খড়কুটোর মতো উড়ে যায় সেই মিথ্যাচার!
দাদাগিরির একটি পর্বে সৌরভের কাছে অভিনেতা জয়জিৎ বন্দ্যোপাধ্যায় জানতে চান, মন্ত্রী হতে চাইলে তিনি ক্রীড়ামন্ত্রী বাদ দিয়ে অন্য কোনও দফতরের মন্ত্রী হতে চাইবেন? সৌরভ প্রথমেই বলেন, হব না। তবু জয়জিৎ জোরাজুরি করতেই সৌরভ স্বভাবসিদ্ধ ভঙ্গিমায় মজা করে ক্যামেরার বাইরের দিককে ইশারা করে বলেন, আলাদা বলি?
এতে দমে না গিয়ে জয়জিৎ বলেন, রাজনৈতিক ব্যক্তি ডাকছেন, অথচ সেই আমন্ত্রণ এড়াতে চাইলে সৌরভ কী করে থাকেন? মহারাজ তখনই জবাব দেব, পারলে যাই। পলিটিক্যাল প্ল্যাটফর্ম না হলে যাই। তবে রাজনৈতিক ব্যক্তি ডাকলে সমস্যা কোথায়? এখানে তো আমরা একই স্টেজ শেয়ার করছি।
সৌরভ বলেছেন, এই মঞ্চে একসঙ্গে থেকেও আমি অভিনেতা হয়ে যাইনি কিংবা অভিনতা ক্রিকেটার হয়ে যাননি। তেমনই রাজনৈতিক নেতার আমন্ত্রণে সাড়া দিয়ে এক মঞ্চে থাকলে তিনি রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বই থাকেন, ক্রিকেটার হন না। আমিও ক্রিকেটারই থাকি। মানুষ কেন রাজনৈতিক নেতার সঙ্গে মঞ্চে থাকলেই লাফালাফি করেন তা বোধগম্য হয় না সৌরভের।
সৌরভের এই সোজাসাপটা জবাবকে কুর্নিশ জানিয়েছেন তাঁদের ভক্তরা। একজন তো লিখেই দিয়েছেন, দাদার রাজনীতিতে নামার দরকার হবে না। তিনি আমাদের দাদা।
অভিনেত্রী সম্পূর্ণা লাহিড়ির সঙ্গে কথা বলার সময় সৌরভ বলেন, টেলিভিশনে দাদাগিরি দেখার সময় অবাক হয়ে যাই এত বকি কী করে? সম্পূর্ণার প্রশ্নের উত্তরে মহারাজ জানান, সানা বাবা-মাকে দুই পকেটে রাখেন। তবে বাবাকে কিঞ্চিৎ ভয় পান, কারণ বাবা কিছু কিছু ক্ষেত্রে না করেন। মা ডোনা মেয়ের সঙ্গে পেরে ওঠেন না বলে মেয়ের কথাতেই রাজি হয়ে যান। সৌরভ আরও জানিয়েছেন, তিনি মায়ের চেয়ে বেশি ভয় পেতেন বাবাকেই।












Click it and Unblock the Notifications