SL vs IND: জাতীয় দলে সুযোগ পেয়েই চমক দেখালেন, এক নজরে জেফ্রি ভ্যান্ডারসের কেরিয়ার
সুপার সাব বোধহয় একেই বলে, চোট পেয়ে ছিটকে যাওয়ায় হাসারঙ্গার জায়গায় শ্রীলঙ্কা দলে স্থান করে নেন জেফ্রি ভ্যান্ডারসে। সুযোগটা পুরো মাত্রায় কাজে লাগালেন। ভারতের বিরুদ্ধে দ্বিতীয় একদিনের ম্যাচে ছয় উইকেট নিয়ে দলের জয়ের অন্যতম কাণ্ডারী হলেন জেফ্রি ভ্যান্ডারসে। একইসঙ্গে রবিবারের ম্যাচের পর থেকে চর্চা শুরু হয়েছে শ্রীলঙ্কান এই বোলারকে নিয়ে।
রবিবার ভারতের বিরুদ্ধে দ্বিতীয় একদিনের ম্যাচে ১০ ওভারে ৩৩ রান খরচ করে ছয় উইকেট নিয়েছেন জেফ্রি ভ্যান্ডারসে, যা তাঁর কেরিয়ারের এখনও পর্যন্ত সেরা বোলিং। দ্বিতীয় ম্যাচে শ্রীলঙ্কান বোলারের শিকার হয়েছেন রোহিত, গিল, বিরাট, দুবে, শ্রেয়স ও রাহুল। কিন্তু কে এই জেফ্রি ভ্যান্ডারসে? কীভাবে সুযোগ পেলেন শ্রীলঙ্কা দলে? সেই তথ্যই তুলে ধরা হল এই প্রতিবেদনে।

ঘরোয়া ক্রিকেটে, ভ্যান্ডারসে কলম্বো ক্রিকেট ক্লাব এবং সিংহলিজ স্পোর্টস ক্লাবের মতো দলের হয়ে খেলেছেন। গুরুত্বপূর্ণ সময়ে উইকেট নেওয়ার ক্ষমতা তাঁকে দ্রুত পরিচিতি দেয়। বছরের পর বছর ধরে, তিনি তাঁর দক্ষতাকে প্রমাণ করেছেন এবং একজন শক্তিশালী স্পিনার হয়ে উঠেছেন। কিন্তু ধারাবাহিকতার অভাব তাঁকে জাতীয় দলে স্থায়িত্ব দেয়নি।
২০১৫ সালে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অভিষেক হয় ভ্যান্ডারসের। তবে তাঁর যাত্রা মসৃণ হয়নি। বিভিন্ন সময়ে তাঁকে বাদ পড়তে হয়েছিল। ২০১৮ সালে শ্রীলঙ্কা ক্রিকেট বোর্ড তাঁকে সাসপেন্ড করেছিল।
২০১৫ সালে শ্রীলঙ্কার হয়ে অভিষেক হওয়া জেফ্রি ভ্যান্ডারসে একটি টেস্ট, ২২টি ওয়ানডে এবং ১৪টি টি২০ ম্যাচ খেলেছেন। রবিবার ভারতের বিরুদ্ধে ম্যাচ খেলার আগে বছরের শুরুতে জিম্বাবোয়ের বিরুদ্ধে শেষ একদিনের ম্যাচ খেলেন। ২০১৫ সালে তার ওডিআই অভিষেক হয়েছিল, কিন্তু তার কেরিয়ারের প্রথম দিকে উইকেট নেওয়ার ক্ষেত্রে ধারাবাহিকতার অভাবের কারণে, তিনি কখনই দলের নিয়মিত খেলোয়াড় হতে পারেননি।
কিন্তু ভারতের বিরুদ্ধে দ্বিতীয় ম্যাচে তাঁর পারফরম্যান্স সবার নজর কেড়েছে। এটা তাঁর কেরিয়ারে টার্নিং পয়েন্ট হতে পারে। তিনি শ্রীলঙ্কা দলের নিয়মিত সদস্য হওয়ার এবং ভবিষ্যতের টুর্নামেন্টে তাদের সাফল্যে অবদান রাখার আশা করেন। হাসারঙ্গা ফিরলে তাঁর সঙ্গে প্রতিযোগিতা জমতে পারে জেফ্রির।
জেফ্রি ভ্যান্ডারসে দ্বিতীয় ম্যাচ শেষে বলেছেন, হাসারঙ্গা তো এক নম্বর স্পিনার। আমি দলের পরিবেশ এবং দলের ভারসাম্য বুঝতে পেরেছি। দলে অনেক চাপ ছিল। আমি বাদ যাওয়ার পর দলে জায়গা পেয়েছি। আমি আমার সেরাটা দিতে চেয়েছি। আমি ব্যাটারদেরও সমান ভাবে কৃতিত্ব দিতে চাই। তারা ২৪০ রান করেছিল এবং এটি আমাকে ভালো জায়গায় বল করতে সাহায্য করেছিল।
উল্লেখ্য, ভারতের বিরুদ্ধে তিন বছর পর একদিনের আন্তর্জাতিক জিতল শ্রীলঙ্কা। গৌতম গম্ভীরের কোচিংয়ে এই প্রথম কোনও ম্যাচে পরাস্ত হলে ভারতীয় দল।












Click it and Unblock the Notifications