Shubman Gill: বছর শেষে ফিরে দেখা শুভমানের, পেলেন গাভাসকরের বিশেষ পরামর্শও
মাত্র কয়েক ঘণ্টার অপেক্ষা। ঘড়ির কাঁটা ১২টা বাজলেই শুরু হয়ে যাবে নতুন বছর ২০২৪। সাফল্য-ব্যর্থতা নিয়েই কেটেছে ২০২৩, সাধারণ মানুষেৱ মতোই ব্যতিক্রম নন খেলার মাঠের তারকারা। ২০২৩ সালের শেষ দিনে এসে বিদায়ী বছরের হিসাবে নিষেকটা সেরে নিলেন শুভমান গিল। সোশ্যাল সাইটে ২০২৩ সালের শুরুতে যে লক্ষ্য গুলো নিয়েছিলেন সেটাই তুলে ধরলেন।
বছরের শেষ দিনে সোশ্যাল সাইটে কাগজের টুকরোয় হাতে খেলা ২০২৩ সালের লক্ষ্য গুলো তুলে ধরেছেন গিল। চলতি কথায় যাকে নিউ ইয়ার রেজিলিউশন বলা হয়। গিল যে ছবি পোস্ট করেছেন তাতে লেখা রয়েছে, ভারতের হয়ে সবচেয়ে বেশি শতরান করতে হবে। পরিবারের সবাইকে খুশি রাখতে হবে। নিজের প্রতি একটু কম কঠোর হতে হবে। বিশ্বকাপ জিততে হবে। আইপিএল-এ অরেঞ্জ ক্যাপ জিততে হবে।

একইসঙ্গে গিল লিখেছেন, ২০২৩ সাল শেষ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই, বছরটি অভিজ্ঞতা, কিছু দুর্দান্ত মজা এবং অন্যান্য দুর্দান্ত শিক্ষায় পূর্ণ হয়েছে৷ বছরের শেষটি পরিকল্পনা মতো হয়নি, তবে আমি গর্ব করে বলতে পারি আমরা আমাদের লক্ষ্যের এত কাছাকাছি এসেছি, আমাদের কাছে যা ছিল সবই দিয়েছি। আসন্ন বছর তার নিজস্ব চ্যালেঞ্জ এবং সুযোগ নিয়ে আসছে।
সাদা বলের ক্রিকেটে সাফল্য পেলেও চলতি বছরে টেস্টে এখনও কাঙ্খিত সাফল্য পাননি। গিল এখনও পর্যন্ত ১৯ টি টেস্টে মাত্র ৩১.০৬ গড়ে রান করেছেন। সেঞ্চুরিয়নে ওপেনিংয়ের বদলে তিন নম্বরে ব্যাট করতে নামেন শুভমন গিল। তাতেও অবশ্য তাঁর ভাগ্য বদলায়নি। অন্যদিকে, ২০২৩ সালে টেস্ট ক্রিকেটে তিনি মাত্র ২৫৮ রান করতে সক্ষম হয়েছেন।
এই প্রেক্ষাপটে সুনীল গাভাসকর গিলকে পরাদর্শ দিয়েছেন টেস্টে অতিরিক্ত আক্রমণাত্বক না খেলার। সানির কথায়, ''আমার মতে ও (শুভমান গিল) টেস্টে একটু বেশিই আক্রমণাত্মক ক্রিকেট খেলছে। টি২০, ওডিআই ক্রিকেটের সঙ্গে টেস্ট ক্রিকেটের সামান্য হলেও ফারাক রয়েছে। পিচে পরে হোক কিংবা বাতাসে লাল বল কিন্তু সাদা বলের তুলনায় অনেকটাই বেশি মুভ করে। বল একটু বেশি বাউন্স ও করে। গিলকে কিন্তু এই সব মাথাতে রেখেই খেলতে হবে।'
একইসঙ্গে গাভাসকর বলেছেন, গিল তো দারুণভাবে ওর কেরিয়ার শুরু করেছে। আমরা ওর খুব প্রশংসাও করেছি। আমরা এখন কেবল ওর ফর্মে ফেরার অপেক্ষা করতে পারি। আশা করছি ও কড়া অনুশীলন সেরে ভবিষ্যতে আরও অনেক সাফল্য পাবে।'












Click it and Unblock the Notifications