শামি-শোয়েবের টুইট যুদ্ধে যুক্ত হল নতুন মাত্রা
শামি-শোয়েবের টুইট যুদ্ধে যুক্ত হল নতুন মাত্রা
রবিবার ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে পাকিস্তানের হারের পর টুইটারে হৃদয় ভঙ্গের একটি ইমোজি টুইট করেন শোয়েব আখতার। পাকিস্তানের প্রাক্তন তারকা পেসারের এই টুইটটির রিটুইট করেন মহম্মদ শামি। এর পরই শুরু হয়েছে টুইট যুদ্ধ।

শোয়েবের টুইটকে রিটুইট করে কী লেখেন শামি:
ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে পাঁচ উইকেটে হেরে পাকিস্তানের বিশ্বকাপ জয়ের স্বপ্ন সমাপ্ত হওয়ার পর টুইটারে হৃদয় ভঙ্গের একটি ইমোজি টুইট করেন শোয়েব আখতার। সেটি রিটুইট করে মহম্মদ শামি লেখেন, "দুঃখিত ভাই, একেই কর্ম বলে।" এর পর থেকেই খবরের শিরোনামে শামি-শোয়েবের টুইট। শামির এই টুইটির সম্পর্কে নিজের মতামত দিয়েছেন পাকিস্তানের প্রাক্তন অধিনায়ক শাহিদ আফ্রিদি।
|
শামির মন্তব্যের পাল্টা শোয়েবের:
১৩৭ রান ডিফেন্ড করার লক্ষ্যে পাকিস্তানের বোলিং লাইন যে ভাবে লড়াই চালিয়েছে তার প্রশংসা করেছেন ভারতীয় ধারাভাষ্যকার হর্ষ ভোগলে। হর্ষের সেই টুইটকে হাতিয়ার করে পাল্টা আক্রমণ করেন রাওয়ালপিণ্ডি এক্সপ্রেস। ওই টুইটে ভোগলে লেখেন, "যে ভাবে ওরা বোলিং করেছে তাতে কিছু দল এই ১৩৭ রান ডিফেন্ড করতে পারত। পাকিস্তানের প্রশংসা প্রাপ্য। সেরা বোলিং সাইড।" ভারতের বিরুদ্ধে সেমিফাইনালে যে দল একটি উইকেট না হারিয়ে ১৬৯ রান তাড়া করে ম্যাচ জেতে ভারতের বিরুদ্ধে সেই দল পাকিস্তানের বিধ্বংসী পেশ ব্যাটারির সামনে ভেঙে পড়ে। জয় বাটলার, অ্যালেক্স হেলস, ফিলিপ সল্ট, এমনকী ইংল্যান্ডের ম্যাচ জেতানোর নায়ক বেন স্টোকসকেও বারবার প্রবল বিপাকে পড়তে হয় শাহিন শাহ আফ্রিদি, নাসিম শাহ, হ্যারিস রউফদের বিরুদ্ধে।

শামিকে পরমার্শ আফ্রিদির:
শামিকে এই ধরনের মন্তব্য না করার উপদেশ দিয়েছেন আফ্রিদি যা ঘৃণা ছড়াতে পারে। আফ্রিদি শামির উদ্দেশ্যে বলেছেন, "আমাদের এমন কিছু করা উচিৎ নয় যেটা ঘৃণা ছড়ায়। আমরা যদি সেই কাজ করি, তা হলে সাধারণ মানুষের থেকে কী আশা করব। প্রাক্তন ক্রিকেটার হলেও এমন মন্তব্য করা ঠিকসনয়, সেখানে তুমি ভারতের বর্তমান সেটআপের একটা অঙ্গ।"

শাহিনের চোটই ম্যাচের টার্নিং পয়েন্ট:
হ্যারি ব্রুকসের ক্যাচ ধরতে গিয়ে শাহিন শাহ আফ্রিদির হাঁটুতে পাওয়া চোটই এই ম্যাচের টার্নিং পয়েন্ট। ম্যাচ শেষে পাক অধিনায়ক বাবর আজমও সেই কথা স্বীকার করে নেন। বাকি থাকা ১.৫ ওভার শাহিন যদি বোলিং করতে পারতেন তা হলে অন্য রকম হতে পারত ম্যাচের ভবিষ্যৎ। ইংল্যান্ডের এই ম্যাচ জয়ের অন্যতম নায়ক বন স্টোকস। পাকিস্তানের পেসারদের একের পর এক কঠিন প্রশ্নে যখন নাজেহাল ইংল্যান্ড ব্যাটিং তখন ধৈর্য্যের সঙ্গ ৪৮ বলে ৫২ রানে অপরাজিত ইনিংস খেলে ম্যাচ জিতিয়ে মাঠ ছাড়েন বেন স্টোকস।












Click it and Unblock the Notifications