Shafali Verma: টেস্টে দ্রুততম দ্বিশতরান শেফালির, মিতালির কীর্তি স্পর্শ! প্রথম দিনেই ভারতের পাঁচশো পার
Shafali Verma: মহিলাদের টেস্টে দ্রুততম দ্বিশতরানের রেকর্ড নিজের দখলে নিলেন শেফালি ভার্মা। চেন্নাইয়ে দক্ষিণ আফ্রিকার মহিলা দলের বিরুদ্ধে।
মিতালি রাজের পর শেফালিই দ্বিতীয় ভারতীয় মহিলা ক্রিকেটার, যিনি টেস্টে দ্বিশতরান হাঁকালেন। প্রথম দিনেই হরমনপ্রীত কৌরের ভারত তুলল ৯৮ ওভারে ৪ উইকেটে ৫২৫ রান। যা মহিলাদের টেস্ট তো বটেই, টেস্ট ক্রিকেটেই কোনও একদিনে ওঠা সর্বাধিক রানের বিশ্বরেকর্ড।

চিপকে ২২টি চার ও ৮টি ছয়ের সাহায্যে ১৯৪ বলে দ্বিশতরান পূর্ণ করেন বছর ২০-র শেফালি। এর আগে, টনটনে ২০০২ সালে ইংল্যান্ডের মহিলা দলের বিরুদ্ধে টেস্টে দ্বিশতরান করেছিলেন মিতালি রাজ। মিতালি করেছিলেন ২১৪ রান। শেফালি থামলেন ২০৫ রানে।
শেফালির ১৯৭ বলে করা ২০৫ রানের ইনিংস সাজানো ২৩টি চার ও ৮টি ছয় দিয়ে। মহিলাদের কোনও টেস্টে ব্যক্তিগত সর্বাধিক রানের নিরিখে শেফালি রইলেন সপ্তম স্থানে, ভারতীয়দের মধ্যে দ্বিতীয় স্থানে। সর্বকনিষ্ঠ ভারতীয় মহিলা ক্রিকেটার হিসেবে টেস্টে ৫০০ রান করার নজিরও এদিনই গড়েন শেফালি।
অস্ট্রেলিয়ার অ্যানাবেল সাদারল্যান্ড পারথে চলতি বছরেই দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে ২৪৮ বলে দ্বিশতরান পূর্ণ করেছিলেন। মহিলাদের টেস্টে সেটিই আজকের আগে অবধি ছিল দ্রুততম দ্বিশতরান। এদিন সাদারল্যান্ডের থেকে সেই রেকর্ডটি ছিনিয়ে নিলেন শেফালি। এদিনই তিনি ও স্মৃতি মান্ধানা মহিলাদের টেস্টে ওপেনিং জুটিতে সর্বাধিক রান তোলার রেকর্ড গড়েছেন।
টস জিতে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নেন ভারত অধিনায়ক হরমনপ্রীত কৌর। ওপেনিং জুটিতে ৫২ ওভারে ওঠে ২৯২ রান। মান্ধানা ৭৮ ও শেফালি ৬৬ বলে অর্ধশতরানে পৌঁছন। ১১৩ বলে কেরিয়ারের প্রথম টেস্ট শতরান পেয়ে যান শেফালি। দ্বিতীয় টেস্ট শতরান করতে মান্ধানার লাগে ১২২ বল। ১৫৮ বলে দেড়শো ছুঁয়ে ফেলেন শেফালি।
২৭টি চার ও ১টি ছয়ের সাহায্যে ১৬১ বলে ২৪৯ করেছেন মান্ধানা। জেমাইমা রডরিগেজ ৯৪ বলে ৫৫ রান করেন। সতীশ শুভা তিনে নেমে ১৫ রান করেন। হরমনপ্রীত কৌর ৭৬ বলে ৪২ ও রিচা ঘোষ ৩৩ বলে ৪৩ রানে অপরাজিত আছেন। ডেলমি টাকার দুটি উইকেট পেয়েছেন। তাঁর একটি ওভারেই প্রথম দুই বলে দুটি ছয় এবং তৃতীয় বলে এক রান নিয়ে দ্বিশতরানে পৌঁছন শেফালি। ১টি উইকেট পেয়েছেন নাদিন ডি ক্লার্ক।
টেস্টে ভারতীয় মহিলা দলের ক্রিকেটারদের ব্যক্তিগত সর্বাধিক রানের তালিকায় মিতালি ও শেফালির পর প্রথম পাঁচে রয়েছেন যথাক্রমে থিরুশ কামিনী (২০১৪ সালে দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে ১৯৪), সন্ধ্যা আগরওয়াল (১৯৮৬ সালে ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে ১৯০) ও স্মৃতি মান্ধানা (আজ দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে ১৬১ বলে ১৪৯, ২৭টি চার ও ১টি ছয়ের সাহায্যে)।












Click it and Unblock the Notifications