Get Updates
Get notified of breaking news, exclusive insights, and must-see stories!

সচিন তেন্ডুলকরের মারে ছেড়ে দে মা কেঁদে বাঁচি অবস্থা! স্মৃতি রোমন্থনে খোলসা করলেন পাকিস্তানের স্পিনার

সচিন তেন্ডুলকর আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে সর্বাধিক রানের মালিক। টেস্টে ৫১টি শতরান থেকে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ১০০টি সেঞ্চুরিও রয়েছে। সচিনের সামনে পড়ে নাজেহাল অবস্থা হয়েছে বিশ্বের তাবড় বোলারদের। তাই সকলেই সমীহ করে চলতেন মাস্টার ব্লাস্টারকে। আগ্রাসী সচিনের জন্য ছেড়ে দে মা কেঁদে বাঁচি অবস্থা হয়েছিল পাকিস্তানের স্পিনার সাকলিন মুস্তাকেরও।

চেন্নাই টেস্টের কথা

চেন্নাই টেস্টের কথা

ঘটনা ১৯৯৯ সালে চেন্নাই টেস্টের। সেই টেস্টটিতে ভারতকে ১২ রানে হারিয়ে দিয়েছিল পাকিস্তান। সচিন তেন্ডুলকর দ্বিতীয় ইনিংসে ১৩৬ রানের ইনিংস খেললেও ভারত পরাজয় এড়াতে পারেনি। পাকিস্তান প্রথম ইনিংসে তোলে ২৩৮, ভারত তা টপকে থামে ২৫৪ রানে। এরপর দ্বিতীয় ইনিংসে পাকিস্তান পৌঁছে যায় ২৮৬ রানে। ভারতের টার্গেট ছিল ২৭১, কিন্তু ২৫৮ রানে শেষ হয় ভারতীয় ইনিংস।

সচিন হয়েছিলেন ম্যাচের সেরা

সচিন হয়েছিলেন ম্যাচের সেরা

সেই চেন্নাই টেস্টে প্রথম ইনিংসে সচিন ৩ বল খেলে আউট হয়েছিলেন শূন্য রানে। দ্বিতীয় ইনিংসে তাঁর কেরিয়ারের অন্যতম সেরা শতরান হাঁকান। বল হাতে প্রথম ইনিংসে একটি এবং দ্বিতীয় ইনিংসে ২ উইকেট তুলে নেওয়ার পাশাপাশি ৪০৫ মিনিট ক্রিজে থেকে ২৩৭ বলে ১৩৬ রান করেছিলেন সচিন। মেরেছিলেন ১৮টি চার। নয়ন মোঙ্গিয়া করেছিলেন ৫২ রান। মহম্মদ আজহারউদ্দিনের নেতৃত্বাধীন ভারতের আর কোনও ব্যাটার দুই অঙ্কের রান পাননি।

দ্বিতীয় ইনিংসে বিপর্যয় সামলান

দ্বিতীয় ইনিংসে বিপর্যয় সামলান

ওয়াকার ইউনিস, ওয়াসিম আক্রম, সাকলিন মুস্তাকরা মিলে ধস নামিয়েছিলেন ভারতীয় ইনিংসে। ৮২ রানে পড়ে গিয়েছিল পাঁচ উইকেট। সদাগোপান রমেশ, ভিভিএস লক্ষ্মণ, রাহুল দ্রাবিড়, মহম্মদ আজহারউদ্দিন ও সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায় সাজঘরে ফেরার পর সচিন ষষ্ঠ উইকেটে মোঙ্গিয়ার সঙ্গে জুটি বেঁধে দলের রান নিয়ে যান ২১৮ রানে। মাস্টার ব্লাস্টার আউট হলে ভারতের স্কোর দাঁড়ায় ৭ উইকেটে ২৫৪। সেখান থেকে ২৫৮-তেই অল আউট।

দুই ইনিংসেই মুস্তাকের শিকার

চেন্নাই টেস্টে দুবার সচিনের উইকেট নেওয়া সাকলিন মুস্তাক এক সাক্ষাৎকারে বলেছেন, পাকিস্তানের ক্রিকেট ইতিহাসে ওই চেন্নাই টেস্টের উপরে কিছু হতে পারে না। প্রথম ইনিংসে আমি সচিনকে প্রথম বা দ্বিতীয় ডেলিভারিতে আউট করেছিলাম। দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে গুরুত্বপূর্ণ সময়ে সচিন প্রথম ১০ ওভারে কোনও শট খেলেননি। আমি অফ-স্পিন, দুসরা, টপ স্পিন, আর্ম-বল, দ্রুত অফ ব্রেক, ফ্লাইটেড ডেলিভারি- সব রকমের বোলিং করি। সচিন সব দেখে সতর্ক হয়ে ১০-১২ ওভার খেলে যান। এরপর তিনি আমার বলে মারতে শুরু করেন।

আক্রম আস্থা রেখেছিলেন

আক্রম আস্থা রেখেছিলেন

এরপরই সাকলিন চলে যান অধিনায়ক ওয়াসিম আক্রমের কাছে। আক্রমকে বলেন, "ওয়াসিম ভাই, সচিন আমার বল বুঝে ফেলেছে। ফলে আমাকে বোলিং থেকে সরিয়ে নিয়ে অন্য কাউকে বল করতে ডাকো। আক্রম তখন মুস্তাককে বলেন, "ভাই এটা কোনও ব্যাপার নয়। তুমি যে প্রান্ত থেকে বল করছো, সেখান থেকেই করো। অন্য কারও উপর আমার আস্থা নেই। যদি ম্যাচ ঘোরে, তা তোমার জন্যই হবে। ওয়াসিম আক্রমকে কৃতিত্ব দিতেই হবে। ওই ম্যাচ চলাকালীন তাঁর সঙ্গে আমার এই কথাই হয়েছিল।

সচিনের সঙ্গে দ্বৈরথ

সাকলিন জানান, এর পরের ১০-১২ ওভার আমি কোনও বৈচিত্র্য না এনে লাগাতার অফ-স্পিন করি, সেইমতো ফিল্ডিং সাজাই। এটা করেছিলাম, যাতে প্রথম ১০ ওভারে সচিন যে বলগুলি দেখেছেন তা তাঁর মাথায় না থাকে। দুসরাও করিনি, এমনকী তিনি নন-স্ট্রাইকার এন্ডে থাকার সময়। এরপর আক্রমকে বলি সচিনের উপর রাশ আনতে পারার কথা। সচিনের তখন শতরান হয়ে গিয়েছিল। ভারতের জিততে ১৭ রান দরকার ছিল। ততক্ষণে সচিন অনেকগুলি চার মেরেছেন। আমি দুসরা করতেই তিনি তা খেলতে গিয়ে আক্রমের হাতেই ক্যাচ দেন।

More From
Prev
Next
Notifications
Settings
Clear Notifications
Notifications
Use the toggle to switch on notifications
  • Block for 8 hours
  • Block for 12 hours
  • Block for 24 hours
  • Don't block
Gender
Select your Gender
  • Male
  • Female
  • Others
Age
Select your Age Range
  • Under 18
  • 18 to 25
  • 26 to 35
  • 36 to 45
  • 45 to 55
  • 55+