পৃথ্বী শ মদ্যপ ছিলেন! অভিযোগ উড়িয়ে দাবি স্বপ্নার, সচিন-পুত্র অর্জুন দিলেন বিশেষ বার্তা
পৃথ্বী শ মদ্যপ ছিলেন। তিনি যে ক্রিকেটার জানতেন না, সেলফি তুললেও চাননি। আদালতে চাঞ্চল্যকর দাবি সোশ্যাল মিডিয়া ইনফ্লুয়েন্সার স্বপ্না গিলের।
পৃথ্বী শ-র উপর হামলার চেষ্টা, তাঁর বন্ধুর গাড়ি ভাঙচুরের অভিযোগে ২০ ফেব্রুয়ারি অবধি পুলিশ হেফাজতে স্বপ্না গিল। যদিও আদালতে তিনি দিল্লি ক্যাপিটালসে খেলা মুম্বইয়ের ক্রিকেটার সম্পর্কে আনলেন চাঞ্চল্যকর অভিযোগ। পৃথ্বীর বন্ধুর আনা অভিযোগগুলিকে আগালতে নস্যাৎ করেছেন স্বপ্না। ঘটনায় গ্রেফতার হয়েছেন ৪ জন। নিখোঁজ চার।

পৃথ্বীর বিরুদ্ধে অভিযোগ
স্বপ্না গিল পেশায় সোশ্যাল মিডিয়া ইনফ্লুয়েন্সার। তাঁর দাবি, মুম্বইয়ে ভোররাতের ঘটনা নিয়ে তাঁকে ও তাঁর বন্ধুদের পৃথ্বী শ ও তাঁর সঙ্গীরা অনুরোধ জানিয়েছিলেন পুলিশে অভিযোগ না জানাতে। তাঁরা দুঃখপ্রকাশ করে চলেও যান। পৃথ্বীর বন্ধু ওশিওয়াড়া থানায় যে অভিযোগ করেছিলেন তাতে তাঁর দাবি ছিল, পৃথ্বী শ সেলফি তোলার আবেদন ফেরাতেই গণ্ডগোলের সূত্রপাত। যদিও স্বপ্নার দাবি, তিনি পৃথ্বীকে চেনেন না। সেলফি তুলতে কোনও অনুরোধ তিনি করেননি।

স্বপ্নার আইনজীবীর দাবি
স্বপ্নার আইনজীবী আদালতে বলেন, স্বপ্না ৫০ হাজার টাকা দাবি করে বিষয়টি মিটমাট করে ফেলার কথা বলেছিলেন যা সংবাদমাধ্যমে সামনে এসেছে সেটাও ভিত্তিহীন। এমন কোনও কিছুই হয়নি। স্বপ্না নিজে একজন ইনফ্লুয়েন্সার। ঘটনার ১৫ ঘণ্টা পর পৃথ্বী নিজে কিছু না বলে কেন বন্ধুকে দিয়ে থানায় অভিযোগ করালেন, কেন সঙ্গে সঙ্গে থানায় গেলেন না, সেই সব প্রশ্নও তুলেছেন স্বপ্নার আইনজীবী। স্বপ্নার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগগুলি মিথ্যা বলে দাবি করেন স্বপ্নার আইনজীবী।
|
মদ্যপ ছিলেন?
স্বপ্না গিল আদালতকে জানিয়েছেন, আমার বন্ধু সেলফি তুলতে গিয়েছিলেন। আমি জানতাম না ব্যক্তিটি একজন ক্রিকেটার। আমরা দুজনই ছিলাম। পৃথ্বী শ ও তাঁর সঙ্গে আরও ৭ জন ছিলেন। এটাও ঠিক নয় তাঁরা নৈশভোজ সারছিলেন। আমরা পার্টি করছিলাম। পৃথ্বী মদ্যপ ছিলেন। পুলিশই বিষয়টি মিটিয়ে নিতে বলে। এদিকে, স্বপ্নার বন্ধু শোভিত ঠাকুরকেও গ্রেফতার করেছে পুলিশ। ধৃতের সংখ্যা বেড়ে হলো চার।

পৃথ্বীর পাশে অর্জুন
এদিকে, পৃথ্বী শ-র পাশে থাকার বার্তা দিয়েছেন সচিন তেন্ডুলকরের পুত্র অর্জুন। দুজনেই বাল্যবন্ধু। ভালো সময়ের পাশাপাশি খারাপ সময়েও তিনি পৃথ্বীর পাশে বলে জানান অর্জুন। ঘটনার সূত্রপাত, সান্তাক্রুজের এক হোটেলে। পৃথ্বীর বন্ধুর দায়ের করা অভিযোগ অনুযায়ী, পৃথ্বী প্রথমে ওই পাঁচতারা হোটেলে দুজনের সেলফির আবদার মেটান। পরে তাঁরা আরও কয়েকজনকে নিয়ে এসে সেলফি তোলার আবেদন করলে পৃথ্বী রাজি হননি। তখনই অভিযুক্তরা দুর্ব্যবহার শুরু করেন। হোটেলকর্মীরা অভিযুক্তদের সেখান থেকে চলে যেতে বলেন। পৃথ্বীরা নৈশভোজ সেরে বেরিয়ে দেখেন অভিযুক্তরা বেসবল ব্যাট হাতে দাঁড়িয়ে। এরপর পৃথ্বী ও বন্ধুরা গাড়িতে বসতেই উইন্ডশিল্ড ভেঙে দেওয়া হয়। এরপর পৃথ্বীকে অন্য গাড়িতে পাঠিয়ে তাঁর বন্ধুরা সকলে ঘটনাস্থল ছাড়লেও অভিযুক্তরা তিনটি মোটরবাইক ও একটি সাদা গাড়ি নিয়ে তাঁদের ধাওয়া করতে থাকেন। যোগেশ্বরীর কাছে এসে এক মহিলা (যিনি স্বপ্না গিল বলে পরে চিহ্নিত) ৫০ হাজার টাকা না দিলে মিথ্যা অভিযোগের হুমকি দেন বলে অভিযোগ। এরপর সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয় পৃথ্বীকে হেনস্থার ভিডিও। ভোর চারটে নাগাদ এই ঘটনা ঘটে মুম্বইয়ের রাস্তায়। পরে পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি সামাল দেয়।












Click it and Unblock the Notifications