Sanju Samson: দিল্লি টু কেরল, ক্রিকেট জীবনে রাহুল দ্রাবিড়ের অবদান, জানুন অজানা সঞ্জু স্যামসনকে
সঞ্জু স্যামসন মানেই ব্রাত্যজনের রুদ্ধসংগীত। প্রতিভা থাকা সত্বেও ভারতীয় দলে সেভাবে জায়গা হয় না। মাঝেমধ্যে কয়েকবার সুযোগ পেলেও ফের বাদ পড়তে হয়েছে। কেরলে জন্ম হলেও ছোটবেলায় অনেকটা সময় কেটেছে দিল্লিতে। প্রিয় অভিনেতা থেকে ক্রিকেট জীবনে রাহুল দ্রাবিড়ের ভুমিকা, সম্প্রতি একটি সাক্ষাতকারে এমনই অজানা কাহিনি তুলে ধরেছে সঞ্জু।
কেরলে জন্ম হওয়ায় মাছ খুবই পছন্দের। মৎসবিলাস নিয়ে সঞ্জু বলেন, সকাল ছয়টার সময় বাজারে গিয়ে বিভিন্ন ধরনের মাছ আনি। আমার মা বিভিন্ন রকম মশলা সহযোগে ফিস ক্যারি রান্না করেন। একবার কেরলে গেলে লোভ সম্বরণ করা খুব কঠিন হয়ে যায়।

বাবার চাকরি সূত্রে ছোটবেলার ৮-১০ বছর দিল্লিতেই কেটেছে সঞ্জুর। ফলে শুধু দক্ষিণ ভারতীয় খাবার নয় একইসঙ্গে দিল্লির বেশ কিছু পদ বেশ প্রিয় রাজস্থান রয়্যালস অধিনায়কের। দিল্লির খাবারের মধ্যে কোন ডিস প্রিয় এর উত্তরে সঞ্জু বলেন, 'আলুর পরোটা এবং ছোলা বাটরে আমার খুব ভালো লাগে।'
দিল্লির স্মৃতি প্রসঙ্গে সঞ্জু বলেন, 'ছোটবেলায় ওখানে স্কুল ক্রিকেট খেলতাম, একবার নীতীশ রানা এবং আমি একসঙ্গে অনূর্ধ্ব ১৩ দলের ট্রায়ালে যাই। সেখানেই দেখি গৌতম গম্ভীরকে। আমি একটা শট মারছি আর গৌতম গম্ভীরকে দেখছি।'

তাঁর জীবনে রাহুল দ্রাবিড়ের যে বড় অবদান আছে তা মানছেন কেরলের এই ব্যাটসম্যান। আইপিএল দলের ট্রায়ালে উৎসাহিত করেন সঞ্জুকে। সেই দিনের কথা বলতে গিয়ে বেশ আবেগতাড়িত হয়ে পড়লেন সঞ্জু। তাঁর কথায়, 'নেটে ব্যাট করার আগে রাহুল স্যার আমাকে বলেন ঘরোয়া ক্রিকেটে তোমার খেলা দেখেছি। খুব ভালো লেগেছে। এরপর নেটে প্রতিটি শট মারার পরই আমাকে উৎসাহিত করতে থাকেন।'
একইসঙ্গে সঞ্জু উল্লেখ করেছেন, 'আমার জীবনের অন্যতম স্মরণীয় দিন রাহুল দ্রাবিড়ের সঙ্গে ব্যাট করা। একটা ম্যাচ দ্রুত ওপেনার আউট হওয়ায় আমি তিন নম্বরে ব্যাট করতে নামি। আমি প্রথম বল থেকেই চালাতে শুরু করি। বিপরীত প্রান্ত থেকে রাহুল স্যার আমাকে বলে আরে কী করছো সময় নাও ধীরে খেলো।'

সিনেমারও বড় ভক্ত সঞ্জু। প্রিয় অভিনেতার কথা বলতে গিয়ে কেরলের উইকেটরক্ষক ব্যাটসম্যান বলেন, 'ছোট বেলায় থেকে রজনীকান্তের আমি বড় ভক্ত। থালাইভার মতোই পোশাক করে ছোটবেলায় তাঁকে অনুকরণ করতাম।'












Click it and Unblock the Notifications