Sandeep Patil: ভারতীয় ক্রিকেট নিয়ে নিরুত্তাপ তিরাশির বিশ্বকাপজয়ী দলের সদস্য, এখন খেলাই দেখেন না সন্দীপ পাতিল!
Sandeep Patil: সন্দীপ পাতিল। ১৯৮৩ সালে ভারতের বিশ্বকাপ জয়ের পিছনে যাঁর ছিল বড় অবদান। ভারতীয় এ দলের কোচিংয়ের দায়িত্ব সামলেছেন। ন্যাশনাল ক্রিকেট আকাদেমির ডিরেক্টরও ছিলেন।
মহেন্দ্র সিং ধোনি যখন ভারতীয় দলের অধিনায়ক, তখন ভারতের নির্বাচকমণ্ডলীর প্রধান ছিলেন সন্দীপ পাতিল। মুম্বইকর সন্দীপ যদিও আর এখন খেলাই দেখেন না। বিষয়টি অবাক করার মতোই।

কলকাতার নর্দার্ন পার্কে বালক সংঘ ক্লাবের শতবর্ষের সূচনা অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন সন্দীপ। তিরাশির বিশ্বকাপ জয় যেমন ভারতীয় ক্রিকেটের উত্তরণের পথ প্রশস্ত করে, তেমনই বিসিসিআইকে বিশ্বে সমাদৃত করে আজ এই জায়গায় পৌঁছে দেওয়ার নেপথ্যে জগমোহন ডালমিয়ার অবদানের কথা উল্লেখ করলেন সন্দীপ।
এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম, সিএবি সভাপতি স্নেহাশিস গঙ্গোপাধ্যায়, আইপিএল গভর্নিং কাউন্সিলের সদস্য অভিষেক ডালমিয়া প্রমুখ। দীর্ঘদিনের বন্ধু বরুণ বর্মণের সঙ্গে দেখা হওয়ার খুশি গোপন রাখলেন না সন্দীপ। আবার বললেন, কলকাতায় যেমন দিদি আছেন, তেমনই দাদাও (সৌরভ) রয়েছেন। ভারতীয় ক্রিকেটে সৌরভের অবদানের প্রশংসাও শোনা গেল সন্দীপের গলায়।
সন্দীপ পাতিলকে এই অনুষ্ঠানে ঘুড়ি ওড়াতেও দেখা গেল। তিনি বললেন, জগমোহন ডালমিয়া চাইতেন আমি বাংলায় এসে কিছু করি। সিএবি পরিকাঠামোর উন্নতি ঘটিয়ে খুব ভালো কাজ করছে। ক্রিকেটারদের তুলে আনার পিছনে যা জরুরি। বাংলায় একটি স্পোর্টস ইউনিভার্সিটি হচ্ছে, সেখানেও সিএবির সহযোগিতা দরকার।
ভারতীয় ক্রিকেট নিয়ে অবশ্য নিরুত্তাপ সন্দীপ পাতিল। বিরাট কোহলি ব্যক্তিগত কারণে ভারত-ইংল্যান্ড পাঁচ টেস্টের সিরিজ থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন। ব্যক্তিগত কারণে এভাবে দেশের হয়ে না খেলা কতটা যুক্তিসঙ্গত সেই প্রশ্নের উত্তরে সন্দীপ বলেন, আমার সৌভাগ্য এমন পরিস্থিতিতে পড়তে হয়নি। তবে এটা বিরাট, বিসিসিআই আর নির্বাচকদের ব্যাপার।
ঈশান কিষাণকে নিয়েও প্রশ্ন উঠছে। তিনিও ব্যক্তিগত কারণ দেখিয়ে দেশের হয়ে খেলা থেকে আপাতত সরে দাঁড়িয়েছেন। ভারতের হেড কোচ রাহুল দ্রাবিড় বলেছেন, দলে ফিরতে কিছু না কিছু ক্রিকেট ঈশানকে খেলতেই হবে। সন্দীপ এই সংক্রান্ত প্রশ্নের উত্তরে বলেন, আমি হ্যাপিলি রিটায়ার্ড। ক্রিকেট খেলা দেখি না। জানিই না ভারতীয় দলে কারা এখন খেলছেন। তবে চাই ভারত যেখানেই খেলুক না কেন জিতুক। যদিও কী কীরণে তাঁর এই নিষ্পৃহ থাকা, তার কারণ খোলসা করেননি সন্দীপ।
অভিষেক জানান, বাংলার ক্রিকেটে এই বালক সংঘের অনেক অবদান রয়েছেন। অনেক প্রাক্তন ক্রিকেটার এখানে খেলেছেন। শতবর্ষে বছরভর নানা অনুষ্ঠান আয়োজন করা হবে।












Click it and Unblock the Notifications