লালার ব্যবহার নিষিদ্ধ, বোলারদের হয়ে গলা ফাটালেন কিংবদন্তি সচিন
লালার ব্যবহার নিষিদ্ধ, বোলারদের হয়ে গলা ফাটালেন কিংবদন্তি সচিন
করোনা ভাইরাসের প্রভাব থেকে বাঁচতে ক্রিকেট বলে লালার ব্যবহার নিষিদ্ধ করে দিয়েছে আইসিসি। এতে বোলাররা তীব্র সমস্যার মুখে পড়বেন বলে মনে করে ক্রিকেট বিশ্ব। একই মত মাস্টার ব্লাস্টার সচিন তেন্ডুলকরের। কী বললেন কিংবদন্তি, জেনে নেওয়া যাক।

বলে লালার ব্যবহারে নিষেদ্ধাজ্ঞা
লালার মাধ্যমে এক শরীর থেকে অন্য শরীরে সংক্রামিত হতে পারে করোনা ভাইরাস, তা আগেই জানিয়েছেন ডাক্তাররা। সে অনুযায়ী ক্রিকেট বল চমকাতে লালার ব্যবহার নিষিদ্ধ করে দেওয়ার সুপারিশ করেছিল ভারতীয় কিংবদন্তি অনিল কুম্বলে নেতৃত্বাধীন আইসিসি ক্রিকেট কমিটি। পরিবর্তে ঘাম ব্যবহার করা যেতে পারে বলে জানিয়েছিল ১৬ সদস্যের ওই কমিটি। সেই নিয়মকেই প্রাধান্য দিয়েছে আইসিসি-র চিফ এগজিকিউটিভ কমিটি।

ভুল হলে পেনাল্টি
শুরুতেই ক্রিকেটারদের পক্ষে এই নতুন নিয়মের সঙ্গে মানিয়ে নেওয়া মুশকিল হতে পারে। ভুল বশত মাঠে লালার ব্যবহার করতেই পারেন ক্রিকেটাররা। সেক্ষেত্রে আম্পায়াররা ওই ক্রিকেটার এবং তাঁর দলকে সতর্ক করতে পারেন বলে জানিয়েছে আইসিসি। তবে প্রতি ইনিংসে প্রতি ফিল্ডিং দলকে দুটি করে সতর্ক বার্তা দেওয়া হবে। তারপরেও ভুল করলে পেনাল্টি হিসেবে ব্যাটিং দলকে পাঁচ রান উপহার দেওয়া হবে বলে জানিয়েছে আইসিসি। কেউ ভুল করে বলে লালা লাগিয়ে ফেললে, তা পরিস্কার করার দায়িত্ব ফিল্ড আম্পায়ারকে নিতে হবে। বল পরিষ্কার হওয়ার পরই ফের খেলা শুরু হবে বলে জানিয়েছে বিশ্বের সর্বোচ্চ ক্রিকেট নিয়ামক সংস্থা।

বোলারদের পাশে সচিন
সোশ্যাল মিডিয়ায় অস্ট্রেলিয়ার প্রাক্তন ফাস্ট বোলার ব্রেট লি-র সঙ্গে কথোপকথনে আইসিসি-র এই নতুন নিয়মের বিরুদ্ধেই কথা বলেছেন কিংবদন্তি সচিন তেন্ডুলকর। মাস্টার ব্লাস্টারের কথায়, প্রায় বারো মাসই শীতল আবহাওয়ার দেশ ইংল্যান্ড কিংবা নিউজিল্যান্ডে যদি শরীরে ঘামই না হয়, তবে তার প্রয়োগ কীভাবে করবেন বোলাররা। সচিন জানিয়েছেন, ইয়র্কশায়ারের হয়ে কাউন্টি ক্রিকেট খেলার সময় পাঁচটি পোশাক গায়ে চাপিয়ে তিনি মাঠে নামতেন। এত ঠান্ডায় কেবল লালাই বোলারদের কাজে আসতে পারে বলে মনে করেন মাস্টার ব্লাস্টার।

ঘাম ও লালার ভিন্ন প্রয়োগ
বলে লালা এবং ঘাম ভিন্ন সময়ে প্রয়োগ করা হয় বলে জানিয়েছেন সচিন তেন্ডুলকর। তাঁর কথায়, মূলত নতুন বলে পালিশ ধরে রাখার জন্য লালার ব্যবহার করা হয়। বল রিভার্স করতে শুরু করলে তাতে ঘামের প্রয়োজন হয় বলে জানিয়েছেন মাস্টার ব্লাস্টার। তাঁর কথায়, বলে রিভার্স বজায় রাখতে দুদিকে ওজনের হেরফের প্রয়োজন হয়। একমাত্র ঘামই সেই কাজটি করতে পারে বলে জানিয়েছেন ভারতীয় কিংবদন্তি। তাছাড়া লালার ব্যবহার বন্ধ করে কেবল ঘামের ওপর নির্ভর করাও খুব একটা স্বাস্থ্যকর কিনা, তা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন সচিন তেন্ডুলকর।












Click it and Unblock the Notifications