পিতৃ দিবসে স্মৃতিমেদুর সচিন! মেনে চলেন বাবার কোন পরামর্শ? কোন শতরানটির গুরুত্ব অপরিসীম?

আজ পিতৃ দিবস। প্রত্যেকেই তাঁদের জীবনে বাবার অবদানের কথা বিশেষভাবে উল্লেখ করছেন নানাভাবে। বেশিরভাগই সোশ্যাল মিডিয়ায়। আমজনতা থেকে সেলেব, বাদ যাচ্ছেন না কেউই। সচিন তেন্ডুলকরও তাঁর সোশ্যাল মিডিয়া হ্যান্ডলে শেয়ার করেছেন একটি বিশেষ ভিডিও। তাতে তিনি যেমন বাবা রমেশ তেন্ডুলকরকে স্মরণ করেছেন, তেমনই মা রজনী তেন্ডুলকর ও দাদা অজিত তেন্ডুলকরের বক্তব্যও তুলে ধরা হয়েছে।

পিতৃ দিবসে স্মৃতিমেদুর সচিন! মেনে চলেন বাবার কোন পরামর্শ?

সচিন ভিডিওয় জানান, তাঁর বাবা সব সময় বলতেন শর্টকাট এড়িয়ে সঠিকভাবে নিজেকে প্রস্তুত রাখার গুরুত্বের কথা। আজও সেই কথাটি অক্ষরে অক্ষরে মেনে চলেন মাস্টার ব্লাস্টার। রজনী তেন্ডুলকর জানিয়েছেন, রমেশ তেন্ডুলকর সন্তানদের খুব ভালোবাসতেন। এমনকী কোনও কিছু জোর করে চাপিয়ে দিতেন না। সচিনের দাদা অজিতের কথায়, ছেলে ক্রিকেট খেলে বাড়ি ফিরলে সারাদিনের ক্লান্তি, পরিশ্রমের বিষয়টি বুঝে সন্তানদের পা টিপেও দিতেন বাবা। ভিডিওয় দেখা গিয়েছে বাবার পছন্দের চেয়ারকে মায়ের পরামর্শে এখন দোলনায় রূপান্তরিত করেছেন সচিন। যাতে বসলে এক আলাদা শান্তি, তৃপ্তি অনুভব করেন সচিন।

সচিন তেন্ডুলকরের দীর্ঘ ক্রিকেট-জীবনে ১০০টি শতরান রয়েছে। তবে একটির পরিস্থিতি ও গুরুত্ব অপরিসীম। ১৯৯৯ সালের ক্রিকেট বিশ্বকাপ ছিল ইংল্যান্ডে। বিশ্বকাপ চলাকালীন সচিন পিতার প্রয়াণের খবর পান। শেষকৃত্যে যোগ দিতে দেশে ফিরে আসেন। কিন্তু এরই মধ্যে ভারত জিম্বাবোয়ের কাছে হেরে গিয়ে বিপদে পড়ে যায়। পরের পর্বে যেতে কেনিয়ার বিরুদ্ধে জিততেই হতো। এই পরিস্থিতিতে বাবার শেষকৃত্যে যোগ দিয়ে ফের ইংল্যান্ডে ফিরেছিলেন বছর ছাব্বিশের সচিন।

কেনিয়ার বিরুদ্ধে ভারত ২০.৫ ওভারে ৯২ রানে ২ উইকেট হারিয়েছিল। সচিন ব্যাট করতে নেমেছিলেন চারে। পিতার প্রয়াণের পর এটিই ছিল সচিনের প্রথম ম্যাচ। রাহুল দ্রাবিড়ের সঙ্গে জুটি বেঁধে ভারতকে ৩২৯ রানে পৌঁছে দিয়েছিলেন সচিন। অবিচ্ছেদ্য তৃতীয় উইকেট জুটিতে রাহুল দ্রাবিড়ের সঙ্গে যোগ করেছিলেন ২৩৭ রান। ১৬টি চার ও তিনটি ছয়ের সাহায্যে ১০১ বলে ১৪০ রান করে অপরাজিত ছিলেন মাস্টার ব্লাস্টার। শতরান করেছিলেন রাহুল দ্রাবিড়ও। আজও ক্রিকেটপ্রেমীদের মনে গেঁথে রয়েছে সচিনের সেই ম্যাচে শতরানের মুহূর্ত। সেঞ্চুরি করেই ব্যাট উঁচুতে তুলে আকাশের দিকে তাকিয়েছিলেন সচিন। বাবাকে শতরানটি উৎসর্গ করতে। বাবার প্রয়াণের খবর শুনে সচিন এতটাই ভেঙে পড়েছিলেন যে, বিশ্বকাপে খেলা নিয়েও সংশয় ছিল। কিন্তু পরিবারই সচিনকে বিশ্বকাপ খেলতে ফের ইংল্যান্ডে যেতে বলে। তারপরেই এসেছিল সেই স্মরণীয় সেঞ্চুরি।

Notifications
Settings
Clear Notifications
Notifications
Use the toggle to switch on notifications
  • Block for 8 hours
  • Block for 12 hours
  • Block for 24 hours
  • Don't block
Gender
Select your Gender
  • Male
  • Female
  • Others
Age
Select your Age Range
  • Under 18
  • 18 to 25
  • 26 to 35
  • 36 to 45
  • 45 to 55
  • 55+