Sachin Meets Kambli: সচিনকে দেখেই আবেগপ্রবণ কাম্বলি! আচরেকরের জন্মদিনে স্মৃতির ঝাঁপি খুললেন তেন্ডুলকর
Sachin Meets Kambli: মুম্বইয়ে রমাকান্ত আচরেকরের বাডির ঠিক উল্টোদিকেই শিবাজি পার্ক। সেখান থেকেই একঝাঁক ক্রিকেটার এসেছেন ভারতীয় দলে। অনেকে দাপিয়ে খেলেছেন ঘরোয়া ক্রিকেটেও।
সেই শিবাজি পার্কের পাঁচ নম্বর গেটের কাছে আজ কিংবদন্তি কোচের স্মৃতিসৌধ উন্মোচন করলেন সচিন তেন্ডুলকর। তারকাখচিত অনুষ্ঠানে নানা স্মৃতি ভাগ করে নিলেন আচরকেররের ছাত্ররা।

এদিনের অনুষ্ঠানে হাজির ছিলেন মহারাষ্ট্র নবনির্মাণ সেনার সভাপতি রাজ ঠাকরে। ছিলেন বিনোদ কাম্বলি, প্রবীণ আমরে, পরশ মামব্রে, বলবিন্দর সিং সান্ধু-সহ ভারতীয় ক্রিকেট দলের প্রাক্তন তারকারা। আন্তর্জাতিক ক্রিকেট খেলার নিরিখে আচরেকরের শিক্ষার্থীদের তালিকা বেশ লম্বা।
উপরোক্ত ক্রিকেটারদের পাশাপাশি অজিত আগরকর, রামনাথ পার্কার, সঞ্জয় বাঙ্গার, লালচাঁদ রাজপুতরাও আচরেকরের কাছেই ক্রিকেট শিখেছেন। সচিনের কথায় , এখন যা লেভেল ১, ২, ৩ কোচিং কোর্স বলা হয়, ১৯৭০, ১৯৮০-র দশকে তাই করেছেন আচরেকর স্যর।
বিনোদ কাম্বলি অসুস্থ। নিজে উঠে দাঁড়াতেও পারছেন না। চুলে পাক ধরেছে। স্কুল ক্রিকেটে সচিনের সঙ্গে কাম্বলি ৬৬৪ রানের পার্টনারশিপ গড়ে শোরগোল ফেলে দিয়েছিলেন। আজ সেই সচিনকে উঠে দাঁড়িয়ে আলিঙ্গনের ক্ষমতাও নেই কাম্বলির।
#WATCH | Maharashtra: Former Indian Cricketer Sachin Tendulkar met former cricketer Vinod Kambli during an event in Mumbai.
— ANI (@ANI) December 3, 2024
(Source: Shivaji Park Gymkhana/ANI) pic.twitter.com/JiyBk5HMTB
কাম্বলিকে মঞ্চে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল ধরে ধরে। সচিন তাঁর সঙ্গে কিছুক্ষণ কথা বলেন। কিন্তু সচিনকে উঠে দাঁড়িয়ে জড়িয়ে ধরতে পারলেন না কাম্বলি। বক্তব্যও রাখতে পারলেন না। শুধু একটি জনপ্রিয় গান গেয়েই প্রিয় কোচকে শ্রদ্ধা জানালেন।
সচিন এদিন সকালেই এই অনুষ্ঠানে আসার জন্য সকলকে আমন্ত্রণ জানিয়েছিলেন। আচরেকর বেঁচে থাকার সময় সচিন মুম্বইয়ে থাকলে তাঁর জন্মদিন, গুরু পূর্ণিমার দিনগুলিতে নিয়ম করে আশীর্বাদ নিতে যেতেন।
সচিন এদিন জানান, আচরেকর স্যরের স্ত্রীকে তাঁরা ডাকতেন মাম্মি বলে। তিনি সচিনদের পছন্দের মটন কারি, পাও প্রস্তুত করে দিতেন। আচরেকর চেয়ারে বসে থাকতেন, সচিনরা তা খেতেন মাটিতে বসেই। আচরেকর স্যর সকলকে যে সমান চোখে দেখতেন সেটাও উল্লেখ করেন মাস্টার ব্লাস্টার।
আচরেকরের শিক্ষার্থীদের দিয়ে পিচ রোল করানো, নেট লাগানোর পাশাপাশি শিবাজি পার্কে শুরুতেই বাধ্যতামূলকভাবে দুই রাউন্ড দৌড় করাতেন। সচিনের কথায়, কারও খেলা ভালো লাগলে মুখে কিছু বলতেন না। পকেটে কিছু টাকা দিয়ে বলতেন এটা দিয়ে বড়া পাও খেয়ে নেওয়ার জন্য।
আচরেকরের যে স্মৃতিসৌধ তৈরি হয়েছে তাতে ব্যাট-বলের সঙ্গেই রাখা হয়েছে সেই বিশেষ টুপি যা তিনি পরতে ভালোবাসতেন।












Click it and Unblock the Notifications