SA vs IND: রোহিতের ভারতের ইচ্ছাশক্তির অভাবে রুষ্ট গাভাসকর, বোলিং পরিকল্পনার সমালোচনায় শাস্ত্রী
SA vs IND: সেঞ্চুরিয়নে প্রথম টেস্টে ভারতের প্রথম ইনিংসে ২৪৫ রানের জবাবে দক্ষিণ আফ্রিকা তুলেছে ৪০৮ রান। ১৬৩ রানে পিছিয়ে পড়ার পর দ্বিতীয় ইনিংসের শুরুতেই ধাক্কা খেয়েছে ভারত। হতাশ করেছেন দুই ওপেনার।
টেস্টের দ্বিতীয় দিন ভারতীয় দলের ট্যাকটিক্স নিয়ে সরব হয়েছিলেন প্রাক্তন ভারতীয় কোচ রবি শাস্ত্রী। আজ টেস্টের তৃতীয় দিনে ভারতীয় দলের বডি ল্যাঙ্গুয়েজ, বোলারদের উদাসীন ভাব, ইচ্ছাশক্তির অভাব দেখে অসন্তুষ্ট সুনীল গাভাসকর।

দ্বিতীয় দিনের শেষে প্রোটিয়াদের স্কোর ছিল ৬৬ ওভারে ৫ উইকেটে ২৪৬। অধিনায়ক তেম্বা বাভুমা ব্যাট করতে পারেননি। ডিন এলগার ও মার্কো জানসেনের জুটি দক্ষিণ আফ্রিকার লিড বাড়ানোর ক্ষেত্রে সহায়ক হয়। শার্দুল ঠাকুর এই জুটি ভাঙলেও ততক্ষণে অনেক দেরি হয়ে গিয়েছে। অনেকেই বলছেন, মহম্মদ শামির অভাব অনূভূত হচ্ছে।
স্টার স্পোর্টসে সুনীল গাভাসকর বলেন, ভারতকে জেগে উঠতে হবে। উদাসীন ভাব কাটিয়ে। কিছু ক্ষেত্রে স্পষ্ট দেখলাম, ভারতীয়দের বডি ল্যাঙ্গুয়েজে ইচ্ছাশক্তির অভাব। জসপ্রীত বুমরাহ ভালো বোলিং করলেও সতীর্থদের কাছ থেকে প্রত্যাশিত সহযোগিতা পাননি। করতালি দিয়ে সতীর্থরা একে অপরকে যেভাবে চাঙ্গা রাখেন, তেমনটা এদিন দেখা যায়নি।
সানির কথায়, যেভাবে ভারতীয়রা আজ মাঠে পারফর্ম করলেন গরমের দিনে চা বিরতির পর তেমন ক্লান্ত ভাব মেনে নেওয়া যায়। কিন্তু কখনোই তা মেনে নেওয়া যায় না দিনের প্রথম সেশনে। ভারতের পরিকল্পনা সম্ভবত ছিল শুরুর দিকে উইকেট তুলে নেওয়া। কিন্তু তা না হতেই খোলসে ঢুকে পড়ল দল। বোলারদের উৎসাহ দেওয়ার মতো কিছুই করা হয়নি।
যার ফলে সহজেই বাউন্ডারি পেতে দক্ষিণ আফ্রিকার অসুবিধাই হয়নি বলে মন্তব্য করেছেন গাভাসকর। বডি ল্যাঙ্গুয়েজ খুবই খারাপ ছিল। সকালের সেশনে যে প্রাণশক্তি দরকার হয় তাও ছিল না। ভারতীয় দলের আরও বেশি এনার্জি দেখানো উচিত ছিল বলেই মনে করছেন গাভাসকর।
গতকাল ভারতীয় দলের বোলিং রণকৌশলেন সমালোচনা করেছিলেন রবি শাস্ত্রী। জসপ্রীত বুমরাহ ও মহম্মদ সিরাজকে দিয়ে কয়েক ওভার করিয়েই শার্দুল ঠাকুর ও প্রসিদ্ধ কৃষ্ণর উপর আস্থা দেখান ভারত অধিনায়ক রোহিত শর্মা। যা ভারতের সমস্যা বৃদ্ধি করে। প্রোটিয়াদের উপর চাপই তৈরি করতে পারেননি ভারতীয় বোলাররা।
বুমরাহ ৫টি মেডেন-সহ ২৬.৪ ওভারে ৬৯ রান দিয়ে চার উইকেট নেন। সিরাজ ১টি মেডেন-সহ ২৪ ওভারে ৯১ রান দিয়ে ২টি উইকেট পান। শার্দুল ঠাকুরের ১৯ ওভারে ২টি মেডেন, ১০১ রান খরচ করে পেয়েছেন ১ উইকেট। ২টি মেডেন-সহ ২০ ওভারে ৯৩ রান দিয়ে ১ উইকেট পান প্রসিদ্ধ কৃষ্ণ। রবিচন্দ্রন অশ্বিনের ১৯ ওভারে মেডেন ৬টি, তিনি ৪১ রান দিয়ে ১টি উইকেট ঝুলিতে পুরেছেন।












Click it and Unblock the Notifications