আজীবন নির্বাসন থেকে মুক্তি পেয়ে কী বললেন শ্রীসন্থ
নির্বাসন উঠছে শ্রীসন্থের। ২০১৩ সালে আইপিএল স্পটফিক্সিং কাণ্ডে তাঁর নাম জড়ানোর বোর্ডের কড়়া শাস্তি হিসেবে ক্রিকেট থেকে আজীবন নির্বাসিত হয়েছিলেন। সেই শাস্তির মেয়াদ কমিয়ে এখন সাত বছর করা হল।
নির্বাসন উঠছে শ্রীসন্থের। ২০১৩ সালে আইপিএল স্পটফিক্সিং কাণ্ডে তাঁর নাম জড়ানোর বোর্ডের কড়়া শাস্তি হিসেবে ক্রিকেট থেকে আজীবন নির্বাসিত হয়েছিলেন। সেই শাস্তির মেয়াদ কমিয়ে এখন সাত বছর করা হল। সোজা কথায় যার অর্থ এই সাত বছরের নির্বাসনের ছয় বছর কাটিয়ে ফেলেছেন শ্রী। অর্থাৎ ২০২০ সালে ১৩ সেপ্টেম্বরের পরে সব ধরনের ক্রিকেট ফিরতে পারবেন শান্তাকুমারন শ্রীসন্থ।

ঈশ্বরকে ধন্যবাদ দিচ্ছেন শ্রীসন্থ
শাস্তির মেয়াদ কমতে ঈশ্বরকে ধন্যবাদ দিচ্ছেন শ্রী। সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে শ্রীসন্থ বলেন, 'শেষ কয়েক বছর আমার ও আমার পরিবারের উপর দিয়ে ঝড় বয়ে গিয়েছে। তবে ঈশ্বরের কাছে আমি কৃতজ্ঞ। তিনিই এই কঠিন পরিস্থিতি সামলানোর মতো শক্তি দিয়েছিলেন। শেষ ছয় বছর অনেক কিছু শিখেছি। জীবনের প্রতিটি ঘটনা থেকে আমি অভিজ্ঞতা সঞ্চয় করি।'

ফিটনেসকে সর্বোচ্চ পর্যায় রাখার পরিকল্পনা
তবে ক্রিকেটে ফিরলে সত্যিই কি বাইশ গজ কাঁপানোর মতো অবস্থায় থাকবেন শ্রীসন্থ। দক্ষিণী পেসারের বর্তমান বয়স ৩৬ বছর। ২০২০ সেপ্টেম্বর, সেসময় বয়স গিয়ে দাঁড়াবে ৩৭ বছর। সেই বয়সে বাইশ গজে ফিরলেও জাতীয় দলের স্বপ্ন না দেখাই ভালো। ৩৭ এর শ্রীসন্থকে নিয়ে আইপিএলের কোনও ফ্র্যাঞ্চাইজিও আগ্রহ দেখাবে না। সেক্ষেত্রে শ্রীসন্থকে ঘরোয়া ক্রিকেটে দেখা যেতে পারে। সেই নিয়ে শ্রীসন্থ বলেন, 'ক্রিকেটে ফেরাটা আমার কাছে সৌভাগ্যের।এখানে বয়স শুধুই সংখ্যা মাত্র। একবছর পর বাইশ গজে ফিরতে পারব। এটা আমার কাছে বড় সুযোগ। সামনের এক বছর নিজের ফিটনেসকে সর্বোচ্চ পর্যায় রাখব।'

বয়স শুধুই সংখ্যামাত্র
শ্রীসন্থ আরও বলেন, 'লিয়েন্ডার পেজ, মিসবা উল হকরা ৪০ বছর বয়সেও নিজ নিজ ক্ষেত্রে সাফল্য ধরে রেখেছেন। তাঁরাই আমার অনুপ্রেরণা। আমি মনে করি, এখনও আমার মধ্যে ক্রিকেট খেলার জন্য খিদে রয়েছে। সেটা কাজে লাগিয়েই এগিয়ে যেতে চাই।'












Click it and Unblock the Notifications