পোডিয়ামে ইউক্রেনের প্রতিযোগীর পাশে দাঁড়ানো রুশ জিমন্যাস্টের বুকে বিতর্কিত ‘Z’ চিহ্ন,কঠোর পদক্ষেপের ফেডারেশনের
পোডিয়ামে ইউক্রেনের প্রতিযোগীর পাশে দাঁড়ানো রুশ জিমন্যাস্টের বুকে বিতর্কিত ‘Z’ চিহ্ন,কঠোর পদক্ষেপের ফেডারেশনের
ইউক্রেনের উপর রুশ হামলার নিন্দায় সরব হয়েছে গোটা বিশ্ব। পুতিন প্রশাসনের আগ্রসনে শ্মশানে পরিনত হয়েছে ইউক্রেন। বিশ্বের প্রভাবশালী দেশগুলি বিভিন্ন নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে রাশিয়ার উপর। তবুও নিজের সিদ্ধান্তে অনঢ় ভ্লাদিমির পুতিন।

রাষ্ট্রপতির এই আচরণের প্রতিবাদে মস্কোয়, সেন্ট পিটার্সবার্গে শুভ বুদ্ধি সমপন্ন মানুষরা একাট্টা হয়ে প্রবাদ করলেও এমন অনেক রুশ নাগরিক রয়েছেন যাঁরা বেশ ভাল মতোই সমর্থন করছেন পুতিনের এই পদক্ষেপকে। এদেরই এক জন রাশিয়ার জিমন্যাস্ট ইভান কুলিয়ক। রবিবার তাঁর আচরণ হতবাক করে দিয়েছে গোটা বিশ্বকে। নিজের পোষাকে 'জেড' চিহ্নের ব্যবহার করেছেন তিনি।
দোহায় আয়োজিত জিমন্যাস্টিক বিশ্বকাপে ব্রোঞ্জ জিতেছেন কুলিয়ক। পোডিয়ামে সোনা জয়ী ইউক্রেনের প্রতিযোগী কোভটুন ইলিয়ার পাশে যখন তিনিস দাঁড়ান দেখা যায় তাঁর পোষাকে বুকের কাছে জ্বলজ্বল করছে 'Z'। যা গোটা বিশ্বকে অবাক করেছে। এক জন প্রতিযোগীর এ হেন নীচ মানসিকতা একেবারেই ভালভাবে নেয়নি বিশ্বের ক্রীড়াপ্রেমী মানুষেরা।
উল্লেখ্য, ইউক্রেনের উপর রাশিয়া হামলা চালানোর সময় নিজেদের ট্যাঙ্কার, যুদ্ধবাহনে 'Z'-চিহ্নের ব্যবহার করেছে। শুধু ক্রীড়ামোদী মানুষরাই নন, কুলিয়াকের আচরণে অত্যন্ত রুষ্ঠ আন্তর্জাতিক জিমন্যাস্টিক ফেডারেশন। বিশ্ব জিমন্যাস্টিক্সের নিয়মাক সংস্থা একটি বিজ্ঞপ্তি জারি করে বলেছে, "আন্তর্জাতিক জিমন্যাস্টিক্স ফেডারেশন নিশ্চিত করছে যে তারা জিমন্যাস্টিক্স এথিক ফাউন্ডেশনের কাছে জানাবে যাতে ইভান কুলিয়াকের বিরুদ্ধে সঠিক ডিসিপ্লিনারি প্রসেডিং চালু করা হয়। দোহাতে বিশ্বকাপে তাঁর অবাক করা আচরণের কারণে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।" ইতিমধ্যেই এই আচরণে নিন্দার ঝড় বয়ে গিয়েছে সোশ্যাল মিডিয়ায়। বিশ্বের অধিকাংশ শুভ বুদ্ধি সমপন্ন এই আচরণের নিন্দা করেছে এবং একই ভাবে তাঁকে চিরকালের জন্য নির্বাসিত করার দাবি তুলেছেন।
সোমবার (৭ মার্চ) থেকে অনির্দিষ্টি কালের জন্য নির্বাসিত করা হয়েছে রাশিয়া এবং বেলারুসের জিমন্যাস্টদের। তাঁরা আগামী কোনও প্রতিযোগীতাতেই অংশগ্রহণ করতে পারবেন না।
ভ্লাদিমির পুতিনের নির্দেশে রাশিয়ার সেনাবাহিনী তছনছ করে দিয়েছে ইউক্রেনকে। সারা দেশে আগুন জ্বলছে। প্রথমে এই হালমা চলবে সামরিক বাহিনীর উপর জানানো হলেও যত দিন গিয়েছে ততই হামলার বলি হয়েছে একের পর এক সাধারণ মানুষ। শপিং কমপ্লেক্স থেকে ফ্ল্যাট বা বাড়ি সবই ধ্বংস হয়ে গিয়েছে। শুধু ইউক্রেনীয়রাই নন, এই যুদ্ধে ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে রাশিয়াও। ইউক্রেনের দাবি অুযায়ী এখনও পর্যন্ত ৭ হাজার রুশ সেনা এই লড়াইয়েে প্রাণ হারিয়েছেন।












Click it and Unblock the Notifications