রোহিত ও বিরাটকে ঘরোয়া ক্রিকেট খেলার পরামর্শ রবি শাস্ত্রীর, গুরুত্ব দিলেন ২টি কারণকে
Shastri On Domestic Cricket: অস্ট্রেলিয়া সফরে ভারতের বিপর্যয়ের পর টেস্ট দলে বড় ধরনের রদবদল আসন্ন। তারকা সংস্কৃতি তুলে দেওয়ার দাবি উঠেছে।
সবচেয়ে বেশি চর্চা হচ্ছে, বিরাট কোহলি ও রোহিত শর্মার ভবিষ্যৎ নিয়ে। সূত্রের খবর, দুজনের কেউই এখনই টেস্ট থেকে অবসর নিতে নারাজ।

বিরাট কোহলি পারথ টেস্টে অপরাজিত শতরান পেয়েছিলেন। কিন্তু আটবার অফ-স্টাম্পের বাইরের বলে আউট হয়েছেন। রোহিত শর্মার অবস্থা তো আরও খারাপ। ব্যক্তিগত কারণে পারথ টেস্ট খেলেননি। অ্যাডিলেড, ব্রিসবেন ও মেলবোর্নে খেললেও মোট ৩১ রান করে, ৬.২ গড়ে। সিডনি টেস্ট থেকে সরে দাঁড়ান।
হেড কোচ গৌতম গম্ভীর সাফ জানিয়েছেন, দলের সকলের জন্য সমান নিয়ম। সকলকে তিনি সমান চোখে দেখছেন। কেউ যদি কোনও ফরম্যাটে ভারতীয় দলে খেলতে চান, তবে তাঁকে ওই ফরম্যাটে ঘরোয়া ক্রিকেটে খেলতে হবে।
ইংল্য়ান্ড সফর থেকে শুরু হবে আইসিসি বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের পরবর্তী সংস্করণ। ফলে ২০২৭ সালের ফাইনাল খেলার লক্ষ্যেই দল সাজানো হবে। ভরসা রাখা হবে তরুণ ক্রিকেটারদের উপর। ইংল্যান্ড সফরে টেস্টে নিজেদের জায়গা ধরে রাখতে রোহিত শর্মা, বিরাট কোহলিদেরও ঘরোয়া ক্রিকেট খেলতে হবে।
সামনেই রঞ্জি ট্রফি শুরু হচ্ছে। ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে ভারতের ওডিআই সিরিজও থাকবে। চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি ফেব্রুয়ারির মাঝামাঝি শুরু। তা শেষ হতে না হতেই বাজবে আইপিএলের বাজনা। ফলে লাল বলের ক্রিকেট খেলার সুযোগ কিন্তু বিশেষ পাচ্ছেন না রোহিত, বিরাটরা।
রবি শাস্ত্রী আইসিসি রিভিউয়ে বলেন, সময় পেলেই রোহিত ও বিরাটের উচিত কিছু ঘরোয়া ক্রিকেট খেলা। তারপর না হয় পরিস্থিতি দেখা যাবে। টেস্ট ম্যাচ খেলতে হলে দীর্ঘ সময় মাঠে কাটাতে হয়। ঘরোয়া ক্রিকেট খেলা দুটি কারণে গুরুত্বপূর্ণ। বর্তমান প্রজন্মের ক্রিকেটারদের সঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে খেলার সুযোগ থাকে, অভিজ্ঞতা ভাগ করে তাঁদের সমৃদ্ধ করে তোলা যায়।
শাস্ত্রীর মতে, দ্বিতীয় গুরুত্বপূর্ণ কারণটি হলো ঘরোয়া ক্রিকেটে স্পিন খেলার সুযোগ অনেক বেশি মেলে। দেখা যাচ্ছে, ভারত কিন্তু টার্নিং ট্র্যাকেও এখন খুব ভালো খেলছে না। প্রতিপক্ষ দলে ভালো স্পিনার থাকলে সমস্যায় ফেলছেন। তাতে অস্বস্তি বাড়ছে ভারতীয় দলেরও।
রোহিত ও বিরাটের টেস্টে খেলা চালিয়ে যাওয়া উচিত কিনা সেই প্রশ্নের উত্তরে শাস্ত্রী তুলে এনেছেন খিদে ও ইচ্ছাশক্তির বিষয়টি। তিনি বলেন, অস্ট্রেলিয়া আসার আগে নিউজিল্যান্ড খামতি চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়েছে। ফলে অবসরের সিদ্ধান্তটি ক্রিকেটারদেরই নিতে হবে। দেখতে হবে কতটা খিদে আর ইচ্ছাশক্তি রয়েছে। একজনের বয়স ৩৬, আরেকজনের ৩৮। তাঁরাই বুঝবেন এখনও তাঁদের মধ্যে কতটা খিদে রয়েছে।












Click it and Unblock the Notifications