Ranji Trophy: প্রথম ইনিংসে পাঞ্জাবের রান টপকাল বাংলা, ইডেন ঋদ্ধিকে ফেরাল খালি হাতেই
Ranji Trophy: রঞ্জি ট্রফির শেষ ম্য়াচে লক্ষ্যপূরণ হলো না ঋদ্ধিমান সাহার। পাঞ্জাবের বিরুদ্ধে শতরান হাঁকিয়ে কেরিয়ার শেষ করার ইচ্ছা ছিল পাপালির।
যদিও আজ ইডেন ঋদ্ধিমানকে ফেরাল খালি হাতেই। দ্বিতীয় ইনিংসে তিনি ব্য়াট করতে নামার সুযোগ পাবেন কিনা তা বলার সময় আসেনি। তবে পেলেও শতরান করা যে সম্ভব হবে না তা বলাই যায়।

৫৮তম ওভারে দলের ২১৭ রানের মাথায় ছয় উইকেট পড়ে বাংলার। আট নম্বরে ব্যাট করতে নামেন ঋদ্ধি। যদিও সাত বল খেলে কোনও রান রান না করেই গুরনুর ব্রারের বলে আউট হয়ে যান ঋদ্ধিমান। বাংলার সপ্তম উইকেট পড়ে ৬০.৪ ওভারে ২১৯ রানে।
২০০৭ সালের নভেম্বরে ইডেনে হায়দরাবাদ ম্যাচে রঞ্জি অভিষেক হয়েছিল ঋদ্ধিমানের। প্রথম ইনিংসে সাতে নেমে ১৯৪ বলে ১১১ রানের অপরাজিত ইনিংস খেলেছিলেন ঋদ্ধি। পাঞ্জাব ম্য়াচ শুরুর আগে স্ত্রী রোমিকে ঋদ্ধি বলেন, শতরান দিয়েই কেরিয়ার শেষ করতে চান। অভিষেক ম্য়াচে শতরান পাওয়ার পর প্রতিটি ম্যাচে একই লক্ষ্য থাকে। কখনও হয়, কখনও হয় না।
বাংলার হেড কোচ লক্ষ্মীরতন শুক্লা আশাপ্রকাশ করেছিলেন, পাঞ্জাবের বিরুদ্ধে প্রথম ইনিংসে অন্তত চারশো রান তোলার। সেই লক্ষ্যপূরণের সম্ভাবনাও ক্ষীণ। তবে স্বস্তির খবর নাইটওয়াচম্য়ান সুরজ সিন্ধু জয়সওয়ালের অর্ধশতরান হাঁকানো।
বল হাতে ভরসা দেওয়ার পর এবার ব্যাট হাতেও দায়িত্বশীল ইনিংস খেললেন সুরজ, দলের হয়ে সর্বাধিক রানও করলেন। প্রথম ইনিংসে পাঞ্জাবের ১৯১ রানের জবাবে এই প্রতিবেদন লেখা অবধি বাংলার স্কোর ৭ উইকেটে ২৫৫। সুরজ ১৪৩ বলে ৫৯ ও এই ম্যাচে অভিষেক হওয়া বিশাল ভাটি ১৮ বলে ৬ রানে ব্য়াট করছেন।
সুমন্ত গুপ্ত সাতটি চার ও একটি ছয়ের সাহায্যে ৬৯ বলে ৫৫ রান করেন। ৯টি চারের সাহায্যে সাতে নেমে ৫৩ বলে ৫২ রানের ইনিংস খেলেন অভিষেক পোড়েল। গুরনুর ব্রার এখনও অবধি চারটি উইকেট পেয়েছেন। সাহিল ২টি ও আরাধ্য শুক্লার ঝুলিতে ১ উইকেট।












Click it and Unblock the Notifications