Ranji Trophy: রঞ্জিতে শার্দুল ঠাকুরের হ্যাটট্রিক, মুম্বইয়ের বিরুদ্ধে মেঘালয় এড়াল হায়দরাবাদের লজ্জার নজির
Ranji Trophy: ২ রানে ৬ উইকেট। আজ মুম্বইয়ের বিকেসি শরদ পওয়ার ক্রিকেট আকাদেমি মাঠে এমন পরিস্থিতিতেই পড়েছিল মেঘালয়। মুম্বইয়ের বিরুদ্ধে রঞ্জি ম্যাচে।
শার্দুল ঠাকুর তখন হ্যাটট্রিক নিশ্চিত করে আগুন ঝরাচ্ছেন। ফলে রঞ্জি ট্রফির ইতিহাসে সর্বনিম্ন রানের নজির ভেঙে যাবে কিনা তা নিয়েই শুরু হয়েছিল চর্চা। যদিও শেষ অবধি সেই লজ্জা এড়াল মেঘালয়।

২০১০ সালের নভেম্বরে জয়পুরে রঞ্জি ট্রফির প্লেট লিগের ম্য়াচে রাজস্থানের বিরুদ্ধে ১৫.৩ ওভারে ২১ রানে গুটিয়ে গিয়েছিল হায়দরাবাদ। ৭.৩ ওভারে ২টি মেডেন-সহ ১০ রান দিয়ে আট উইকেট নিয়েছিলেন দীপক চাহার। রঞ্জির ইতিহাসে এটিই দলগত সর্বনিম্ন স্কোর।
রঞ্জি ট্রফির এলিট গ্রুপের ম্যাচে সর্বনিম্ন স্কোর নাগাল্যান্ডের। ২০২২ সালে ১৮ ওভারে ২৫ রানে তাদের থামিয়েছিল উত্তরাখণ্ড। ম্যাচের চতুর্থ তথা নাগাল্যান্ডের দ্বিতীয় ইনিংসে। ২০২০ সালে মেঘালয়ের বিরুদ্ধে মণিপুর করেছিল ২৭। ম্যাচের প্রথম ইনিংসে দলগত সর্বনিম্ন স্কোর অন্ধ্রের। ২০০৩ সালে পাঞ্জাবের বিরুদ্ধে ১৭.৪ ওভারে ৩০।
আজ ৩.১ ওভারে মেঘালয়ের স্কোর দাঁড়িয়েছিল ২ রানে ৬ উইকেট। ম্যাচের তৃতীয় ওভারের চতুর্থ, পঞ্চম ও শেষ বলে বালচন্দ্র অনিরুদ্ধ, সুমিত কুমার ও জসকিরত সিং সচদেবাকে ফিরিয়ে হ্যাটট্রিক সম্পূর্ণ করেন শার্দুল ঠাকুর। অনিরুদ্ধ ও সচদেবা বোল্ড, সুমিত ক্যাচ দেন শামস মুলানির হাতে।
প্রথম ওভারের চতুর্থ বলে নিশান্ত চক্রবর্তীকে ০ রানে আউট করে প্রথম ধাক্কাটিও দিয়েছিলেন শার্দুল। শেষ অবধি ২৬.৩ ওভারে মেঘালয় ৮৬ রানে অল-আউট হয়। প্রিংসাং সাংমা ১৯, অধিনায়ক আকাশ চৌধুরী ১৭ ও হিমান ফুকান ২৮ রান করেন।
শার্দুল তিনটি মেডেন-সহ ১১ ওভারে ৪৩ রান দিয়ে চার উইকেট নেন। মোহিত অবস্থি ৭ ওভারে ২৭ রান দিয়ে তিন উইকেট দখল করেন। শাসম মুলানি ১ ওভারে ১ রান দিয়ে ১টি উইকেট পেয়েছেন। ফলে এই ম্যাচ থেকে পুরো সাত পয়েন্ট তুলে নেওয়ার লক্ষ্যে অনেকটাই এগিয়ে গিয়েছে মুম্বই। টস জিতে তারা মেঘালয়কে ব্যাট করতে পাঠিয়েছিল। মধ্যাহ্নভোজের বিরতিতে মুম্বইয়ের স্কোর ৫ বলে ১ উইকেটে ৬। আয়ুষ মাত্রে ৪ বলে ৫ রান করে সাজঘরে ফিরেছেন।












Click it and Unblock the Notifications