রবীন্দ্র জাদেজা রঞ্জিতে তামিলনাড়ু ম্যাচে সৌরাষ্ট্রের নেতৃত্বে, অস্ট্রেলিয়া সিরিজের আগে নজরে ফিটনেস
অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে ভারতের টেস্ট দলে রাখা হয়েছে রবীন্দ্র জাদেজাকে। তবে ফিটনেস সংক্রান্ত বড় পরীক্ষা তাঁকে দিতে হবে চেন্নাইয়ে সৌরাষ্ট্র-তামিলনাড়ু ম্যাচে।
অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে ভারতের প্রথম দুটি টেস্টের দলে রাখা হয়েছে রবীন্দ্র জাদেজাকে। যদিও তাঁর খেলার বিষয়টি নির্ভর করবে ফিটনেসের উপর। জাদেজা সেই বড় পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়ার লক্ষ্যে কালই চেন্নাইয়ে খেলতে নামছেন তামিলনাড়ুর বিরুদ্ধে। রঞ্জির এই ম্যাচটিতে তিনি সৌরাষ্ট্রকে নেতৃত্বও দেবেন। জাড্ডু জানিয়েছেন, ম্যাচটি খেলতে তিনি মুখিয়ে রয়েছেন।

সৌরাষ্ট্রের হয়ে রঞ্জিতে জাদেজা
গত বছর অগাস্টে এশিয়া কাপে হংকং ম্যাচ খেলার পর থেকে মাঠের বাইরে জাদেজা। হাঁটুর চোট সারাতে সেপ্টেম্বরে অস্ত্রোপচারও হয়। খেলতে পারেননি টি ২০ বিশ্বকাপেও। বাংলাদেশ সফরে ভারতীয় দলে কামব্যাকের কথা থাকলেও খেলতে পারেননি। ভারতীয় দলে খেলার আগে ঘরোয়া ক্রিকেটে খেলোয়াড়দের অংশগ্রহণ বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। বিশেষ করে যাঁরা চোট সারিয়ে মাঠে ফিরছেন তাঁদের জন্য।

ম্যাচের অপেক্ষায়
জাদেজা গতকালই চেন্নাই পৌঁছে গিয়েছেন এলিট বি গ্রুপের ম্যাচ খেলতে। চেন্নাই সুপার কিংসে বহু বছর ধরে খেলার সুবাদে এমএ চিদাম্বরম স্টেডিয়াম তাঁর কাছে হোম গ্রাউন্ডই। জাদেজা এদিন সাংবাদিকদের বলেন, মাঠে ফিরেছি। রীতিমতো উত্তেজিত। আমি ম্যাচটি খেলার জন্য মুখিয়ে রয়েছি। প্রথম কাজটাই হবে মাঠে নেমে নিজে যে ১০০ শতাংশ ফিট তার প্রমাণ দেওয়া। ১০০ শতাংশ ফিট থাকলেই ব্যাটিং বা বোলিং পুরোদমে করা সম্ভব।

অস্ট্রেলিয়া সিরিজে খেলার বিষয়ে আত্মবিশ্বাসী
জাদেজা জানিয়েছেন, তিনি ২০ দিন ন্যাশনাল ক্রিকেট আকাদেমিতে ছিলেন। সেখানে ব্যাটিং, বোলিং করেছেন। কিন্তু ম্যাচ খেলা সব সময়ই আলাদা বিষয়। অস্ট্রেলিয়া সিরিজের আগে ম্যাচ খেলার সুযোগ পেয়ে ভালোই হয়েছে। এতে নিজে ফিটনেসের নিরিখে কোথায় দাঁড়িয়ে, সেটাও উপলব্ধি করতে পারবেন। পুরো ফিট হয়েই অস্ট্রেলিয়া সিরিজ খেলার বিষয়ে আশাপ্রকাশ করেছেন জাদেজা। তাঁর দাবি, কোনও অস্বস্তি বোধ করছেন না। জাদেজার কথায়, ৫ মাস প্রতিযোগিতামূলক ক্রিকেটের বাইরে থাকলে কেউই প্রথমদিকে আত্মবিশ্বাসী অনুভব করেন না। কিন্তু সময় এগিয়ে যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই সেই পরিস্থিতিরও দ্রুতই উন্নতি ঘটে।

নজরে ফিটনেস
জাদেজার ফিটনেস সম্পর্কে নিশ্চিত হতে আধ ঘণ্টা ধরে বোলিং করার সময় তাঁকে জিপিএস ট্র্যাকার পরিয়ে দেওয়া হয়েছিল। ব্যাটিং অনুশীলনের সময়ও তা জাদেজার সঙ্গেই ছিল। জাদেজার ফিটনেসের কতটা উন্নতি হয়েছে সে বিষয়ে নিশ্চিত হতে এনসিএ-র প্রশিক্ষকও পৌঁছে গিয়েছেন চেন্নাইয়ে। জাড্ডু বলেন, আমি খেলার জন্য প্রস্তুত। এনসিএতেও ব্যাটিং, বোলিং করেছি। নিজের ১০০ শতাংশই উজাড় করে দেব। দেখি পায়ের অবস্থা কেমন রয়েছে। ধীরে ধীরে বোলিংয়ের ওভার সংখ্যা বাড়ানোর লক্ষ্যেই যে তিনি এগোচ্ছেন, তা স্পষ্ট করেছেন ভারতের এই অলরাউন্ডার।












Click it and Unblock the Notifications