Ranji Trophy: সিএবির চরম ব্যর্থতায় সহজ প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে বাংলার প্রাপ্তি ১ পয়েন্ট, হতাশ লক্ষ্মী-অনুষ্টুপরা
ম্যাচের চার দিনই খটখটে রোদ, অথচ একটি বলও খেলা হল না, রঞ্জি ম্যাচে বাংলা এমন ঘটনার মুখোমুখি শেষ কবে হয়েছে সেটা মনে করা অত্যন্ত কঠিন। কিন্তু সেটাই হল কল্যাণীতে। বৃষ্টিতে পরিত্যক্ত হয়ে গেল বাংলা বনাম বিহারের রঞ্জি ট্রফির ম্যাচ। ফলে যে ম্যাচ থেকে সাত পয়েন্টের স্বপ্ন দেখেছিল বাংলা, সেই ম্যাচ থেকে বাংলা পেল সান্তনার ১ পয়েন্ট।
শেষ দিনে ম্যাচ শুরু হওয়ার একটা ক্ষীণ সম্ভাবনা ছিল, কিন্তু সেটাও হল না। সকালে প্রথম দফার পর্যবেক্ষণের পর দ্বিতীয় দফায় আম্পায়াররা দুপুর ১.১৫ মিনিটে পর্যবেক্ষণ করার সিদ্ধান্ত নেন। কিন্তু দুপুর ১.১৫ মিনিটে পর্যবেক্ষণ হলে বেলা ১.৪৫ মিনিটের আগে খেলা শুরু হওয়া সম্ভব নয়, ফলে ম্যাচের জন্য খুবই কম সময় বরাদ্দ থাকবে। সেই সময়ের মধ্যে কোনও ফলাফল হওয়াই অসম্ভব। ফলে বেলা একটার একটু আগেই দেখা গেল দুই দলের ক্রিকেটাররা হাত মিলিয়ে নিলেন। সেইসঙ্গে বোঝা গেল ম্যাচের যবনিকা পতন ঘটেছে।

মাঠ ছাড়ার আগে বাংলা অধিনায়ক সাংবাদিকদের সামনে বলেন, ম্যাচ না হওয়ায় আমরা হতাশ। এই ম্যাচের প্রভাব নক আউটে পড়তে পারে। চার দিনই রোদ উঠছে অথচ একটা ওভারও খেলা হল না, এই ঘটনা আগে হয়েছে বলে মনে করতে পারছি না।' কোচ লক্ষ্মীরতন শুক্লা বলেন, 'আমরা হতাশ তো বটেই। কিন্তু এখনই আমরা নক আউট নিয়ে ভাবছি না। পরের ম্যাচ নিয়ে ভাবছি।'
খেলা না হওয়ার জন্য সিএবি কখনই ব্যর্থতা ঢাকতে পারে না, কারণ বোর্ডের নিয়ম অনুসারে প্রথম দিন রাতে মাঠ যতটা ঢাকা থাকবে বাকি দিনগুলিও সেই একই রকমভাবে ঢেকে রাখতে হবে। প্রথম দিন রাতে পিচ এবং রান আপ এরিয়া ঢাকা ছিল। কিন্তু পরের দিন ভোর বেলা বৃষ্টিতে আউট ফিল্ড ভিজে যায়। কল্যাণীর মাঠের পরিকাঠামো এতটাই তলানিতে যে বাকি তিন দিনে রোদের মধ্যেও তা শুকানো গেল না। বাংলার এই ক্ষতির দায় কিন্তু সিএবিকে নিতে হবে।
আগামী ২৬ তারিখ থেকে বাংলার পরের ম্যাচে কেরলের বিরুদ্ধে। কল্যাণীর মাঠেই খেলা হবে, বাংলা দল সল্টলেক যাদবপুর ক্যাম্পাসের মাঠে খেলতে নারাজ কারণ সেখানে পাটা উইকেট, ফলাফল হয় না। বাংলার ইডেনের পর দ্বিতীয় পছন্দ কল্যাণী। ২ ম্যাচ শেষে ৪ পয়েন্ট নিয়ে বাংলা গ্রুপে তিন নম্বরে।
সোমবারই বাংলার তিন ক্রিকেটার অভিমন্যু ঈশ্বরণ, মুকেশ কুমার, অভিষেক পোরেল ভারতীয় এ দলের শিবির যোগ দেবেন। ফলে বাংলা পরের ম্যা্চে পাবে না এই তিন ক্রিকেটারকে। নাটকের আরও বাকি আছে ঈশ্বরণের এটা ছি্ল শততম ঘরোয়া ক্রিকেটের ম্যাচ, তাঁকে প্রথম দিনই সংবর্ধনা দিয়ে দেন কর্তারা। কিন্তু ম্যাচের টসই হল না। ফলে ম্যাচ কি আদৌও ধরা হবে? শততম ম্যাচের জন্য সংবর্ধনা নিলেও ঘরের দলের হয়ে সেই ম্যাচে মাঠে নামতেই পারলেন না ঈশ্বরণ।












Click it and Unblock the Notifications