Ranji Trophy: রঞ্জির নক আউটের আশা জিইয়ে রেখে তিনে বাংলা, শেষ ২টি হোম ম্যাচের সুবিধা অনুষ্টুপদের
Ranji Trophy: ইন্দোরে মধ্যপ্রদেশের বিরুদ্ধে ১১ রানে জয় ছিনিয়ে নিল বাংলা। চলতি রঞ্জি ট্রফিতে এটি বাংলার প্রথম জয়। দ্বিতীয় ইনিংসে চার উইকেট নিলেন শাহবাজ আহমেদ।
প্রথম ইনিংসে চারটি এবং দ্বিতীয় ইনিংসে সাতটি উইকেট নিলেন মহম্মদ শামি। ব্যাট হাতে তাঁর অবদানও গুরুত্বপূর্ণ হলো বাংলার জয়ের ক্ষেত্রে।

গ্রিন টপে টস জিতে বাংলাকে ব্যাট করতে পাঠিয়েছিল মধ্যপ্রদেশ। বাংলার ২২৮ রানের জবাবে ১৬৭ রানে মধ্যপ্রদেশের প্রথম ইনিংস শেষ হয়। এরপর দ্বিতীয় ইনিংসে বাংলা তোলে ২৭৬ রান। জবাবে আজ চা বিরতির পরেই মধ্যপ্রদেশের ইনিংস থামে ৩২৬ রানে।
প্রথম ইনিংসে শাহবাজ আহমেদ সর্বাধিক ৯২ রান করেছিলেন। দ্বিতীয় ইনিংসে করেন তিন। প্রথম ইনিংসে শাহবাজ উইকেট না পেলেও দ্বিতীয় ইনিংসে তিনিই চার উইকেট তুলে নিয়ে ম্যাচ ঘোরালেন। তিনি ম্যাচের সেরা।
নজর ছিল মহম্মদ শামির দিকে। তিনি দুই ইনিংস মিলিয়ে ৪৩.২ ওভার বল করলেন। পেলেন ৭ উইকেট। প্রথম ইনিংসে শামি করেছিলেন ২, দ্বিতীয় ইনিংসে খেলেন ৩৬ বলে ৩৭ রানের গুরুত্বপূর্ণ ইনিংস। ২টি করে চার ও ছয়ের সাহায্যে। ৩৬০ দিন পর প্রতিযোগিতামূলক ক্রিকেটে ফিরে নিঃসন্দেহে প্রশংসনীয় পারফরম্যান্স।
বিসিসিআইয়ের স্পোর্টস সায়েন্স ও মেডিক্যাল টিম এবার শারীরিক ফিটনেস যাচাই করবে। তার ভিত্তিতে নির্ভর করবে শামির নাম অস্ট্রেলিয়া সিরিজের টেস্ট দলে যুক্ত করা হবে কিনা। তবে কামব্যাক ম্যাচে ৭ উইকেট নেওয়া, ব্যাট হাতে ভরসা দেওয়ার বিষয়গুলি যথেষ্ট ইতিবাচক।
মধ্যপ্রদেশের বিরুদ্ধে জেতার ফলে এলিট গ্রুপ সি-র তিনে উঠে এলো বাংলা। ৫ ম্যাচে প্রথম জয় ছিনিয়ে ১৪ পয়েন্ট এখন বাংলার ঝুলিতে। বৃষ্টি ও ভিজে আউটফিল্ডের কারণে কল্যাণীতে বাংলা-বিহার ম্যাচে এক বলও খেলা হয়নি। দুর্বল বিহার ৫টির মধ্যে চারটিতেই হেরেছে, শুধু বাংলার বিরুদ্ধে ম্যাচ থেকে ১ পয়েন্ট পেয়েছে তারা।
বাংলা সেই ম্যাচে বিহারকে হারালে আরও ভালো জায়গায় থাকতো। তারপর কেরলের বিরুদ্ধে ম্যাচও বৃষ্টি ও ভিজে আউটফিল্ডের কারণে ব্যাহত হয়। সেই ম্যাচে খেলা শুরু হলেও দুই দলই ১ পয়েন্ট করে পেয়েছিল।
কেরল রোহতকে হরিয়ানার বিরুদ্ধে প্রথম ইনিংসে লিড নেওয়ার সৌজন্যে তিন পয়েন্ট পয়েছে। কেরলের ২৯১ রানের জবাবে হরিয়ানা তুলেছিল ১৬৪। এরপর কেরল ২ উইকেটে ১২৫ তুলে ইনিংস ডিক্লেয়ার করে। ম্যাচে যবনিকা পতনের আগে হরিয়ানা করে ২ উইকেটে ৫২।
কেরল-হরিয়ানা ম্যাচ ড্র হলেও হরিয়ানা পয়েন্ট তালিকার শীর্ষেই থাকল। ৫ ম্যাচে তাদের এখন ২০ পয়েন্ট। কেরলের ৫ ম্যাচে ১৮ পয়েন্ট। বাংলার ৫ ম্যাচে ১৪। হরিয়ানার ম্যাচ বাকি বাংলা ও কর্ণাটকের বিরুদ্ধে। কেরলের খেলা বাকি মধ্যপ্রদেশ ও বিহারের বিরুদ্ধে।
বাংলার পরবর্তী ম্যাচ ২৩ জানুয়ারি থেকে হরিয়ানার বিরুদ্ধে। তারপর ৩০ জানুয়ারি থেকে খেলবে পাঞ্জাবের বিরুদ্ধে। বাংলার দুটিই হোম ম্যাচ। তবে ২২ জানুয়ারি ইডেনে ভারত-ইংল্যান্ড প্রথম টি২০ আন্তর্জাতিক রয়েছে। ফলে রঞ্জি ম্যাচ সল্টলেক যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস মাঠেই হওয়ার সম্ভাবনা।
বাংলা যদি হরিয়ানাকে হারাতে পারে তাহলে পয়েন্টের নিরিখে তাদের ধরে ফেলতে পারবে। কেরলের সুবিধা বিহার ম্য়াচ বাকি রয়েছে। কর্ণাটকের ৫ ম্যাচে ১২ পয়েন্ট রয়েছে। ৫ ম্যাচে ১১ পয়েন্ট পাঞ্জাবের। মধ্যপ্রদেশের ৫ ম্যাচে ১০ পয়েন্ট। উত্তরপ্রদেশের ৫ ম্যাচে ৬ পয়েন্ট। বিহার ৫ ম্যাচে ১ পয়েন্ট পেয়েছে।












Click it and Unblock the Notifications