শাহবাজ ব্যাটে-বলে দুরন্ত, রঞ্জি ট্রফি কোয়ার্টার ফাইনালে ঝাড়খণ্ডের বিরুদ্ধে বড় জয়ের কাছে বাংলা
রঞ্জি ট্রফি কোয়ার্টার ফাইনালে ঝাড়খণ্ডের বিরুদ্ধে বড় জয়ের পথে বাংলা। তৃতীয় দিনের শেষে দ্বিতীয় ইনিংসে ঝাড়খণ্ড এগিয়ে ৭ রানে, হাতে মাত্র ৩ উইকেট। শাহবাজ আহমেদ ব্যাট হাতে ৮১ রান করার পর বল হাতে নিয়েছেন ২ উইকেট।
রঞ্জি ট্রফির সেমিফাইনালে বাংলা যে খেলবে তা স্পষ্ট হয়ে গিয়েছিল গতকালই। প্রথম ইনিংসে লিড নিশ্চিত করে ফেলার সৌজন্যে। তবে প্রথম ইনিংসে লিডের ভিত্তিতে নয়, ইডেনে ঝাড়খণ্ডকে হারিয়েই শেষ চারে যাচ্ছে লক্ষ্মীরতন শুক্লার প্রশিক্ষণাধীন দল। তৃতীয় দিনের শেষে দ্বিতীয় ইনিংসে ধোনির রাজ্যের লিড মাত্র ৭, হাতে রয়েছে ৩ উইকেট।

প্রথম ইনিংসে লিড বাংলার
দ্বিতীয় দিনের শেষে গতকাল বাংলার স্কোর ছিল ৮১ ওভারে ৫ উইকেটে ২৩৮। শাহবাজ আহমেদ ১৭ ও অভিষেক পোড়েল ২৫ রানে অপরাজিত ছিলেন। ঝাড়খণ্ডের ১৭৩ রানের জবাবে আজ বাংলার প্রথম ইনিংস শেষ হয় ৩২৮ রানে। অর্থাৎ প্রথম ইনিংসে ১৫৫ রানের লিড পায় বাংলা। ৯টি চার ও ২টি ছক্কার সাহায্যে শাহবাজ করেন ১২০ বলে সর্বাধিক ৮১ রান। অভিষেক পোড়েল ৩৩, আকাশ ঘটক ১২, আকাশ দীপ ও মুকেশ কুমার ব্যক্তিগত ১ রান করে আউট হন। ঈশান পোড়েল ১ রানে অপরাজিত থাকেন।

দুরন্ত শাহবাজ
অভিষেক আউট হয়েছিলেন দলের ২৫৬ রানের মাথায়। সেখান থেকে আকাশ ঘটককে নিয়ে দলকে ২৯৯ রানে পৌঁছে দেন শাহবাজ। ২৯৯ রানে সপ্তম, ৩০০ রানে অষ্টম ও ৩০১ রানে নবম উইকেট পড়েছিল। শেষ অবধি শাহবাজের ব্যাটে ভর করেই বাংলা ৩২৮ অবধি পৌঁছে যায়। আশিস কুমার তিনটি, রাহুল শুক্লা ও সুপ্রিয় চক্রবর্তী ২টি করে এবং শাহবাজ নাদিম ও অনুকূল রায় ১টি করে উইকেট নেন।

ইনিংস হার বাঁচাল ঝাড়খণ্ড
জবাবে খেলতে নেমে ঝাড়খণ্ড ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে। ২১ রানে চার উইকেট পড়ে গিয়েছিল। এরপর প্রথমে অনুকূল রায় ও পরে বিরাট সিংকে নিয়ে আর্যমান সেন পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার চেষ্টা করেন। দিনের শেষে দ্বিতীয় ইনিংসে ৪৮ ওভারে ৭ উইকেটে ১৬২ রান তুলেছে ঝাড়খণ্ড। আর্যমান ৬৪, অনুকূল ৪০ ও বিরাট ২৯ রান করেন। বাকিরা দুই অঙ্কে পৌঁছতে পারেননি। আকাশ দীপ তিনটি মেডেন-সহ ১০ ওভারে ২৫ রান দিয়ে দুটি উইকেট নেন। শাহবাজ আহমেদের বোলিং ফিগার ১২ ওভার ২ মেডেন ৩৮ রানে ২ উইকেট। আকাশ ঘটকের ৭ ওভারে ১টি মেডেন, ১৯ রান খরচ করে ২টি উইকেট নিয়েছেন। ৯ ওভারে ৫০ রান দিয়ে একটি উইকেট নেন ঈশান পোড়েল।

শেষ চারে বাংলার প্রতিপক্ষ কে হবে?
বাংলার সেমিফাইনালে প্রতিপক্ষ কে হবে তা নির্ভর করছে অন্ধ্রপ্রদেশ বনাম মধ্যপ্রদেশ ম্যাচের উপর। অন্ধ্রের ৩৭৯ রানের জবাবে মধ্যপ্রদেশ ২২৮ রানে শেষ হয়। কিন্তু এরপর ৯৩ রানে গুটিয়ে দেয় অন্ধ্রপ্রদেশের দ্বিতীয় ইনিংস। ভাঙা কব্জি নিয়ে ব্যাট করেন হনুমা বিহারী। ৭৬ রানে ৯ উইকেট পড়ার পর ১১ নম্বরে নামেন অন্ধ্র অধিনায়ক, করেন ১৬ বলে ১৫। দিনের শেষে মধ্যপ্রদেশের স্কোর বিনা উইকেটে ৫৮। শেষ দিনে জিততে দরকার ১৮৭ রান।
(ছবি- সিএবি মিডিয়া)












Click it and Unblock the Notifications