Rahul Dravid: মমতার কথাতেই মান্যতা দ্রাবিড়ের? নরেন্দ্র মোদীর পিচই হারিয়েছে! জয় শাহকে শোনালেন ভারতের কোচ
Rahul Dravid: রাহুল দ্রাবিড়ের কথাতেই কি মান্যতা পেল মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দাবি। বাংলার মুখ্যমন্ত্রী তথা তৃণমূল কংগ্রেস নেত্রী দাবি করেছিলেন, নরেন্দ্র মোদী স্টেডিয়ামে বিশ্বকাপ ফাইনাল হওয়াতেই ভারত হেরেছে।
ইডেন কিংবা ওয়াংখেড়েতে হলে ভারত বিশ্বকাপ ফাইনালে হারতো না। এবার ভারতের হেড কোচ রাহুল দ্রাবিড়ও পরাজয়ের জন্য আঙুল তুললেন নরেন্দ্র মোদী স্টেডিয়ামের দিকেই।

বিশ্বকাপ ফাইনালে হারের কারণ পর্যালোচনায় ফাইনালের ১১ দিন পর হেড কোচ রাহুল দ্রাবিড় ও অধিনায়ক রোহিত শর্মার সঙ্গে আলোচনায় বসেছিলেন বিসিসিআই কর্তারা। দৈনিক জাগরণের প্রতিবেদনে উল্লেখ, লন্ডনে ছুটি কাটানোর ফাঁকে ভার্চুয়ালি বৈঠকে যোগ দিয়েছিলেন রোহিত। বৃহস্পতিবার দিল্লিতে বৈঠকটি হয়।
বৈঠকে বিসিসিআই সচিব জয় শাহ, বোর্ডের সহ সভাপতি রাজীব শুক্লা, কোষাধ্যক্ষ আশিস শেলার উপস্থিত ছিলেন। বিশ্বকাপ ফাইনালের ব্যর্থতার কারণ সম্পর্কে বোর্ডকর্তারা জানতে চান দ্রাবিড় ও রোহিতের কাছে। দ্রাবিড় জবাব দেন সপাটেই। সাফ জানান, যতটা প্রত্যাশা করা হয়েছিল বল ততটা ঘোরেনি নরেন্দ্র মোদী স্টেডিয়ামের পিচে।
উল্লেখ্য, বিকল্প থাকলেও ফ্রেশ পিচে না করিয়ে ফাইনাল খেলাটি আয়োজন করা হয় যে পিচে তাতে আগেও বিশ্বকাপের ম্যাচ হয়েছে। ভারত-পাকিস্তান ম্যাচের পিচেই হয় ভারত-অস্ট্রেলিয়া ফাইনাল। পাকিস্তান যেমন প্রথমে ব্যাট করতে গিয়ে অস্বস্তিতে পড়েছিল, ঠিক তেমনই অবস্থা ফাইনালে হয় ভারতের।
স্থানীয় কিউরেটরের পরামর্শেই ফাইনাল ম্যাচের পিচ চূড়ান্ত করা হয়েছিল। যেহেতু ফাইনাল ফ্রেশ পিচে খেলানো বাধ্যতামূলক নয়, সে কারণেই স্পিনাররা সাহায্য পাবেন বুঝে ভারতের টিম ম্যানেজমেন্টও চাইছিল স্লো পিচ। অস্ট্রেলিয়া দলের পেসারদের কথা ভেবেই রণকৌশল সাজাচ্ছিল ভারত। রোহিত শর্মা টস হারতেই সব পরিকল্পনা ওলট-পালট হয়ে যায়।
উইকেট প্রথম দিকে মন্থর থাকায় রান তোলা কঠিন হয়ে যায়। নৈশালোকে তা আবার ব্যাটিং সহায়ক হয়ে যায়। বোর্ডকর্তারা জানতে চান, মহম্মদ শামি, জসপ্রীত বুমরাহরা ভালো বোলিং করা সত্ত্বেও কেন স্পিন সহায়ক উইকেটে খেলার রণকৌশল নেওয়া হয়েছিল? দ্রাবিড় জবাব দেন, গোটা টুর্নামেন্টে এই রণকৌশলেই কাজ হয়েছে, ফাইনাল ছাড়া।
উল্লেখ্য, এবারের আইপিএলেও সেরা মাঠের পুরস্কার পেয়েছে ইডেন ও ওয়াংখেড়ে। সেখানে বিশ্বকাপ না দিয়ে জয় শাহরা প্রভাব খাটিয়েই ফাইনাল নিয়ে যান নরেন্দ্র মোদী স্টেডিয়ামে। যেখানে ফাইনালেও পুরো গ্যালারি ভরেনি। অথচ ইডেনে নন-ইন্ডিয়া ম্যাচেও দর্শকাসন প্রায় পুরোটাই ভর্তি ছিল। দুই স্টেডিয়ামের পিচ ও আউটফিল্ডও প্রশংসনীয়। এখন দ্রাবিড়ের বক্তব্য শুনে সকলে তাই বলছেন, মমতা দিদি ঠিকই বলেছেন। ইডেন বা ওয়াংখেড়েতে খেলা হলে ভারতই জিততো।












Click it and Unblock the Notifications