IPL 2021: কলকাতা নাইট রাইডার্স শিবিরের অন্দরমহলের হাঁড়ির খবর ফাঁস প্রসিদ্ধ কৃষ্ণর
আইপিএলের দ্বিতীয়ার্ধে ২০ সেপ্টেম্বর রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোর ম্যাচ দিয়ে অভিযান শুরু করবে কলকাতা নাইট রাইডার্স। ইয়ন মর্গ্যানের দলের প্লে অফে ওঠার রাস্তা অবশ্য বেশ কঠিন। তবে নাইট শিবিরের টার্গেট, ম্যাচ ধরে ধরে এগিয়ে সাতটির মধ্যে ৬টিতে জিতে শেষ চারে জায়গা পাকা করে। একই মধ্যে ক্রিকেটাররা রয়েছেন বেশ ফুরফুরে মেজাজে।
|
নিভৃতবাসে নাইট প্রসিদ্ধ
নাইট শিবিরের বড় ভরসা প্রসিদ্ধ কৃষ্ণ। ইংল্যান্ড সফরে রিজার্ভ ক্রিকেটার হিসেবে থাকলেও পরে ভারতীয় টেস্ট দলেও ঢুকে পড়েছিলেন। তবে প্রথম একাদশে সুযোগ পাননি। ম্যাঞ্চেস্টার থেকে সংযুক্ত আরব আমিরশাহীতে পৌঁছে তিনি এখন রয়েছেন নিভৃতবাসে। এরই মধ্যে কলকাতা নাইট রাইডার্সের অন্দরমহলের হাঁড়ির খবর তিনি জানিয়েছেন একটি ক্রিকেট ওয়েবসাইটকে দেওয়া সাক্ষাতকারে। যার বেশিরভাগটাই খাওয়া-দাওয়া নিয়ে।

মশলা ধোসার ভক্ত
মশলা ধোসার বড় ভক্ত প্রসিদ্ধ কৃষ্ণ। তিনি বলেছেন, সেই ধোসা যদি মায়ের বানানো হয় তাহলে রোজ তা খেয়েই দিন কাটিয়ে দিতে পারেন। আর নিজে হাতে তিনি বানাতে পারেন চিজ ম্যাগি। কলকাতা নাইট রাইডার্স শিবিরে যোগ দিয়ে প্রসিদ্ধ মিষ্টি দইয়ের প্রেমে পড়ে গিয়েছেন। খুব বেশি খাওয়া হয় না ফিটনেসের কারণে, কিন্তু বাংলার মিষ্টি দই যে তাঁর বড়ই প্রিয় হয়ে উঠেছে তা জানিয়েছেন কেকেআরের পেসার। তিনি আরও জানিয়েছেন, কেকেআরের সাপোর্ট স্টাফ অভিষেক নায়ার ছাড়া কেকেআরের আর কেউ রান্না করতে পারেন না। তবে অভিষেক মাঝেমধ্যে রেঁধে দলের অনেককেই খাইয়ে থাকেন।

সেরা চিন্নাস্বামী
ক্রিকেট খেলতে অনেক মাঠেই হাজির থেকেছেন। তবে তাঁর পছন্দ বেঙ্গালুরুর চিন্নাস্বামী স্টেডিয়ামে। প্রসিদ্ধর কথায়, চিন্নাস্বামী মাঠ হিসেবে যেমন ভালো, তেমনই এখানে খেলার সময় রকমারি প্রচুর খাবার রাখা হয়। তবে খেলার দিনে প্রসিদ্ধর খাবারের মেনুতে থাকে ভাত, ডাল, তরকারি এবং দই। যা টিপিক্যাল দক্ষিণ ভারতের খাবার। প্রসিদ্ধকে প্রশ্ন করা হয়েছিল বিদেশি সতীর্থকে বেঙ্গালুরুতে যদি ধোসা খাওয়াতে চান তাহলে কোথায় নিয়ে যাবেন? নাইট পেসার জানিয়েছেন, সোজা আমার বাড়িতে নিয়ে আসব। আগেই বলেছি আমার মা যে মশলা ধোসা বানান সেটাই সেরা।

মিষ্টি থেকে দূরে
প্রসিদ্ধ কৃষ্ণ মিষ্টি খেতে ভালোবাসেন। বাংলার বিভিন্ন মিষ্টির সঙ্গে ভালোবাসেন গুলাব জামুন। কিন্তু নিজের ফিটনেস ধরে রাখতে অনেকদিন মিষ্টিকে তিনি দূরে সরিয়ে রাখতে বাধ্য হয়েছেন। ওয়ার্কআউটের আগে বা পরে অবশ্যই ডিম খেয়ে থাকেন তিনি। চিজ দিয়ে স্ক্র্যাম্বলড এগ তাঁর বড় পছন্দের। যা খুশি খেলেও ফিটনেসে প্রভাব পড়ে না নাইট শিবিরে এমন ক্রিকেটারের নাম জানতে চাইলে প্রসিদ্ধ কৃষ্ণ কমলেশ নাগরকোটির নামই নিয়েছেন। তিনি বলেন, কমলেশ যে আমাদের সমপরিমাণ খেয়ে থাকেন তা তাঁকে দেখলে বোঝা যায় না। কমলেশের মেটাবলিজম এতটাই ভালো। ফাস্ট ফুডের মধ্যে প্রসিদ্ধ ভালোবাসেন চাট, মশলা পুরী, ভেল পুরী ইত্যাদি। খেলার জন্য যখন বাইরে তখন বাড়ির যে দুটি খাবার মিস করেন তা হল ভাত ও পাপ্পু (ডাল)। বল হাতে সাফল্য পেলে মনের মতো খাবার খাওয়ার কথা ভাবলে প্রসিদ্ধ যা খেতে চান সেগুলি হল, মশলা ধোসা, ভাত-পাপ্পু ও কিছু ডেসার্ট। বেঙ্গালুরুর কর্নার হাউসের ডেথ বাই চকোলেটও অবশ্যই থাকবে সেই তালিকায়।












Click it and Unblock the Notifications