Prakhar Chaturvedi:কোভিডে অ্যাকাডেমি বন্ধ থাকলেও বাড়িতেই চলে ক্রিকেট সাধনা, মা-বাবার সমর্থনই সাফল্যের চাবিকাঠি
কোচবিহার ট্রফিতে কর্ণাটক দলে সবথেকে বেশি চর্চায় উঠে এসেছিলেন রাহুল দ্রাবিড়ের পুত্র সমিত। কিন্তু সোমবারের পর থেকে রাতারাতি বিখ্যাত হয়ে গিয়েছেন প্রখর চতুর্বেদি। ব্যাট হাতে অপরাজিত ৪০৪ রান করে শুধু রাজ্যকে চ্যাম্পিয়নই করেননি, একইসঙ্গে ২৪ বছর আগের যুবরাজ সিংয়ের একটি রেকর্ডও ভেঙে দিয়েছেন। কিন্তু কে এই প্রখর চতুর্বেদি? তুলেে ধরা হল এই প্রতিবেদনে।
উত্তরপ্রদেশের গাজীপুরে জন্ম হলেও প্রখরের ক্রিকেটীয় যাত্রা শুরু হয়েছে কর্ণাটকের রাজধানী শহর বেঙ্গালুরু থেকেই। তাঁর বাবা সঞ্জয় কুমার আইআইটি গ্র্যাজুয়েট, বেঙ্গালরুতে রয়েছে নিজস্ব সফটওয়ার ফার্ম এবং মা ডিআরডিও অফিসার।ছোট থেকেই ছেলের ক্রিকেটের প্রতি প্যাশান দেখে বিখ্যাত একটি ক্রিকেট অ্যাকাডেমিতে ভর্তি করে দেন। নিজের ক্রিকেটীয় প্রতিভার জোরেই কর্ণাটকের অনূর্ধ্ব ১৯ দলে জায়গা করেন নেন প্রখর।

কোচবিহার ট্রফির ফাইনালে মুখোমুখি হয়েছিল কর্ণাটক এবং মুম্বই। অনূর্ধ্ব ১৯ স্তরের এই প্রতিযোগিতায় ব্যাট হাতে অনন্য কীর্তি স্থাপন করলেন কর্ণাটকের প্রখর চতুর্বেদী। মুম্বাইয়ের বিরুদ্ধে কর্ণাটকের এই অনূর্ধ্ব ১৯ ক্রিকেটার ব্যাট হাতে প্রথম ইনিংসে অপরাজিত ৪০৪ রান করেছেন যা ভারতীয় ক্রিকেটে এক নতুন নজির সৃষ্টি করেছে।
প্রখর ২৪ বছর আগে যুবরাজ সিংয়ের একটি রেকর্ডও ভেঙে দিয়েছেন। ভারতের কিংবদন্তি ক্রিকেটার ১৯৯৯ সালে এই ট্রফিতে পঞ্জাবের হয়ে বিহারের বিরুদ্ধে ৩৫৮ রানের ইনিংস খেলেছিলেন। সেই বিহার দলে ছিলেন ভারতের জোড়া বিশ্বকাপ জয়ী অধিনায়ক এমএস ধোনিও। দুই দশক আছে কোচবিহার ট্রফির ফাইনালে বিহারের বিরুদ্ধে ৩৫৮ রানের ইনিংস খেলেছিলেন যুবরাজ সিং। এটাই ছিল কোচবিহার ট্রফির ফাইনালে কোনও ব্যাটসম্যানের ব্যক্তিগত সর্বোচ্চ রান।
কিন্তু প্রখর সেই রেকর্ড ভেঙে দিলেন। প্রখরের অপরাজিত ৪০৪ রানের ইনিংসটা সাজানো ছিল ৪৬টি চার এবং তিনটি ছক্কা দিয়ে। রেকর্ড সংখ্যক রান করতে কর্ণাটকের এই ক্রিকেটার খেলেছেন ৬৩৮টি বল।
ভারতের অনূর্ধ্ব-১৯ স্তরে প্রিমিয়াম ঘরোয়া টুর্নামেন্টের কথা যদি বলা হয়, তাহলে কিন্তু সবার আগে থাকবেন বিজয় জোল।যদিও এরআগে কোচবিহার ট্রফিতে মহারাষ্ট্রের বিজয় জোল অসমের বিরুদ্ধে অপরাজিত ৪৫১ রানের ইনিংাস খেলেছিলেগন। কিন্তু সেটা ফাইনাল ম্যাচে নয়। ফাইনাল ম্যাচে প্রখরের ইনিংসই সর্বোচ্চ।
কেবি পবন বলছেন, 'গত বারও কোচবিহার ট্রফিতে ভালো খেলেছিল প্রখর। এ বার সেই অর্থে পুরো টুর্নামেন্টে ভালো পারফরম্যান্স ছিল না। ও হয়তো অনেক বেশি কিছু চেষ্টা করছিল। ফাইনালে প্রাথমিক বিষয়ে জোর দিয়েছে। সবচেয়ে ভালো দিক, একশো পেরনোর পরও ফোকাস হারায়নি।












Click it and Unblock the Notifications