আন্ডারডগ থেকে চ্যাম্পিয়ন , জার্সির সম্মানই আজও তাতায় পাকিস্তান দলকে
অনেক সময় চলে গেছে কিন্তু এখনও একই আছে পাকিস্তানের জার্সির প্রতি দায়বদ্ধতা। তারই প্রতিফলন দেখল ২০১৭
১৯৯২ সাল বিশ্ব ক্রিকেটে তখন পাওয়ার হাউস পাকিস্তান। ইমরান খানের পাকিস্তান সে বছর বিশ্বকাপ চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল। দলে ছিলেন সেলিম মালিক, রামিজ রাজা, তরুণ ওয়াসিম আক্রম, মুইন খান। এক একটা নাম একটা তারা। নিজেদের দিনে একাই বদলে দিতে পারতেন ম্যাচের ভবিষ্যত।
সময়টা টাইমলাইন পেরিয়ে একধাক্কায় এগিয়ে গেছে ২৫ বছর। চিত্রনাট্য একেবারেই আলাদা। সরফরাজ আহমেদ এক ঝাঁক প্রায় অচেনা মুখ নিয়ে এলেন চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি খেলতে। প্রথম ম্যাচেই চির প্রতিদ্বন্দ্বী ভারতের কাছে ল্যাজে গোবরে হয়ে হার। অন্য দল হলে হয়ত গল্প ওখানেই শেষ হয়ে যেত। কিন্তু পাকিস্তানের কাহিনী যেন সেখান থেকেই শুরু হল।

দেশভাগের যন্ত্রনাক্লিষ্ট দেশ ১৯৪৭-র জন্ম লগ্ন থেকে তো ওটাই শিখেছে লড়াই করতে। নিজেদের অস্তিত্ব বিশ্বমঞ্চে টিকিয়ে রাখতে। এবারের পাকিস্তানও তাই করে দেখাল। প্রাথমিক পর্বের একটার পর একটা বাধা টপকে মিলেছিল ফাইনালের টিকিট। প্রতিপক্ষ সেই ভারত। যারা বিশ্ব ক্রিকেটে-র এক নম্বর দল। কিন্তু একদম শেষ অবধি না হারার মানসিকতাই রবিবারের ফাইনালে যেন পার্থক্যটা করে দিল। ফকর জামান, মহম্মদ হাফেজ, মহম্মদ আমের,হাসান আলি, শাদাব খান রা এদিন বাইশ গজে লড়ছিলেন একটা অস্তিত্বের লড়াই।
ফুটবল দুনিয়ায় জার্সির জন্য খেলার সুনাম রয়েছে জার্মানির। ক্রিকেটে পাকিস্তানেরও একটা সময় সেই নাম ছিল। ফের একবার সেই নাম উজ্জ্বল করলেন সরফরাজ আহমেদ এন্ড কোং। ২০০৯ সালে একটা টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ঘরে এসেছিল। সেটা ছিল একটা সান্ত্বনা পুরস্কার। এদিনের ৫০ ওভারে পাক সিংহদের দুরন্ত প্রতাপ আরও একবার বিশ্বকে বার্তা দিল আজও তারা বিশ্বক্রিকেটের পাওয়ার হাউস হয়ে ওঠার ক্ষমতা রাখেন।












Click it and Unblock the Notifications