ওয়ার্ন সম্পর্কে অজানা তথ্য তুলে ধরলেন মাস্টার ব্লাস্টার
ওয়ার্ন সম্পর্কে অজানা তথ্য তুলে ধরলেন মাস্টার ব্লাস্টার
শেন ওয়ার্নের সঙ্গে সচিন তেন্ডুলকরের বন্ধুত্বের সম্পর্কের সমীকরণ ঠিক কোন পর্যায়ে ছিল তা ভাল মতোই জানে ক্রিকেট বিশ্ব। দুই মহারথী নিজেদের দেশের হয়ে একাধিকবার একে অপরের মুখোমুখি হলেও কখনও সম্পর্কের মধ্যে তিক্ততা আসেনি, বরং বন্ধুত্বের সম্পর্ক আরও গাঢ় হয়েছে।

তবে, এক বার এমন হয়েছিল যেখানে সচিনের রান্না করা খাবার পাতে নিয়েও শেষ করেনি ওয়ার্ন। ১৯৯৮ সালে অস্ট্রেলিয়ার ভারত সফরে সচিনের বাড়িতে নিমন্ত্রিত ছিলেন শেন ওয়ার্ন। সেখানে মশালাদার চিকেনের একটি আইটেম ওয়ার্নকে নিজে হাতে বানিয়ে খেতে দিয়েছিলেন মাস্টার ব্লাস্টার্স। ওয়ার্ন শুরুতে ভেবেছিলেন অতি সহজেই সেই খাবার শেষ করতে পারবেন কিন্তু শেষ পর্যন্ত সেটা আর করা সম্ভব হয়নি।
অ্যামাজন প্রাইমের একটি ভিডিও-এ সচিনের বাড়িতে তাঁর অভিজ্ঞতা এবং লিটল মাস্টারের সঙ্গে বন্ধুত্বের সম্পর্কে মুখ খুলেছিলেন ওয়ার্ন। সেই ভিডিও-এ ওয়ার্ন বলেছিলেন, "সচিন আর আমি এক সঙ্গে অনেক ভাল সময় কাটিয়েছি, আমরা দু'জনেই ভাল বন্ধু ছিলাম এবং এখনও একই রকম আছি। ভারতের বিরুদ্ধে যেখন খেলা হয় তখন সেটা সচিন বনাম ওয়ার্ন, ভারত বনাম অস্ট্রেলিয়া নয়। প্রত্যেকেই এই লড়াইটা দেখতে চায়। আমি ওর বাড়ি গিয়েছিলাম। ভেবেছিলাম ওখান থেকে ডিনার সেরে হোটেলে ফিরে যাব। চিকিনে এক কমর দেওয়ার পরই আমার মাথ ঘুড়ে যায়। আমা এটাকে কেটে সাইডে সরিয়েদি কারণ ওর পরিবার এবং ওর প্রতি আমি অত্যন্ত শ্রদ্ধাশীল।"
এই প্রসঙ্গে সচিন বলেছিলেন, "আমরা সেই সময়ে মুম্বইয়ে ছিলাম এবং ওকে বলেছিলাম তুমি আমার বাড়িতে কেন আসছো না? ওয়ার্নিকে জিজ্ঞাসা করেছিলাম, তুমি ভারতীয় খাবার পছন্দ করো? আমি এটা ভালবাসি। কিন্তু বাড়িতে এসে ও কিছুই খাচ্ছিল না। আমি যখন অন্যদের খাবার পরিবেশন করছিলাম তখন নিজের খাবারগুলো ও কেটে কেটে আমার ম্যানেজারের পাতে তুলে দিচ্ছিল। আমার ম্যানেজার আমায় তখন জানায় শেন কিছুই খায়নি। আমি বুঝতে পেরেছিলাম শেন মশলাদার খাবার খেতে পারে না। ও আমাকে দুঃখ দিতে চায়নি কিন্তু ক্রমাগত আমার ম্যানেজারকে খোঁচা মারছিল এবং বলছিল 'আমায় সাহায্য করো'। শেষ পর্যন্ত ও রান্না ঘরে গিয়ে সসেজ, আলু সেদ্ধ আর বিনস দিয়ে ওর ডিনার সমপন্ন করে।"
অস্ট্রেলিয়া থেকে ছুটি কাটাতে থাইল্যান্ডে এসেছিলেন ওয়ার্ন। ৪ মার্চ থাইনল্যান্ডের মাটিতেই শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। মৃত্যু কালে তাঁর বয়স ছিল ৫২ বছর।












Click it and Unblock the Notifications