Get Updates
Get notified of breaking news, exclusive insights, and must-see stories!

ম্যাচ গড়াপেটা হিমশৈলের চূড়ামাত্র! ভারতীয় ক্রিকেটে অনৈতিক কাজকর্মের ডালি নীরজের বইয়ে

ভারতীয় ক্রিকেটে নানাবিধ অপকর্মের বিস্তারিত কথা নিজের বইয়ে তুলে ধরলেন নীরজ কুমার। ২০১৫ থেকে ২০১৮ অবধি বিসিসিআইয়ের দুর্নীতিদমন শাখার প্রধান থাকাকালীন অভিজ্ঞতার বর্ণনা দিলেন।

ম্যাচ গড়াপেটা ভারতীয় ক্রিকেটের হিমশৈলের চূড়ামাত্র। এমনই দাবি বিসিসিআইয়ের দুর্নীতিদমন শাখার প্রাক্তন প্রধান নীরজ কুমারের। ভারতে বিভিন্ন স্তরের ক্রিকেটে যেভাবে নানা অনৈতিক কাজকর্ম চলে, সেইসব চাঞ্চল্যকর ঘটনার কথা উঠে এসেছে প্রাক্তন আইপিএস অফিসারের বই "A Cop in Cricket"-এ।

ভারতীয় ক্রিকেটে অনৈতিক কাজকর্মের ডালি নীরজের বইয়ে

(ছবি- বিসিসিআই)

২০১৫ সালের ১ তারিখ থেকে ২০১৮ সালের ৩১ মে অবধি বোর্ডের দুর্নীতিদমন শাখার প্রধানের দায়িত্ব সামলেছেন তিনি। এই সময়কালে নিজের অভিজ্ঞতার কথাই তিনি তাঁর বইটিতে তুলে ধরেছেন। ক্রিকেটের নামে যেসব অপকর্ম চলে তার বিস্তারিত বিবরণ পাঠকদের কাছে তুলে ধরতে চেয়েছেন নীরজ কুমার। ক্রিকেট প্রশাসনে যে সব ছলচাতুরি বা প্রতারণা চলে তাতে ম্যাচ গড়াপেটা বা ফিক্সিং যে সামান্য অংশ বা হিমশৈলের চূড়ামাত্র, তেমন দাবিই করেছেন নীরজ কুমার। এমনকী মুদগল বা লোধা কমিটির সুপারিশ মেনে বোর্ডের প্রশাসনকে স্বচ্ছ্ব করার যে নির্দেশ সুপ্রিম কোর্ট দিয়েছিল এবং যাঁদের বিভিন্ন দায়িত্ব দিয়েছিল, তাঁরাও যথাযথ ভূমিকা পালন করেননি বলেই অভিযোগ।

নীরজ কুমারের দাবি, বোর্ড আইপিএলের যে রাজস্ব বিভিন্ন ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশনকে ভাগ করে দেয় তাঁর সময়কালে তিনি দেখেছেন এই অর্থের সঠিক ব্য়বহার হয় না। নয়ছয় হয়। কুমারের দাবি, ২০১৫ সালে সিবিআই জম্মু ও কাশ্মীর ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশনের কর্তাদের বিরুদ্ধে যে মামলা দায়ের করে তদন্ত শুরু করেছিল তা বোর্ড থেকে প্রাপ্ত কোটি কোটি টাকার উপযুক্ত হিসেব না থাকায় এবং এক্ষেত্রেও সেই টাকা নয়ছয় হয়েছে। তৃণমূল স্তরের ক্রিকেটে দল নির্বাচনেও যে প্রতারণা ও দুর্নীতি চলে, তেমন দাবিও করেছেন নীরজ কুমার। তাঁর দাবি, তিনি যখন বোর্ড নিযুক্ত পদে ছিলেন, তখন তাঁর টিমের কাছে একাধিক অভিযোগ আসে উঠতি ক্রিকেটার ও তাঁদের পরিবারের থেকে। সেখানে যেমন যৌনতায় লিপ্ত হওয়ার বিনিময়ে দলে সুযোগ দেওয়ার প্রতিশ্রুতির অভিযোগ রয়েছে, তেমনই এমন অভিযোগও এসেছে যেখানে রঞ্জি বা আইপিএলে সুযোগ করে দেওয়ার আশ্বাস দিয়ে চম্পট দিয়েছেন বিভিন্ন কোচ বা আধিকারিকরা।

সুপ্রিম কোর্ট যে প্রশাসকমণ্ডলী নিযুক্ত করেছিল তার শীর্ষে ছিলেন বিনোদ রাই। সে সময় সিইও ছিলেন রাহুল জোহরি। নীরজ কুমারের দাবি, জোহরির বিষয়ে বিভিন্ন বিষয় তিনি রাইয়ের দৃষ্টিগোচরে আনলে তিনি প্রথমে ভাব করেছিলেন যেন নীরজের বক্তব্যে তাঁর সায় রয়েছে এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবেন। কিন্তু বাস্তবে সেটা হয়নি। এমনকী এই দুজন মিলে নিজেদের অপকর্মের দায় তাঁর কাঁধে চাপিয়ে অপদস্থ করার পরিকল্পনাও করেছিলেন বলে দাবি নীরজের। কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর মদতপুষ্ট হওয়ায় রাইয়ের ব্লু আইড বয় হয়ে ওঠেন জোহরি। আর্থিকভাবে পিছিয়ে থাকা উঠতি ক্রিকেটারদের জন্য এথনও উপযুক্ত পরিকাঠামো নেই বলেও দাবি করেছেন নীরজ কুমার। এই ক্রিকেটারদের প্রতি ক্রিকেট প্রশাসকদের যত্নবান হয়ে আর্থিক ও অন্যান্য উপায়ে তাঁদের পাশে থাকার পক্ষে সওয়ালও করেছেন নীরজ তাঁর বইয়ে।

More From
Prev
Next
Notifications
Settings
Clear Notifications
Notifications
Use the toggle to switch on notifications
  • Block for 8 hours
  • Block for 12 hours
  • Block for 24 hours
  • Don't block
Gender
Select your Gender
  • Male
  • Female
  • Others
Age
Select your Age Range
  • Under 18
  • 18 to 25
  • 26 to 35
  • 36 to 45
  • 45 to 55
  • 55+