Murali On Dravid: দ্রাবিড় সম্পর্কে মুরলী চাঞ্চল্যকর দাবি করলেন বায়োপিক প্রকাশের আগে, সচিনের কথায় দুসরা রহস্য
Murali On Dravid: সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়ের বায়োপিকের শ্যুটিং চলতি বছরের শেষে শুরু হবে। তার আগে অবশ্য আসছে আরও এক কিংবদন্তি ক্রিকেটারের বায়োপিক। আজ মুম্বইয়ে জনসমক্ষে আনা হলো মুথাইয়া মুরলীধরনের বায়োপিক ৮০০-র ট্রেলার।
টেস্টে সর্বাধিক উইকেটশিকারী মুরলী। টেস্টে তাঁর মোট উইকেটের সংখ্যাতেই বায়োপিকের নামকরণ। ট্রেলার প্রকাশ অনুষ্ঠানে মুরলী ছাড়াও হাজির ছিলেন সচিন তেন্ডুলকর ও সনৎ জয়সূর্য।

এদিনের অনুষ্ঠানে শ্রীলঙ্কার কিংবদন্তি মুরলীধরন বলেন, আমার বল করার কৌশল ধরে ফেলতেন সচিন তেন্ডুলকর। বীরেন্দ্র শেহওয়াগ, গৌতম গম্ভীররাও পারতেন। তবে রাহুল দ্রাবিড়ের মতো কয়েকজন গ্রেটেস্ট প্লেয়ার কখনও আমার বোলিং কৌশল ধরতে পারেননি। ব্রায়ান লারা কিছুটা পারতেন, তবে আমার বিরুদ্ধে বড় শট খেলতে পারেননি।
সচিন তেন্ডুলকর বলেন, ১৯৯২-৯৩ মরশুমে মুরলীর সঙ্গে প্রথম সাক্ষাৎ, তখন থেকেই আমরা খুব ভালো বন্ধু। তিনি বল করতে ভালোবাসেন, তাঁর বল ঘোরানোর দক্ষতা দেখেছে বিশ্ব। কোনও এক্সপ্রেসওয়েতেও বল ঘোরাতে পারেন তিনি। তাঁর কাছে পিচ যেমনই হোক, তাতে কিছু যায় আসে না। তিনি দুসরার বিবর্তন ঘটিয়েছেন, নেটে অনেকক্ষণ ধরে অনুশীলনের মাধ্যমেই।
সচিন জানান, আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে প্রথম দুসরা করার আগে নেটে ১৮ মাস ধরে সেই রকমের বল করার অনুশীলন চালিয়েছেন মুরলী। এর বড় কারণ তিনি কখনও নিজের সহজাত দক্ষতা ও গুণে কোনও নেতিবাচক প্রভাব পড়ুক, সেটা চাননি। তাই লাগাতার অনুশীলনের মাধ্যমে দুসরা রপ্ত করে তবেই মুরলী তা আন্তর্জাতিক ম্যাচে প্রয়োগ করেছেন বলে দাবি মাস্টার ব্লাস্টারের।

সচিন প্রসঙ্গে মুরলী বলেন, সচিনও ক্রিকেটে যা করেছেন তা আর কেউ করতে পারবেন না। এটাই বাস্তব। ১৫ বছরে প্রথম শ্রেণির ক্রিকেট খেলা, ১৬-১৭ বছর বয়সে টেস্ট শতরান পাওয়া, সবই করে দেখিয়েছেন সচিন। আমার জীবদ্দশায় দ্বিতীয় সচিন কেউ হতে পারবেন না।
মুরলীর বায়োপিকে তাঁর ভূমিকায় অভিনয় করছেন স্লামডগ মিলিয়নেয়ার ছবিতে অভিনয় করা মধুর মিত্তল। ক্রিকেট জীবনের পাশাপাশি ব্যক্তিগত নানা দিকও উঠে আসবে মুরলীর বায়োপিকে। মুরলী আবার ভারতের জামাই, তাঁর স্ত্রীর বাড়ি চেন্নাইয়ে। মুরলীর বায়োপিকে প্রথমে অভিনয় করার কথা ছিল বিজয় শেঠুপতির। কিন্তু এলটিটিই যুদ্ধে মুরলীর ভূমিকা নিয়ে বিতর্ক দেখা দেয়।
প্রবল বিতর্কের মধ্যে বিজয় সরে দাঁড়ান মুরলীর বায়োপিক থেকে। সেই সিদ্ধান্তকে স্বাগতও জানিয়েছিলেন মুরলী। তিনি বলেন, আমাকে ভুল বোঝা নিয়ে যে বিতর্ক হচ্ছে তাতে আমি চাই না বিজয়ের মতো বিশিষ্ট অভিনেতা সমস্যার সম্মুখীন হোন। তাই তিনি সরে দাঁড়াতেই পারেন। এরপর মধুর সুযোগ পান। শ্যুটিং হয়েছে ভারত, শ্রীলঙ্কা, ইংল্যান্ড, অস্ট্রেলিয়া-সহ বিভিন্ন দেশে।












Click it and Unblock the Notifications