হরমনপ্রীতের মুম্বই ইন্ডিয়ান্স দ্বিতীয়বার জিতল ডব্লিউপিএল খেতাব, ফাইনালে হারের হ্যাটট্রিক দিল্লি ক্যাপিটালসের
WPL 2025: প্রথম সংস্করণের পর এবার তৃতীয় সংস্করণেও ডব্লিউপিএল খেতাব জিতল মুম্বই ইন্ডিয়ান্স। তিনবারের মধ্যে ২ বারই খেতাব জিতলেন হরমনপ্রীত কৌররা।
এই নিয়ে তিনবার ফাইনালে উঠে তিনবারই হারল দিল্লি ক্যাপিটালস। তাও আবার ফাইনালে টস জেতার পরেও। মুম্বই ইন্ডিয়ান্স এদিন জিতল ৮ রানে।

আজ মুম্বইয়ের ব্র্যাবোর্ন স্টেডিয়ামে টস জিতে রান তাড়া করার সিদ্ধান্ত নেয় দিল্লি ক্যাপিটালস। প্রাথমিক ধাক্কা কাটিয়ে মুম্বই ইন্ডিয়ান্স তোলে ২০ ওভারে ৭ উইকেটে ১৪৯। তৃতীয় উইকেট জুটিতে ৮৯ রানের পার্টনারশিপ গড়েন অধিনায়ক হরমনপ্রীত কৌর ও ন্যাট সিভার-ব্রান্ট।
সিভার-ব্রান্ট এদিন ২৮ বলে ৩০ রান করার ফাঁকে নয়া রেকর্ড গড়লেন। ডব্লিউপিএলে প্রথম ব্যাটার হিসেবে ১ হাজার মাইলস্টোন স্পর্শ করেন তিনি। ৯টি চার ও ২টি ছয়ের সাহায্যে হরমনপ্রীত ৪৪ বলে ৬৬ রান করেন। তিনি পঞ্চম ওভারে চারে ব্যাট করতে নেমে ১৮তম ওভারে গিয়ে আউট হন।
আমনজ্যোৎ কৌর ১৪ রানে অপরাজিত থাকেন, ১০ রান করেন জি কমলিনী। মারিজান কাপ, শ্রী চরণী ও জেস জোনাসেন ২টি করে উইকেট দখল করেন। মারিজান ৪ ওভারে দেন মাত্র ১১ রান। অ্যানাবেল সাদারল্যান্ড ১টি উইকেট পেয়েছেন। মুম্বইয়ের পঞ্চম উইকেট পড়েছিল ১৬ ওভারে ১১২ রানে। শেষ চার ওভারে তারা তোলে ৩৭ রান।
এই রানটাই গুরুত্বপূর্ণ হয়ে গেল ম্যাচের ফলাফল নির্ধারণে। দিল্লি ক্যাপিটালসের উপর শুরু থেকেই চাপ বজায় রাখছিলেন মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের বোলাররা। ১০.৪ ওভারে ৬৬ রানে পঞ্চম উইকেট হারায় দিল্লি। ৮৩ রানে পড়ে ছয় উইকেট।
অধিনায়ক মেগ ল্যানিং ১৩, শেফালি ভার্মা ৪, জেস জোনাসেন ১৩, জেমাইমা রডরিগেজ ৩০, অ্যানাবেল সাদারল্যান্ড ২ ও সারা ব্রাইস ৫ রান করে আউট হন। এরপর নিকি প্রসাদকে নিয়ে আগ্রাসী ব্যাটিংয়ের মাধ্যমে দলকে লক্ষ্যের দিকে নিয়ে যাচ্ছিলেন মারিজান কাপ।
১৭.৪ ওভারে ১২৩ রানের মাথায় মারিজানকে ফিরিয়ে জোর ধাক্কা দেন ন্যাট সিভার-ব্রান্ট। তাতেই শেষ হয়ে যায় দিল্লির যাবতীয় আশা। পাঁচটি চার ও ২টি ছয়ের সাহায্যে ২৬ বলে সর্বাধিক ৪০ রান করেন মারিজান কাপ। মারিজানকে আউট করার পরের বলেই শিখা পাণ্ডেকে ফেরান ন্যাট।
মিন্নু মনি ১ রানের বেশি করতে পারেননি। শেষ ওভারে জিততে দিল্লির দরকার ছিল ১৪ রান, হাতে ছিল ১ উইকেট। দিল্লি ক্যাপিটালস ২০ ওভারে ৯ উইকেট হারিয়ে ১৪১ রান তোলে। নিকি প্রসাদ ২৩ বলে ২৫ রান করে অপরাজিত থাকেন। ন্যাট সিভার-ব্রান্ট ৪ ওভারে ৩০ রান দিয়ে তিন উইকেট নেন। অ্যামেলিয়া কের ২টি এবং শবনিম ইসমাইল, হেইলি ম্যাথুজ ও সাইকা ইশাক ১টি করে উইকেট দখল করেন।












Click it and Unblock the Notifications