Mukesh Kumar: স্বপ্নপূরণের দিনে কৃতজ্ঞতা দাদার প্রতি, জানুন মুকেশের জীবনে সৌরভের অবদানের অজানা কাহিনি
এরআগে ভারতীয় দলের স্ট্যান্ড বাই হিসাবে থাকলেও প্রধান দলে ব্রাত্যই ছিলেন মুকেশ কুমার। অবশেষে ওয়েস্ট ইন্ডিজ সফরে টেস্ট এবং একদিনের দলে সুযোগ পেলেন বাংলার পেসার। বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপে ভারতীয় দলের সঙ্গে ইংল্যান্ডে গিয়েছিলেন। কলকাতায় ছুটি কাটানোর ফাঁকে সুখবরটা পেলেন মুকেশ।
ঘরোয়া ক্রিকেটে বেশ কয়েক বছর ধরেই দুরন্ত পারফরম্যান্স করেছেন, আইপিএলে দিল্লি ক্যাপিটালসের হয়ে সুযোগটাও ভালোভাবেই কাজে লাগিয়েছেন। মুকেশের দিকে নজর ছিল নির্বাচকদের। ক্যারিবিয়ান সফরে শামি-উমেশের মতো সিনিয়র পেসারদের বিশ্রামে রাখা হয়েছে। এবার টিম ইন্ডিয়ার প্রধান দরজা খুলে গেল মুকেশের কাছে।

দারিদ্রের সঙ্গে অসম লড়াই করে আজ স্বপ্ন পূরণের ঠিকানায় পৌঁছাতে হয়েছে মুকেশ। বিহারে জন্ম হলেও ক্রিকেটের টানে চলে আসেন কলকাতায়। তালতলা বাজারে ঘুপচি ঘরটায় কেটেছে জীবনের গুরুত্বপূর্ণ দিনগুলি। কাজ করার পাশাপাশি ময়দানে ক্রিকেটও খেলতে শুরু করেই। স্বপ্ন দেখার সেই শুরু। অধ্যাবসায় এবং অনুশাসনের বাসিন্দা পৃথিবীর সব সফল নাগরিক, ব্যতিক্রম নন মুকেশও। স্বপ্নপূরণের দিনে মুকেশের মুখে প্রয়াত পিতা এবং দাদি সৌরভের কথা।

এরপর মুকেশ উল্লেখ করেন, 'এরপরই যখনই দাদির সঙ্গে দেখা হয়েছে তখনই শেখার চেষ্টা করেছি। ওনিও সব সময় বোঝাতেন কীভাবে বড় মঞ্চে পারফরম্যান্স করতে হবে, সাফল্য কীভাবে আসবে। দিল্লি ক্যাপিটালস শিবিরে অনেকটা সময় দাদির সঙ্গে কাটিয়েছিল।কীভাবে কোথায় বল ফেললে সাফল্য আসবে সেটা সব সময় দেখিয়ে দিতেন, সব সময় ক্রিকেটের কথা বলতেন।'

শুধু দাদি নয়, এমন দিনে প্রয়াত বাবাকে নিয়েও আবেগতাড়িত মুকেশ। গতবছর ব্রেন স্ট্রোকে মারা যান মুকেশের বাবা কাশীনাথ। নিজে ট্যাক্সি চালালেও, মুকেশকে সরকারি চাকরির জন্য পড়াশোনা করার কথা বলতেন। কিন্তু পুত্রের টেস্ট দলে সুযোগ পাওয়টা দেখে যেতে পারলেন না।












Click it and Unblock the Notifications