চাপেও বরফ শীতল, অনভিজ্ঞ দল নিয়ে ২০০৭ টি-২০ বিশ্বকাপ জিতে অধিনায়ক হিসেবে আগমন জানিয়েছিলেন ধোনি
চাপেও বরফ শীতল, অনভিজ্ঞ দল নিয়ে ২০০৭ টি-২০ বিশ্বকাপ জিতে আগমন জানিয়েছিলেন ধোনি
গানে গানে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটকে চিরবিদায় জানিয়ে দিলেন দেশের প্রাক্তন অধিনায়ক মহেন্দ্র সিং ধোনি। আজ ৭.২৯ মিনিটে ইনস্টাগ্রামে একটি পোস্ট করেন মাহি। স্বাধীনতা দিবসের দিন এই পোস্টের পরই দেশের ক্রিকেট ফ্যানেদের মধ্যে হইচই। পোস্টে ধোনি লেখেন, 'এখন থেকে আমি অবসৃত! এতদিন ধরে ক্রিকেটার হিসেবে আমাকে ভালোবাসা ও সম্মান দেওয়ার জন্য কৃতজ্ঞতা জানাই।'

ধোনিকে নিয়ে নস্ট্যালজিক নেট নাগরিকরা
স্বাধীনতা দিবসের দিন ফ্যানেদের অবাক করে হঠাৎই অবসর ঘোষণা করে দেওয়ায় ধোনিকে নিয়ে নস্ট্যালজিক নেট দুনিয়া। টুইট থেকে ইনস্টাগ্রাম, সোশ্যাল মিডিয়ায় বিভিন্ন মাধ্যমে ফ্যানেরা ধোনির ক্রিকেট জীবনের সেরা মুহূর্তে তুলে ধরেছেন। সেই তালিকায় অবশ্যই শীর্ষে ধোনির টি-২০ ক্রিকেট বিশ্বকাপ জয়।

অনভিজ্ঞ দল নিয়ে বিশ্বকাপ জিতে নজরে এসেছিলেন ধোনি
সালটা ২০০৭! ভারতীয় ক্রিকেটে তখন যুগ পরিবর্তনের সময়। একদিকে ওয়েস্ট ইন্ডিজের মাটিতে ভারত পঞ্চাশ ওভারের ক্রিকেট বিশ্বকাপ হেরে ফিরেছে। বিশ্বকাপে বাংলাদেশের বিরুদ্ধে ম্যাচ হেরে টুর্নামেন্ট থেকে ছিটকে গিয়েছিল মেন ইন ব্লু। যারপর ভারতীয় ক্রিকেটারদের ফ্যানেদের রোষের মুখে পড়তে হয়। এরপর দক্ষিণ আফ্রিকার মাটিতে একেবারে নতুন দল বেছে নিয়ে তরুণ ক্রিকেটার ধোনির হাতে নির্বাচকরা ক্যাপ্টেন্সির দায়িত্ব তুলে দিয়েছিলেন। অধিনায়ক হিসেবে সেই শুরু। এরপর আর ধোনিকে পিছন ফিরে তাকাতে হয়নি।

কুল কুল মাথায় অঙ্ক কষে ক্যাপ্টেন্সি
অধিনায়ক ধোনি একাধিক সাক্ষাৎকারে জানিয়েছেন, নেতৃত্ব দেওয়ার সময় তিনি ঝুঁকি নিতে ভালবাসতেন! কিন্তু সেটা একেবারেই অঙ্ক কষে। ম্যাচকে শেষ বল পর্যন্ত নিয়ে যাওয়ার তত্ত্বে বিশ্বাস করতেন ধোনি। এখানেই ফিনিশার ধোনির পরিচয়। শুধু ব্যাটিং করার সময় নয়, ফিল্ডিংয়ের সময়ও ম্যাচকে শেষ বল পর্যন্ত নিয়ে যেতেন। এভাবেই পাকিস্তানের বিরুদ্ধে টি-২০ বিশ্বকাপের গ্রুপের ম্যাচ জিতেছিলেন। যেখানে হাতের বাইরে চলে যাওয়া ম্যাচে ধোনির অধিনায়কত্বে ভারত ১৪১ রানের পুঁজি নিয়ে শেষ পর্যন্ত বোল আউটে লড়াই টাই করে পাকিস্তানের সঙ্গে এক পয়েন্ট ভাগাভাগি করে নিয়েছিল।

যোগিন্দর শর্মাকে দিয়ে বিশ্বকাপের ফাইনাল ওভার করানো
ধোনির ঠান্ডা মাথার অধিনায়কত্বের কথা বললেই, ২০০৭ সালের জোহানেসবার্গ ফাইনালের কথা মনে পরে। বিশ্বকাপ ফাইনালে মুখোমুখি পাকিস্তান। শেষ ওভারে পাকিস্তানের জয়ের জন্য ১৩ রান প্রয়োজন ছিল। সেই সময় মিডিয়াম পেসার যোগিন্দর শর্মার হাতে বল তুলে দিয়েছিলেন ধোনি।

ধোনির যুক্তি কী ছিল
এই নিয়ে ধোনি পরে বলেছিলেন, সেই সময় হরভজন ও শর্মার বোলিংয়ের কোট পরে ছিল। হরভজন আত্মবিশ্বাসী ছিলেন না। ভাজ্জির সঙ্গে ধোনি কথাও বলেন! ভাজ্জির নার্ভ শক্ত নেই বুঝেই যোগির হাতে বল তুলে দিয়ে ঝুঁকি নিয়েছিলেন ধোনি। ওভারের দ্বিতীয় বলে পাকিস্তানের হয়ে মিসবা ছক্কা হাঁকিয়ে ম্যাচকে ৪ বলে ৬ রানের গণ্ডিতে নিয়ে আসেন। এরপরই ফাইন লেগে শ্রীসন্থের হাতে ক্যাচ দিয়ে মিসবা আউট হন। ৫ রানে ম্যাচ জিতেছিল ভারত।












Click it and Unblock the Notifications