Mohammed Shami: মহম্মদ শামি ফের ধাক্কা খেলেন, চোট সমস্যায় ভারতীয় দলে ফেরা নিয়ে বড় অনিশ্চয়তা
Mohammed Shami: মহম্মদ শামি কি পারবেন ভারতীয় দলে প্রত্যাবর্তন করতে? এটাই এখন বড় প্রশ্ন হয়ে দেখা দিচ্ছে। একের পর এক চোট শামির কেরিয়ারে প্রতিবন্ধকতা তৈরি করে চলেছে।
শামির রঞ্জিতে বাংলা-কর্ণাটক ও বাংলা-মধ্যপ্রদেশ ম্য়াচে খেলার কথা ছিল। তাতে অস্ট্রেলিয়া সিরিজের তৃতীয় টেস্ট খেলার পথ খোলা থাকতো। কিন্তু বাংলার ঘোষিত দলে শামিকে না দেখতে পেয়ে চর্চা শুরু হয়।

একটি সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমের দাবি, শামি ফের চোটের কবলে পড়েছেন। এবারের সমস্যা সাইড স্ট্রেন। ন্যাশনাল ক্রিকেট আকাদেমি থেকে তিনি বাড়িও ফিরেছেন বলে জানতে পারা যাচ্ছে। অনুশীলনের ফাঁকে নলের সাহায্যে মুখ ধুতে দেখা গিয়েছিল একটি ভিডিওতে, সেটি ইনস্টাগ্রাম থেকে শামি ডিলিটও করেছেন।
গত বছর বিশ্বকাপের পর থেকেই আর ক্রিকেট মাঠে দেখা যায়নি শামিকে। গোড়ালির সমস্যা দূর করতে শামিকে শেষ অবধি অস্ত্রোপচারের পথে হাঁটতে হয়েছিল। তারপর থেকেই মাঠে ফিরে আসার লক্ষ্যে রিহ্যাব চলছিল জোরকদমে।
মনে করা হচ্ছিল, অস্ট্রেলিয়া সফরের আগে শামি দেশের মাটিতে নিউজিল্যান্ড সিরিজে খেলতে পারবেন। তার আগে ঘরোয়া ট্রফিতে খেলার কথা ছিল। দলীপ ট্রফি, ইরানি কাপ, রঞ্জি ট্রফির মতো টুর্নামেন্ট খেলেই ভারতীয় দলে জায়গা পাওয়া যাবে, এই বার্তা পেয়েছিলেন শামিও। কিন্তু মাঠে ফেরা হয়নি।
ওয়ার্কলোড ক্রমাগত বাড়িয়ে বোলিং করা শুরু করলেও এনসিএ থেকে ম্যাচ খেলার ছাড়পত্র পাননি শামি। জানা যায়, রিহ্যাব চলাকালীনই ফের হাঁটুতে চোট পেয়েছেন। সেই অনুযায়ী শামিকে ফিট করার প্রস্তুতি চলতে থাকে। শামি নিজেও জানিয়েছিলেন দ্রুত মাঠে ফিরতে মুখিয়ে আছেন।
বেঙ্গালুরু টেস্টে ভারত হেরে যাওয়ার পর চিন্নাস্বামী স্টেডিয়ামে নেটে ভারতের সহকারী কোচ অভিষেক নায়ারকে বল করতে দেখা গিয়েছিল শামিকে। শামির বোলিংয়ে নজর রাখছিলেন ভারতীয় দলের বোলিং কোচ মর্নি মরকেল। এমনটাও জানা গিয়েছিল, শামি রঞ্জিতে কেরল ম্যাচে খেলবেন।
কিন্তু কেরল ম্যাচেও তাঁকে পাওয়া যায়নি। কর্ণাটক ও মধ্যপ্রদেশের বিরুদ্ধে ম্যাচেও খেলতে পারবেন না শামি। এখনই রঞ্জি খেলার অনুমোদন না পাওয়ায়। ২৩ নভেম্বর থেকে শুরু হয়ে যাবে সৈয়দ মুস্তাক আলি ট্রফি। ফলে প্রথম শ্রেণির ক্রিকেট না থাকায় অস্ট্রেলিয়া সিরিজে শামির খেলার সম্ভাবনা শেষ।
শামিকে বর্ডার-গাভাসকর ট্রফির দলে রাখা হয়নি। তবুও রঞ্জির পারফরম্যান্সে সন্তুষ্ট করতে পারলে তাঁর অস্ট্রেলিয়া সিরিজের তৃতীয় টেস্টের দলে রাখার পরিকল্পনা ছিল। আগামী বছর আইপিএলের পর আইসিসি বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপ ফাইনাল।
সেই ফাইনালের পর ইংল্যান্ডে পাঁচ টেস্টের সিরিজ। কিন্তু তাতেও শামি জায়গা করে নিতে পারবেন কিনা সেটাই বড় প্রশ্ন। কারণ, অস্ট্রেলিয়া সফরে শামির অনুপস্থিতিতে তরুণ বোলাররা সাফল্য পেলে শামির প্রত্যাবর্তন কঠিন হয়ে যাবে, এটা মানতে দ্বিধা নেই।
সৈয়দ মুস্তাক আলি টি২০-তে বাংলার প্রথম ম্য়াচ ২৩ নভেম্বর পাঞ্জাবের বিরুদ্ধে। শামিকে ধরে রাখেনি গুজরাত টাইটান্সও। সাইড স্ট্রেনের সমস্যা কাটিয়ে শামি যদি এই টুর্নামেন্টে খেলার সুযোগ পান, তাহলে ২৪ ও ২৫ নভেম্বর আইপিএল নিলামের আগে বল হাতে নজর কেড়ে ১০ দলের কর্তাদের নজর কাড়তে চাইবেন। তবে শামির ভবিষ্যৎ নির্ভর করছে অনেক যদি-কিন্তুর উপরেই।












Click it and Unblock the Notifications