Mohammed Shami: ভারতীয় দলে ফেরার আগে বাংলার হয়ে খেলবেন, জানিয়ে দিলেন শামি
Mohammed Shami: মহম্মদ শামিকে বাংলার গৌরব পুরস্কার দিল ইস্টবেঙ্গল ক্লাব। ইস্টবেঙ্গলের তরফে তাদের ক্লাবের হয়ে খেলার প্রস্তাবও পেলেন ভারতীয় পেসার।
তবে ক্লাব ক্রিকেটে খেলা নিয়ে এদিনই কোনও নিশ্চয়তা না দিলেও শামি জানিয়ে দিলেন, আসন্ন মরশুমে বাংলার হয়ে ২-৩টি ম্যাচ তিনি খেলবেন।

শামি বলেন, আমার জন্ম উত্তরপ্রদেশে। কিন্তু বাংলা থেকেই আমি অনেক বেশি কিছু পেয়েছি। এই রাজ্য আমাকে পরিচয় দিয়েছে। আপন করে নিয়েছে। আমার যেটুকু খ্যাতি হয়েছে তা বাংলার হয়ে খেলেই। বাংলা যা দিয়েছে তা ইউপি থেকে পাইনি। এটা জীবনভর মনে রেখে কৃতজ্ঞ থাকব।
উত্তরপ্রদেশ থেকে এসে ডালহৌসিতে প্রথম খেলেন শামি। পরে টাউন ক্লাবে। শামি বলেন, বাইরে থেকে এলে বিশ্বাস, আস্থা অর্জনে কিছুটা সময় লাগে। তবে দাদি (সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়), লক্ষ্মীকে (লক্ষ্মীরতন শুক্লা)-কে পাশে পেয়েছি। সেই আস্থার মর্যাদা রাখতে পেরেছি। বাংলার নাম গর্বের সঙ্গে বলি। নিজেকে বাঙালি বলি।
ইস্টবেঙ্গল ক্লাবের তরফে তাদের হয়ে ক্লাব ক্রিকেটে খেলার প্রস্তাব দেওয়া হলে শামি বলেন, ইস্টবেঙ্গল, মোহনবাগান, কালীঘাট, স্পোর্টিংয়ের মতো ক্লাবগুলিতে সকলেই খেলতে চায়। ভারতীয় দলে প্রত্যাবর্তনের আগে বাংলার হয়ে খেলব। লক্ষ্মী হেড কোচ, তাঁর সঙ্গে খেলেছি, এবার তাঁর কোচিংয়ে খেলব।
ভারতীয় দলের হয়ে অস্ট্রেলিয়ায় টেস্ট সিরিজে কামব্যাক করার লক্ষ্য নিয়েই এগিয়ে চলেছেন শামি। জানালেন, প্রথম যখন চোট লেগেছিল তখন ভাবিনি তা এতটা বড় মাপের। বিশ্বকাপের শেষে চোট নিয়ে কী করা যায় তা দেখার পরিকল্পনা ছিল।
কিন্তু বিশ্বকাপ চলাকালীনই চোট বড় আকার ধারণ করে। তবে তা থেকে সেরে উঠতে যা সময় লাগছে ততটা লাগবে প্রথমে তিনি বা চিকিৎসক কেউই ভাবেননি। এখন যেভাবে রিহ্যাব চলছে তাতে খুশি শামি। তিনি বলেন, দেশের হয়ে আপাতত খেলাই লক্ষ্য। তারপর তো বাংলার মাটি রইল।
কঠিন সময় পেরিয়ে কামব্যাক করাই লক্ষ্য। শামির আক্ষেপ রয়েছে টি২০ বিশ্বকাপ খেলতে না পারার। তিনি বলেন, আইপিএলের পর টি২০ বিশ্বকাপ খেলতে পারলাম না। ফাইনালে শেষ পাঁচ ওভারে মাথায় ঘুরছিল ২০২৩-এর বিশ্বকাপ ফাইনালের কথা। ফের কি হারতে হবে? এই দুশ্চিন্তা জাঁকিয়ে বসেছিল। কিন্তু সূর্যকুমার যাদবের নেওয়া ক্যাচকেই টার্নিং পয়েন্ট বলে মানছেন শামি। বললেন, বিশ্বকাপ জিতেছি এই ব্যাপারে নিশ্চিত হতে প্রায় পাঁচ মিনিট লেগেছিল ধাতস্থ হতে।
২০২৩ সালের বিশ্বকাপ ফাইনালে হারের পর ড্রেসিংরুমে গিয়ে শামিকে বুকে টেনে নিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। তাঁর কথায়, তখন আমাদের মনোবল তলানিতে ছিল। কিন্তু ওই সময় প্রধানমন্ত্রী যা করেছেন বা কোনও রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী যদি ক্রীড়াবিদদের কাছে এভাবে যান, তাহলে তাঁদের বুক চওড়া হয় এটা ভেবে যে, আমাদের পাশে সকলে আছেন।
শামি এদিন জানান, সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায় গ্রেট ক্যাপ্টেন। দাদি আর সচিন তেন্ডুলকরের ওপেনিং দেখে ক্রিকেটের প্রতি আকৃষ্ট হই। আর দেখতাম জাহির খানের বোলিং। পরে কয়েকটি ম্য়াচে দাদির সঙ্গে খেলার সৌভাগ্য হয়েছে।












Click it and Unblock the Notifications