Mohammed Azharuddin: আজহারকে তলব করল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট, কোটি কোটি টাকা গরমিলের অভিযোগ
Mohammed Azharuddin: মহম্মদ আজহারউদ্দিনকে ইডি-র তলব। আজ কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা প্রাক্তন ভারত অধিনায়ককে তলব করেছে বলে জানা গিয়েছে।
আজহার হায়দরাবাদ ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি থাকাকালীন কয়েক কোটি টাকার আর্থিক দুর্নীতি হয়েছে বলে অভিযোগ। ফলে মানি লন্ডারিং মামলার তদন্ত শুরু করেছে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট।

আজহার কংগ্রেসেরও নেতা। ফলে ইডি-র তাঁকে তলব করা নিয়ে রাজনৈতিক তরজাও শুরু হয়েছে। এই প্রথম আজহারকে তলব করল কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। উপ্পলে রাজীব গান্ধী ইন্টারন্যাশনাল ক্রিকেট স্টেডিয়ামে বেশ কিছু সরঞ্জাম কেনার খাতে ২০ কোটি টাকা গরমিলের অভিযোগ।
স্টেডিয়ামের ডিজেল জেনারেটর, অগ্নিনির্বাপণের বন্দোবস্ত করতে প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম ও ক্যানোপি কেনার জন্য যে অর্থ বরাদ্দ হয়েছিল তাতেই দুর্নীতি হয়েছে বলে অভিযোগ। এই আর্থিক দুর্নীতির তদন্তে নেমে গত নভেম্বর মাসে হায়দরাবাদ ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশনে তল্লাশিও চালিয়েছিল ইডি।
তেলঙ্গানা অ্যান্টি কোরাপশন ব্যুরোর দায়ের করা তিনটি এফআইআর ও চার্জশিট থেকে মানি লন্ডারিংয়ের বিষয়টি উঠে আসে। ২০২২ সালের প্রিভেনশন অব মানি লন্ডারিং অ্যাক্টের নিয়ম মেনে তেলঙ্গানায় গত নভেম্বরে ৯টি জায়গায় তল্লাশি চালায় ইডি। আগে এইচসিএর সভাপতি, সহ সভাপতি ও সচিবের দায়িত্ব সামলানো গদ্দাম বিনোদ, শিবলাল যাদব, আরশাদ আয়ুবের বাড়িতেও তল্লাশি চলেছিল।
এসএস কনসালট্যান্টস প্রাইভেট লিমিটেডের অফিস এবং এই সংস্থার এমডি সত্যনারায়ণের বাড়িতেও তল্লাশি চালানো হয়েছিল। এই তল্লাশি অভিযানে বেশ কিছু ডিজিটাল ডিভাইস, নথির পাশাপাশি ১০.৩৯ লক্ষ টাকা বাজেয়াপ্ত করা হয়। স্টেডিয়ামের কাজ ইচ্ছাকৃতভাবে দেরি করিয়ে সংস্থাকে লোকসানের মুখে ফেলে আর্থিক দুর্নীতি চালানো হয়েছিল বলে অভিযোগ।
গত বছর অক্টোবরে হায়দরাবাদ পুলিশের কাছে দায়ের করা হয়েছিল চারটি ফৌজদারি মামলা। তার থেকেই মানি লন্ডারিংয়ে বিষয়টি সামনে আসায় তার তদন্তে নামে ইডি। আজহার সভাপতি থাকার সময় এইচসিএ কর্তাদের বিরুদ্ধে বিশ্বাসভঙ্গ, প্রচারণা, জালিয়াতি, ষড়যন্ত্রের অভিযোগ উঠেছিল। ২০২০ সালের মার্চ থেকে ২০২৩-এর ফেব্রুয়ারি অবধি এইচসিএ-র ফরেন্সিক অডিট করানো হয়। তারপর এইচসিএ সিইও সুনীল কান্তে বোস অভিযোগ দায়ের করেন।
আজহার অবশ্য যাবতীয় অভিযোগ ভিত্তিহীন ও রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে দাবি করেছিলেন। তাঁর প্রতিপক্ষরা তাঁর সুনাম নষ্টের চেষ্টা করছেন বলেও মন্তব্য করেন আজহার। গত নভেম্বরে চারটির মধ্যে তিনটি মামলায় আজহারকে অন্তর্বর্তীকালীন জামিন দিয়েছিল হায়দরাবাদের আদালত। তারপরই ৯ জায়গায় তল্লাশি চালায় ইডি। বেশ কয়েক মাস অপেক্ষার পর আজ আজহারকে তলব করা হলো।












Click it and Unblock the Notifications