Mohammad Shami-Hasin Jahan Case: সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে হাসিনের স্বস্তি, গ্রেফতার হবেন শামি?
Mohammad Shami-Hasin Jahan case: সুপ্রিম কোর্টে বড়সড় স্বস্তি পেলেন হাসিন জাহান। চার বছরের বেশি সময় ধরে ভারতীয় দলের তারকা ক্রিকেটার মহম্মদ শামি এবং তাঁর স্ত্রী হাসিন জাহানের মধ্যে চলছে আইনি লড়াই। কিন্তু এখনও সেই মামলার কোনও নিষ্পত্তি হয়নি। এই পরিস্থিতিতে বৃহস্পতিবার সুপ্রিম কোর্টের রায় কিছুটা হলেও স্বস্তি দেবে হাসিনকে।
শীর্ষ আদালত এদিন আলিপুর সেশন কোর্টকে নির্দেশ দিয়েছে, হাসিন-শামি মামলার শুনানি করতে হবে এক মাসের মধ্যে। চার বছরের বেশি সময় ধরে কেস ঝুলে রয়েছে। প্রধান বিচারপতি ডিওয়াই চন্দ্রচূড়ের নেতৃত্বাধীন তিন বিচারপতির বেঞ্চ এই নির্দেশ দিয়েছে।

বৃহস্পতিবার শামি এবং হাসিন জাহানের মধ্যে চলা মামলার শুনানি ছিল। সেখানে বিচারপতি ডিওয়াই চন্দ্রচূড়, বিচারপতি পিএস নরসীমা, বিচারপতি মনোজ মিশ্রার ভিডিশন বেঞ্চ দুই পক্ষের সওয়াল জবাবের পর আলিপুর সেশন কোর্টকে একমাসের মধ্যে এই মামলার শুনানি করার নির্দেশ দেন।
শামির গ্রেফতারি পরোয়ানায় স্থগিতাদেশের বিরুদ্ধে ও বিচার প্রক্রিয়ায় বিলম্বিত হওয়ার অভিযোগ তুলে গত মে মাসে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হন হাসিন জাহান। নিন্ম আদালতে তিনি সুবিচার পানন বলেই মনে হয়েছে হাসিন জাহানের। বৃহস্পতিবার হাসিনের আবেদনের শুনানির সময় সুপ্রিম কোর্ট আলিপুর জেলা আদালতের বিচারককে প্রয়োজনীয় নির্দেশ দিয়েছে। হাসিনের মামলার শুনানি এক মাসের মধ্যে করার নির্দেশ দিয়েছে শীর্ষ আদালত।

শামির বিরুদ্ধে একের পর এক অভিযোগ রয়েছে হাসিনের। বিবাহ বহির্ভূত সম্পর্ক, গার্হস্থ হিংসা, যৌনকর্মীদের সঙ্গে সম্পর্ক-সহ একাধিক অভিযোগ শামির বিরুদ্ধে করেছিলেন হাসিন জাহান।
যদিও এরআগে মামলাতে বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই স্বস্তি পেয়েছিলেন ভারতীয় দলের তারকা ক্রিকেটার। হাসিন অবশ্য হাল ছাড়েননি। তিনি এখনও ন্যায়বিচারের আশায় লড়াই জারি রেখেছেন।
২০১৯ সালে আলিপুর আদালতে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি হয় শামির নামে। তারপরেই পাল্টা চ্যালেঞ্জ করেন টিম ইন্ডিয়ার ক্রিকেটার। তবে সেই মামলা এখনও মেটেনি। এবার শামির লিভ পিটিশনের বিরুদ্ধে সুপ্রিমকোর্টে দ্বারস্থ হয়েছেন হাসিন।
এর আগে বিবাহ বহির্ভূত সম্পর্কের অভিযোগ শামির বিরুদ্ধে করেছিলেন হাসিন। কিন্তু সুবিচার পানি। সেই একই অভিযোগ তিনি জানিয়েছেন দেশের শীর্ষ আদালতে।

তবে এক ধাপ এগিয়ে হাসিন অভিযোগ করেছেন, ভারতীয় দলের খেলার সময় যৌনকর্মীদের সঙ্গে সম্পর্ক ছিল শামির। ভারতীয় দলের ক্রিকেটারের কাছে দুটি মোবাইল থাকতো। দ্বিতীয় মোবাইলটি দিয়ে তিনি যৌনকর্মীদের সঙ্গে যোগাযোগ করতেন। যে ফোনটি ইতিমধ্যেই কলকাতা পুলিশ বাজেয়াপ্ত করেছে।'
এরই মধ্যে আদালত শামিকে খোরপোষ দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছিল। এমনকী মেয়ের পড়াশোনার জন্য টাকা দিতে হয় ভারতীয় দলের ক্রিকেটারকে।












Click it and Unblock the Notifications