ন্যাটওয়েস্ট ট্রফির ফাইনালে সৌরভের ড্রেসিং রুম পেপটক স্মরণ নায়ক কাইফের
ন্যাটওয়েস্ট ট্রফির ফাইনালে ড্রেসিং রুমে সৌরভের পেপটক স্মরণ নায়ক কাইফের
২০০২ সালের ঐতিহাসিক ন্যাটওয়েস্ট ট্রফির ফাইনালে স্মরণীয় জয় পেয়েছিল সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায় নেতৃত্বাধীন টিম ইন্ডিয়া। সেই ম্যাচের অন্যতম নায়ক তথা প্রাক্তনী মহম্মদ কাইফ স্মরণ করলেন ইনিংস ব্রেকে মুষড়ে পড়া ভারতীয় দলকে ড্রেসিং রুমে কীভাবে চাঙা করেছিলেন অধিনায়ক সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়। জেনে নেওয়া যাক সেই ঘটনা।

কী বলেছিলেন সৌরভ
১৮ বছর আগে ওয়ান ডে ক্রিকেটে ৩০০ ও তার বেশি রানের লক্ষ্য তাড়া করা মুখের কথা। সেখানে লর্ডসের মতো মাঠে ইংল্যান্ডের দেওয়া ৩২৬ রানের লক্ষ্য কীভাবে পেরোনো সম্ভব, সেই চিন্তায় মুষড়ে পড়েছিলেন ভারতীয় ক্রিকেটাররা। ড্রেসিং রুমের এক কোণায় দাঁড়িয়ে ছিলেন কোচ জন রাইট। কিন্তু অধিনায়ক সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায় হাল ছাড়ার পাত্র ছিলেন না বলে জানিয়েছেন সেই ম্যাচের নায়ক মহম্মদ কাইফ। বলেছেন, সব খেলোয়াড়কে এক জায়গায় ডেকে দাদা নাকি বলেছিলেন প্যানিক করার দরকার নেই। ইনিংসের শুরুটা ভালো হওয়া দরকার। ঠিক তেমনটা হওয়ায় তিনি উদ্বুদ্ধ হয়েছিলেন বলে জানিয়েছেন কাইফ।

ঠিক সেটাই হয়েছিল
ইংল্যান্ডের দেওয়া ৩২৬ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরুটা দুর্দান্ত করেছিলেন ওপেনার সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায় ও বীরেন্দ্র শেহওয়াগ। দুই ব্যাটসম্যানের মধ্যে ১০৬ রানের পার্টনারশিপ হয়ছিল। ৪৩ বলে ৬০ রানের ঝড়ো ইনিংস খেলেছিলেন মহারাজ। ৪৯ বলে ৪৫ রান করেছিলেন শেহওয়াগ।

টিম ইন্ডিয়ার ব্যাটিং ধস
সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায় ও বীরেন্দ্র শেহওয়াগ আউট হওয়ার টিম ইন্ডিয়ার ব্যাটিং অর্ডারে ধস নেমে গিয়েছিল। পরপর সাজঘরে ফিরে গিয়েছিলেন দীনেশ মোঙ্গিয়া (৯), রাহুল দ্রাবিড় (৫) ও সচিন তেন্ডুলকর (১৪)। তবু সেই ম্যাচ জিতেছিল ভারত।

কাইফ ও যুবরাজের পার্টনারশিপ
১৪৬ রানে ৫ উইকেট হারিয়ে ফেলেছিল টিম ইন্ডিয়া। ঠিক তখনই ক্রিজে নেমেছিলেন মহম্মদ কাইফ। প্রথম দিকের নড়বড়ে ভাব কাটিয়ে তিনি যুবরাজের সঙ্গে ১২১ রানের পার্টনারশিপ করেছিলেন। ৬৩ বলে ৬৯ রান করেছিলেন যুবি। ৭৫ বলে ৮৭ রানের অপরাজিত ইনিংস খেলে ম্যাচ জিতিয়ে মাঠ ছেড়েছিলেন কাইফ।












Click it and Unblock the Notifications