কোরানের দোহাই দিয়ে ফের কাইফকে অপমান, সোশ্যাল মিডিয়ায় ফের ঝড়
মহম্মদ কাইফকে ফের অপমান করা হল সোশ্যাল মিডিয়ায়
ফের সোশ্যাল মিডিয়ায় হেনস্তার শিকার মহম্মদ কাইফ। মঙ্গলবার দিন সুপ্রিম কোর্টের ঐতিহাসিক রায়ে গোটা দেশ জুড়ে আলোড়ন। তিন তালাক নিয়ে সর্বোচ্চ আদালতের রায়ে অনেক বেশি সুরক্ষা পেলেন মুসলিম মহিলারা-এমনটাই মনে করছে দেশের প্রগতিশীল অংশ। এর থেকে বাদ যাননি প্রাক্তন ভারতীয় ক্রিকেটার মহম্মদ কাইফও।

মঙ্গলবার শীর্ষ আদালতের পাঁচ বিচারপতির সাংবিধানিক বেঞ্চ জানিয়ে দেয়, আগামী ৬ মাস তিন তালাক দেওয়া যাবে না। তবে তালাক প্রথা পুরোপুরি নিষিদ্ধ করার দায় এখন সরকারের কোর্টে। এই ৬ মাসের মধ্যে সরকারকে মুসলিমদের ডিভোর্স সংক্রান্ত আইন আনতে হবে। এই সময়ের মধ্যে কোনও মুসলিম স্বামী তাঁর স্ত্রীকে তালাক দিতে পারবেন না বলেই জানিয়ে দেয় সর্বোচ্চ আদালত। টুইটারে এই রায়কেই স্বাগত জানান কাইফ। তিন তালাককে অসাংবিধানিক বলে তিনি মন্তব্য করেন, এই রায়ের মাধ্যমে মুসলিম নারীদের নিরাপত্তা সংরক্ষিত হবে। লিঙ্গবৈষম্য দূর করা খুবই প্রয়োজন।
<blockquote class="twitter-tweet blockquote" data-lang="en"><p lang="en" dir="ltr">Welcome decision by Supreme Court to declare <a href="https://twitter.com/hashtag/TripleTalaq?src=hash">#TripleTalaq</a> unconstitutional. Will give Muslim women security. Gender justice is much needed</p>— Mohammad Kaif (@MohammadKaif) <a href="https://twitter.com/MohammadKaif/status/899948655993511937">August 22, 2017</a></blockquote> <script async src="//platform.twitter.com/widgets.js" charset="utf-8"></script>কাইফের এই টুইটকে ফের একহাত নিয়েছেন ধর্মান্ধ কিছু মানুষজন। কোরান ও ইসলামের দোহই দিয়ে ফের তাঁরা ক্ষোভ উগড়ে দিয়েছেন কাইফের বিরুদ্ধে।



সোশ্যাল মিডিয়ায় এর আগেও হেনস্তার শিকার হয়েছেন প্রাক্তন ভারতীয় ক্রিকেটার। কখনও স্ত্রী-র সঙ্গে ছবি দিয়ে, কখনও আবার ছেলের সঙ্গে ছবি দিয়ে।












Click it and Unblock the Notifications