'স্যান্ডপেপার' কাণ্ডে কামিন্স-স্টার্কদের জবাবে অখুশি ক্লার্ক, জানতে চান গোটাটাই
'স্যান্ডপেপার' কাণ্ডে কামিন্স-স্টার্কদের জবাবে অখুশি ক্লার্ক, জানতে চান গোটাটাই
২০১৮ সালের কুখ্যাত বল বিকৃতি কাণ্ডে তাঁদের নাম জড়িয়ে পড়তেই সমস্বরে প্রতিবাদে মুখর হন অস্ট্রেলিয়ার ফাস্ট বোলাররা। সততা প্রশ্নে বড়সড় বিবৃতিই লিখে ফেলেন প্যাট কামিন্স, মিচেল স্টার্ক, জশ হ্যাজেলউডরা। তার বয়ানে খুব একটা সন্তুষ্ট হতে পারেননি অস্ট্রেলিয়ার বিশ্বকাপজয়ী অধিনায়ক মাইকেল ক্লার্ক। ঠিক কী বলেছেন তিনি।

কী বলছেন ক্লার্ক
'স্যান্ডপেপার' কাণ্ড অস্ট্রেলিয় ফাস্ট বোলারদের যৌথ বিবৃতির বয়ানে সন্তুষ্ট হতে পারেননি মাইকেল ক্লার্ক। তাঁর কথায়, প্যাট কামিন্স, মিচেল স্টার্ক ও জশ হ্যাজেলউড যা লিখেছেন, তাতে অনেক কিছুই বাকি থেকে যাচ্ছে। ২০১৮ সালের বল বিবৃতি কাণ্ডের এখনও অনেক তথ্য এবং সমীকরণ তাঁর সামনে স্পষ্ট নয় বলেও জানিয়েছেন অস্ট্রেলিয়ার বিশ্বকাপজয়ী প্রাক্তন অধিনায়ক। তাঁর বক্তব্য, খুব বুদ্ধিমত্তার সঙ্গে বিবৃতিতে তৈরি করেছেন কামিন্সরা। তাতে আসল সত্যটাই চাপা পড়ে গিয়েছে বলে মনে করেন ক্লার্ক। উল্লেখ্য এর আগেও এই ইস্যুতে সরব হয়েছিলেন প্রাক্তন অজি ক্রিকেটার। তাই যৌথ বিবৃতিতে তাঁকে আক্রমণ করতে ছাড়েননি কামিন্স-স্টার্করা।

অস্ট্রেলিয় বোলারদের প্রতিবাদ
২০১৮ সালের কুখ্যাত স্যান্ডপেপার কাণ্ডে তাঁদের নাম জড়িয়ে দেওয়ার প্রচেষ্টা অনুভব করেই প্রতিবাদে মুখর হয়েছেন অস্ট্রেলিয়া ক্রিকেট দলের ফাস্ট বোলার প্যাট কামিন্স, মিচেল স্টার্ক ও জশ হ্যাজেলউড। সততা নিয়ে প্রশ্ন ওঠায় মঙ্গলবার রীতিমতো বিবৃতি জারি করে নিন্দুকদের মুখ বন্ধ করার চেষ্টা করেছেন অজি বোলিং বিভাগের ত্রয়ী।

কামিন্স-স্টার্ক-হ্যাজেলউডের মিলিত বিবৃতি
তিনি তারকার মিলিত বিবৃতির শুরুতেই জানানো হয়েছে যে তাঁরা নিজেদের সততা নিয়ে গর্ব বোধ করেন। ২০১৮ সালের কেপটাউন টেস্টের দুর্নীতির প্রসঙ্গ উত্থাপন করে সংবাদমাধ্যম ও কিছু প্রাক্তন ক্রিকেটারের সুনির্দিষ্ট আক্রমণে তাঁরা হতাশ বলেও জানিয়েছেন তিন অস্ট্রলিয় ফাস্ট বোলার। বক্তব্য, এ ব্যাপারে তাঁরা আগেও একাধিকবার প্রশ্নের উত্তর দিয়েছেন। তখন যা জানিয়েছিলেন এখনও সেই দাবিতেই তাঁরা অনড় কামিন্স-স্টার্ক-হ্যাজেলউড। লাল বলে বিদেশি বস্তু দিয়ে ঘটানো কারসাজি সেদিন তাঁরা অনুধাবন করতে পারেননি বলে ফের দাবি করেছেন ত্রয়ী। মিচেল স্টার্কের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত হওয়া অস্ট্রেলিয়া ক্রিকেট দলের তিন পেসারের বক্তব্য, যে বা যারা মনে করেন যে ২০১৮-এর ওই টেস্টে তাঁদের বলের বিকৃতি বোঝা উচিত ছিল, তাঁদের ধারণায় পরিবর্তন আনা প্রয়োজন। কারণ অভিজ্ঞ আম্পায়ার হওয়া সত্ত্বেও নাইজেল লং ও রিচার্ড ইলিংওর্থের চোখেও প্রাথমিকভাবে সেদিন বলে বেনিয়ম চোখে পড়েনি বলে আরও একবার স্মরণ করিয়েছেন প্যাট কামিন্স, মিচেল স্টার্ক ও জশ হ্যাজেলউড। তাঁদের বক্তব্য, বিদেশি কাগজ দিয়ে ঘষার পর বল পরিবর্তন এতটাই সূক্ষ্ম ছিল যে তা খালি চোখে ধরা পড়া মুশকিল।

ক্যামেরনের পিছপা
পরিস্থিতি নিয়ে ওয়াকিবহাল ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়া এ ব্যাপারে ক্যামেরন ব্যানক্রফটের সঙ্গে কথা বলেন। তবে নিজের বক্তব্যের স্বপক্ষে ডান হাতি ব্যাটসম্যান বোর্ডের ইন্টেগ্রিটি দলকে কোনও নতুন তথ্য দিতে পারেননি বলেই জানা গিয়েছে। স্যান্ডপেপার গেট নিয়ে তিনি খুব একটা গম্ভীরভাবে নিজের বক্তব্য পেশ করেননি বলেও জাানিয়েছেন ক্যামেরন। ফলে ঘটনার জল যে আর বেশিদূর গড়াবে না তা নিশ্চিত।












Click it and Unblock the Notifications