সানরাইজার্স হায়দরাবাদ-সহ ৬ দল সমস্যায়, আইপিএলের শুরু থেকে থাকছেন না কোন দেশের তারকারা?
আইপিএলের শুরু থেকে দক্ষিণ আফ্রিকার ক্রিকেটারদের পাওয়া যাবে না। অন্তত ৬টি দল পড়ল সমস্যায়।
আইপিএল শুরু হচ্ছে ৩১ মার্চ। যদিও নিজেদের প্রথম ম্যাচে ৬টি ফ্র্যাঞ্চাইজি পাচ্ছে না দক্ষিণ আফ্রিকার তারকা ক্রিকেটারদের। এর মধ্যে সানরাইজার্স হায়দরাবাদ আবার অধিনায়ক করেছে এইডেন মার্করামকে। মার্করাম-সহ প্রোটিয়া ক্রিকেটাররা ভারতে এসে পৌঁছবেন ৩ এপ্রিল। তার আগে সব দলই অভিযান শুরু করে ফেলবে।

দক্ষিণ আফ্রিকার তারকারা শুরু থেকে নেই
ক্রিকেট সাউথ আফ্রিকা ইতিমধ্যেই বিসিসিআইকে জানিয়ে দিয়েছে, দক্ষিণ আফ্রিকার প্রথম সারির ক্রিকেটাররা দেশের মাটিতে নেদারল্যান্ডসের বিরুদ্ধে দুটি ম্যাচের একদিনের সিরিজ খেলবেন। ৩১ মার্চ ও ২ এপ্রিল সেই দুটি ম্যাচ হবে বেনোনি ও জোহানেসবার্গে। ডাচদের হারালেই সরাসরি চলতি বছর ভারতে অনুষ্ঠেয় ৫০ ওভারের বিশ্বকাপের মূলপর্বে খেলার যোগ্যতা অর্জন করে ফেলবে দক্ষিণ আফ্রিকা। সেই কারণেই কোনও ঝুঁকি না নিয়ে শক্তিশালী দল নিয়েই প্রোটিয়ারা নামতে চাইছে নেদারল্যান্ডসের বিরুদ্ধে।

ভারতে কবে আসবেন প্রোটিয়া তারকারা?
২ এপ্রিল ওয়ান ডে সুপার লিগের অন্তর্গত ডাচদের বিরুদ্ধে শেষ ম্যাচ খেলেই ভারতে আসবেন দক্ষিণ আফ্রিকার ক্রিকেটাররা। আইপিএলের প্রথম দিন গুজরাত টাইটান্স খেলবে চেন্নাই সুপার কিংসের বিরুদ্ধে। ১ এপ্রিল রয়েছে কিংস ইলেভেন পাঞ্জাব বনাম কলকাতা নাইট রাইডার্স এবং লখনউ সুপার জায়ান্টস বনাম দিল্লি ক্যাপিটালস ম্যাচ। ২ এপ্রিল সানরাইজার্স হায়দরাবাদ বনাম রাজস্থান রয়্যালস এবং রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোর বনাম মুম্বই ইন্ডিয়ান্স ম্যাচ রয়েছে। ৩ এপ্রিল চেন্নাই খেলবে লখনউয়ের বিরুদ্ধে।

ছয় দলের বাড়ল চিন্তা
আইপিএলের ১০টি দলের মধ্যে ৬টিতে রয়েছেন দক্ষিণ আফ্রিকার ক্রিকেটাররা। সানরাইজার্স হায়দরাবাদে অধিনায়ক মার্করামের সঙ্গে আছেন হেইনরিখ ক্লাসেন ও মার্কো জানসেন। দিল্লি ক্যাপিটালসে রয়েছেন আনরিখ নরকিয়া ও লুঙ্গি এনগিডি। মুম্বই ইন্ডিয়ান্সে রয়েছেন ট্রিস্টান স্টাবস ও ডেওয়াল্ড ব্রেভিস। গুজরাত টাইটান্সের হয়ে খেলেন ডেভিড মিলার। লখনউ সুপার জায়ান্টসে রয়েছেন কুইন্টন ডি কক। পাঞ্জাব কিংসে রয়েছেন কাগিসো রাবাডা। গত ডিসেম্বরে নিলামের সঙ্গে বিসিসিআই ফ্র্যাঞ্চাইজিদের জানিয়েছিল ২৯ মার্চ থেকেই দক্ষিণ আফ্রিকার ক্রিকেটারদের পাওয়া যাবে। যদিও কেন নেদারল্যান্ডস সিরিজ দক্ষিণ আফ্রিকার কাছে গুরুত্বপূর্ণ সেটা সবিস্তারে বিসিসিআইকে জানিয়েছে ক্রিকেট সাউথ আফ্রিকা।

বিশ্বকাপের কথা ভেবেই পদক্ষেপ
গত বছরের আইপিএলের সময় দক্ষিণ আফ্রিকা-বাংলাদেশ টেস্ট সিরিজ পড়েছিল। আইপিএলের হয়ে খেলবেন, নাকি দেশের হয়ে তা ঠিক করার বিষয়টি তখন ক্রিকেটারদের উপর ছেড়ে দিয়েছিল ক্রিকেট সাউথ আফ্রিকা। ক্রিকেটাররা আইপিএলকেই বেছে নিয়েছিলেন। যদিও এবার বিশ্বকাপের কথা মাথায় রেখে নেদারল্যান্ডসের বিরুদ্ধে সেরা দল নামানো ছাড়া গতি নেই দক্ষিণ আফ্রিকার। ওডিআই সুপার লিগের প্রথম ৮টি দল সরাসরি বিশ্বকাপের মূলপর্বে চলে যাবে। শেষ পাঁচটি দলকে পাঁচটি অ্যাসোসিয়েট দেশের সঙ্গে কোয়ালিফায়ার খেলতে হবে। দক্ষিণ আফ্রিকা এই মুহূর্তে আছে নয়ে। ওয়েস্ট ইন্ডিজ, শ্রীলঙ্কা ও আয়ারল্যান্ডকে দৌড়ে পিছনে ফেলে প্রথম আটে ঢোকাই লক্ষ্য প্রোটিয়াদের।












Click it and Unblock the Notifications