সিএবি যেন কোভিডপুরী, হোম আইসোলেশনে লক্ষ্ণীরতন শুক্ল, হাসপাতালে ভর্তি অভিষেক ডালমিয়া
দু'দিন আগেই বাংলা দলের সাত সদস্যের কোভিড আক্রান্ত হওয়ার খবর সামনে আসে। এর ৪৮ ঘণ্টা কাটতে না কাটতেই কোভিডে আক্রান্ত হলেন বাংলার অনূর্ধ্ব-২৫ দলের কোচ তথা রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী লক্ষ্ণীরতন শুক্ল। সোমবার দুপুরে আরটিপিসিআর (RT-PCR) টেস্ট হয় লক্ষ্ণীর। পরীক্ষার রিপোর্ট আসার পর জানা যায় কোভিড আক্রান্ত হয়েছেন প্রাক্তন এই ক্রিকেটার।

মৃদু উপসর্গ থাকায় এই মুহূর্তে হোম আইসোলেশনে রয়েছেন বাংলার প্রাক্তন অধিনায়ক শুক্ল। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন লক্ষ্ণীর অবস্থা স্থিতিশীল। পিটিআই-কে শুক্ল বলেছেন, "আমার কোভিড পজিটিভ রিপোর্ট এসেছে এবং এই মুহূর্তে হোম আইসোলেশনে রয়েছি। ডাক্তারের পরামর্শ মতোই চলছি। পরিবারের অন্যান্য সদস্য'রা সুস্থ রয়েছেন।"
শুক্ল পরিবারে কোভিড প্রথমবার হানা দেয় ২০২০ সালের জুলাই মাসে। সে'বার কোভিডে আক্রান্ত হয়েছিলেন লক্ষ্ণীর স্ত্রী স্মিতা সান্যাল শুক্ল। পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, বেশ কয়েক দিন ধরেই জ্বর ছিল লক্ষ্ণীর। পাশাপাশি কিছু সমস্যাও হচ্ছিল। ঝুঁকি না নিয়ে সোমবার তিনি আরটিপিসিআর টেস্ট করান, এর পরই সোমবার রাতে জানা যায় কোভিডের কবলে পড়েছেন তিনি।
ভারতীয় দলের হয়ে মাত্র তিনটি ম্যাচে খেলার সুযোগ হলেও ঘরোয়া ক্রিকেটে পরিচিত মুখ লক্ষ্ণীরতন শুক্ল। প্রথম শ্রেণি'র ম্যাচে ১৩৭টি ম্যাচ খেলেছেন শুক্ল। দীর্ঘদিন বাংলা দলের অধিনায়কত্ব করেছে তিনি। রঞ্জি ট্রফি'তেও বাংলা'কে নেতৃত্ব দিয়েছেন লক্ষ্ণী। আইপিএল-এ ঘরের দল কলকাতা নাইট রাইডার্স ছাড়াও তিনি খেলেছেন দিল্লি ডেয়ারডেভিলস (বর্তমানে দিল্লি ক্যাপিটলস) এবং সানরাইজার্স হায়দরাবাদের হয়ে।
বাংলা দলের শুধু ক্রিকেটার বা কোচ-ই নন, কোভিডের কবলে পড়েছেন ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অব বেঙ্গল (সিএবি)-র সভাপতি অভিষেক ডালমিয়া। সোমবার (৩ জানুয়ারি) অভিষেক ডালমিয়ার করোনা রিপোর্ট পজিটিভ আসে। এই মুহূর্তে তাঁকে ভর্তি করা হয়েছে শহরের এক বেসরকারি হাসপাতালে। চিকিৎসকদের পরামর্শে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে তাঁকে। অভিষেক'কে ককটেল অ্যান্ডিবডি ডোজ দেওয়া হবে।
বড় দিনের পরই কোভিড আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন বিসিসিআই সভাপতি সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়। গত সোমবার (২৭ ডিসেম্বর) হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন সৌরভ। বছরের শেষ দিন হাসপাতাল থেকে বাড়িতে ফেরেন প্রাক্তন ভারত অধিনায়ক। যদিও ওমিক্রন আক্রান্ত ছিলেন না সৌরভ। তাঁর জিন পরীক্ষার রিপোর্ট থেকে তা জানা গিয়েছিল। এর পরই তাঁকে বাড়ি ফেরার জন্য ছাড়পত্র দিয়েছিল হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।












Click it and Unblock the Notifications