নেতা সৌরভের প্রশংসাতেই পঞ্চমুখ তাঁর এক সময়ের সমালোচক তথা নির্বাচক
'দাদা' সৌরভকে জন্মগত নেতা বললেন তাঁর এক সময়ের সমালোচক তথা নির্বাচক
দেশের সর্বকালের অন্যতম সেরা অধিনায়ক তথা বর্তমান বিসিসিআই সভাপতি সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়কে জন্মগত ও স্বভাব নেতা বলে প্রশংসা করেছেন ১৯৮৩-এর বিশ্বকাপজয়ী ভারতীয় দলের অন্যতম সদস্য কৃষ্ণমাচারি শ্রীকান্ত। মহারাজ কীভাবে ভারতীয় দলে জয়ের ক্ষিদে তৈরি করেছিলেন, তা নিয়েও বলেছেন দেশের প্রাক্তন অধিনায়ক। নেতা সৌরভের এক সময়ের সমালোচক হয়েও মহারাজের তুলনা ক্যারিবিয়ান লেজেন্ড ক্লাইভ লয়েডের সঙ্গে করেছেন শ্রীকান্ত।

ডিম্পলের জন্য 'গোলাপি চিঠি'
এক 'কমন ফ্রেন্ডের' মাধ্যমে অখিলেশের সঙ্গে আলাপ হয় ডিম্পলের। দুজনের বয়স তখন খুবই কম। ২১ বছরের অখিলেশ প্রথম আলাপেই প্রেমে পড়ে যান ১৭ বছরের ডিম্পল রাওয়াতের (তৎকালীন পদবী)। এরপর অখিলেশ অস্ট্রেলিয়া যাওযার পর ডিম্পলের জন্য পাঠাতেন গোলাপি রঙের কাগজে লেখা চিঠি।

নেতা সৌরভের পরিসংখ্যান
২০০০ সালে ম্যাচ ফিক্সিং কাণ্ডে যখন জর্জরিত ভারতীয় ক্রিকেট, তখন টিম ইন্ডিয়ার অধিনায়কত্বের দায়িত্ব তুলে দেওয়া হয়েছিল অনভিজ্ঞ সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়ের হাতে। এরপরেই ভারতীয় ক্রিকেটে বৈপ্লবিক পরিবর্তন এসেছিল। টিম ইন্ডিয়াকে ১৪৬টি ওয়ান ডে-তে নেতৃত্ব দিয়েছেন মহারাজ। ৭৬টি ম্যাচ জিতেছে ভারত। ৬৫টি ম্যাচে হার হজম করতে হয়েছে। অন্যদিকে সৌরভের নেতৃত্বে ৪৯টি টেস্ট খেলে ২১টি ম্যাচ জিতেছে ভারতীয় ক্রিকেট দল। তার মধ্যে ১১টি জয় এসেছে বিদেশের মাটিতে।

পরবর্তী পর্ব
সে সময় ডিম্পলের কাছে মোবাইল ফোন না থাকায়, ভরসার জায়গা ছিল ল্যান্ডলাইন ফোন। কিন্তু তাতে জানাজানি হয়ে যেতে পারর ভয়ে ছিল কম বয়সী অখিলেশ যাদবের। ফলে অস্ট্রেলিয়া থেকে এক বন্ধুর কাছে চিঠি পাঠাতেন অখিলেশ। আর ওই বন্ধুর থেকে তা নিয়ে আসতেন ডিম্পল।

অধিনায়ক হিসেবে মহারাজের সাফল্য
অধিনায়ক হিসেবে দেশকে ২০০২-র চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি ও ঐতিহাসিক ন্যাটওয়েস্ট ট্রফি উপহার দিয়েছেন মহারাজ। তরুণ টিম ইন্ডিয়াকে ২০০৩ বিশ্বকাপের ফাইনাল পর্যন্ত নিয়ে গিয়েও দুর্ধর্ষ অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে হার হজম করতে হয়েছিল। সেই অস্ট্রেলিয়াকেই তাদের মাটিতে টেস্ট সিরিজ ড্র করিয়েছিল সৌরভ ব্রিগেড। ওয়েস্ট ইন্ডিজকে তাদেরই মাটিতে ওয়ান ডে সিরিজ হারানো প্রথম ভারতীয় অধিনায়কও ছিলেন মহারাজ। ২০০১ সালে দেশের মাটিতে স্টিভ ওয়া নেতৃত্বাধীন দুর্ধর্ষ অস্ট্রেলিয়াকে হারিয়েই জয়যাত্রা শুরু হয়েছিল দাদার টিম ইন্ডিয়ার।

ডেটিং
ডিম্পলের বাবা ভারতীয় সেনার লেফটনেন্ট জেনারেল ছিলেন। তাঁকে কম ভয় পেতেন না তৎকালীন অল্প বয়সী অখিলেশ ! তবে সবার নজর এড়িয়েও লেফটনেন্ট জেনারেলের মেয়ে ডিম্পলকে নিয়ে ডেট-এ নাকি গিয়েছিলেন অখিলেশ, বলে কানাঘুষো শোনা যায়।

সৌরভের নেতৃত্ব নিয়ে শ্রীকান্তের মত
ক্রিকেটার সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়ের সুখ্যাতি সেভাবে কোনও দিনই করতে শোনা যায়নি কৃষ্ণমাচারি শ্রীকান্তকে। অধিনায়ক সৌরভেরও খুব একটা ভক্ত কোনও দিনই ছিলেন না চিকা। সেই ব্যক্তিরই আচমকা ভোলবদল দেখে অবাকই হয়েছে ক্রিকেট মহল। বিস্মিত হয়েছে এই দেখে যে শেষমেশ শ্রীকান্তই কিনা সৌরভকে জন্মগত নেতা বলে ফেললেন।

বিয়ের সিদ্ধান্ত
প্রেমকে পরিণতি দেওয়ার সিদ্ধান্তে এসেছিলেন অখিলেশ-ডিম্পল। প্রেমিকা ডিম্পলের গ্রামে তখন মুলায়ম সিং যাদব বিরোধী রাজনৈতিক বিক্ষোভ আন্দোলন চলছিল। তার মধ্যেই কীভাবে ডিম্পলের পরিবার তাঁকে মেনে নেবে, সেই চিন্তায় পড়ে গিয়েছিলেন উত্তরপ্রদেশের যাদব বংশের বড় ছেলে অখিলেশ।

যুবনীতির প্রশংসায় শ্রীকান্ত
নেতা সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায় জাতীয় নির্বাচকদের সঙ্গে কার্যত লড়াই করে বীরেন্দ্র শেহওয়াগ, যুবরাজ সিং, হরভজন সিং, মহম্মদ কাইফ, জাহির খান, মহম্মদ কাইফ, আশিস নেহরা, মহেন্দ্র সিং ধোনির মতো তরুণ তারকা দলে জায়গা দিয়েছিলেন। এই তথ্য সকলেরই জানা। ভারতীয় ক্রিকেটে সেসব ক্রিকেটারদের অবদান কী, তাও কারও অজানা নয়। এবার এই ইস্যুতে মুখ খুললেন দেশের প্রাক্তন অধিনায়ক কৃশ শ্রীকান্ত। স্বীকার করলেন, সৌরভের দূরদর্শীতার জন্যই ভারতীয় ক্রিকেট আজ এতটা সফল।

বিয়ে -বিতর্ক
পরিবারের সকলকে এই বিয়েতে রাজি করানো মুশকিল হয়ে পড়েছিল অখিলেশ যাদবের পক্ষে। কারণ জাতিগত ভাবে ডিম্পল ও অখিলেশের পরিবারের ফারাক ছিল। যা তাঁদের বিয়েতে বড় বাঁধা হয়ে দাঁড়িয়েছিল।

সৌরভ নাকি লয়েড!
সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়কে অতি-সক্রিয় অধিনায়ক বললেন কৃষ্ণমাচারি শ্রীকান্ত। তাঁর কথায়, ১৯৭৫-১৯৭৬ সালে ওয়েস্ট ইন্ডিজের কিংবদন্তি অধিনায়ক ক্লাইভ লয়েড যেভাবে দলে উইনিং কম্বিনেশন তৈরি করেছিলেন, সৌরভ ঠিক একই কাজ করছিলেন বলে দাবি চিকার। তাঁর মতে, সঠিক ক্রিকেটারদের নির্বাচন করে দলে জয়সূচক মানসিকতা প্রথম মহারাজই তৈরি করেছিলেন।

এরপর কী ?
রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে চিন্তাভাবনা করে, বিয়েতে মত দিতে রাজি হচ্ছিলেন না অখিলেশের বাবা মুলায়ম সিং যাদব। তখন নিজের ঠাকুমা মুরতী দেবীকে দিয়ে বাবা মুলায়মকে রাজি করান অখিলেশ।

বিয়ে
শেষমেশ অখিলেশ যাদবের জেদের কাছে হার মানতে হয় এই বিয়ের বিরুদ্ধাচারণ করা সকলকেই। ১৯৯৯ সালের ২৪ নভেম্বর ডিম্পল রাওয়াত(বর্তমানে যাদব)-এর সঙ্গে বিয়ে হয় অখিলেশ যাদবের।
-
ভবানীপুর ও নন্দীগ্রামে উত্তাপ চরমে, শুভেন্দুর বিরুদ্ধে ভয়ের রাজনীতির অভিযোগে মনোনয়ন বাতিলের দাবি তৃণমূলের -
ইডেনে প্রথম জয়ের সন্ধানে কেকেআর-সানরাইজার্স, দুই দলের একাদশ কেমন হতে পারে? -
যুদ্ধ নয়, আলোচনায় সমাধান! হরমুজ ইস্যুতে বৈঠক ডাকল ব্রিটেন, যোগ দিচ্ছে ভারত -
কালিয়াচক কাণ্ডে কড়া বার্তা সুপ্রিম কোর্টের! 'রাজনীতি নয়, বিচারকদের নিরাপত্তাই...', কী কী বলল শীর্ষ আদালত? -
ভোটার তালিকা ইস্যুতে ফের অগ্নিগর্ভ মালদহ, সকালে ফের অবরোধ -
মালদহের ঘটনার তদন্তভার নিল সিবিআই, মমতার তোপে কমিশন -
ভোটের আবহে জলপাইগুড়িতে চাঞ্চল্য, এক্সপ্রেস ট্রেনে জাল নথি সহ ১৪ বাংলাদেশি গ্রেপ্তার, তুঙ্গে রাজনৈতিক তরজা -
'১৫ দিন বাংলায় থাকব', ভবানীপুরে মমতাকে হারানোর ডাক, শাহের চ্যালেঞ্জে তপ্ত রাজনীতি -
কয়লা কেলেঙ্কারির তদন্ত! দেশের বিভিন্ন শহরে আই-প্যাকের দফতর ও ডিরেক্টরের বাসভবনে ইডি তল্লাশি -
কালিয়াচকে প্রশাসনিক গাফিলতি? জেলাশাসক, পুলিশ সুপারকে শোকজ, CBI অথবা NIA তদন্তের নির্দেশ দিল সুপ্রিম কোর্ট -
৫৪ বছর পর চাঁদের পথে মানুষ, ৪ মহাকাশচারী নিয়ে নাসার 'আর্টেমিস ২'-এ ইতিহাসের নতুন অধ্যায় -
'মালদহ কাণ্ডের মাস্টারমাইন্ড' মোফাক্কেরুল ইসলাম গ্রেফতার, পালানোর সময় বাগডোগরা থেকে ধৃত












Click it and Unblock the Notifications