বিশ্বকাপ জেতানো অধিনায়ক ধোনিকে ছেঁটে ফেলার ভাবনা! মাহিকে কীভাবে বাঁচিয়েছিলেন শ্রীনিবাসন
বিশ্বকাপ জেতানো অধিনায়ক ধোনিকে ছেঁটে ফেলার ভাবনা! বাঁচিয়েছিলেন প্রাক্তন বিসিসিআই সভাপতি
জল্পনা চলছিলই,শেষ পর্যন্ত বিশ্বকে অবাক করে ভারতের স্বাধীনতা দিবসের দিন সন্ধ্যেতে ছোট্ট এক পোস্টে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে নিজের অবসর ঘোষণা করে দিয়েছেন ধোনি। নীল জার্সিতে আর কোনও দিনও খেলতে দেখা যাবে না মাহিকে। তিনিই প্রথম কোনও অধিনায়ক যিনি বিশ্বকাপ, আইসিসি চ্যাম্পিয়নস ট্রফি এবং টি২০ বিশ্বকাপ-এই তিনটি কাপ ভারতীয় ক্রিকেটকে উপহার দেন।

ধোনিকে অধিনায়কত্ব থেকে বাদ দিতে চেয়েছিলেন নির্বাচকরা
দেশের জার্সিতে অধিনায়ক হিসেবে যাঁর এত সাফল্য সেই ধোনিকেই একসময় নির্বাচকরা অধিনায়কত্ব থেকে বাদ দিতে চেয়েছিলেন। এক সর্বভারতীয় সংবাদপত্রে ধোনির অবসর নিয়ে সাক্ষাৎকারে বিসিসিআইয়ের প্রাক্তন প্রেসিডেন্ট এন শ্রীনিবাসন এমনটাই জানিয়েছেন।

বিশ্বকাপ জয়ের বছরেই অধিনায়ক ধোনির ব্যর্থতার কালো সময় এসেছিল
একদিকে ২০১১ সাল অধিনায়ক ধোনির কেরিয়ারে যেমন সফলতম বছর, ঠিক তেমনি একই বছরে টেস্টে চূড়ান্ত ব্যর্থ হন মাহি। অধিনায়ক হিসেবে এপ্রিলে ঘরের মাঠে বিশ্বকাপ জেতার পর ইংল্যান্ড এবং অস্ট্রেলিয়ায় খেলা টেস্ট ম্যাচে তাঁর অধীনেই ভরাডুবি হয়েছিল।

কেন ধোনিকে অধিনায়ক হিসেবে সরিয়ে দেওয়া নিয়ে ভাবা হয়েছিল
ইংল্যান্ড ও অস্ট্রেলিয়ায় সিরিজ খেলতে গিয়ে পাঁচটি টেস্ট ম্যাচে ৪-০ তে সিরিজ হারে ধোনির ভারত। এরপরই নির্বাচকরা ধোনিকে নেতার পদ থেকে সরিয়ে দিতে চেয়েছিলেন। সেই সময় বোর্ডে নির্বাচক ছিলেন কৃষ্ণমাচারি শ্রীকান্ত এবং তাঁর সতীর্থ মহিন্দর অমরনাথ।

ধোনিকে অধিনায়ক রাখতে শ্রীনির যুক্তি কী ছিল
সর্বভারতীয় সংবাদপত্রের ঐ সাক্ষাৎকারে শ্রীনি বলেন, ধোনির হয়ে সেদিন সওয়াল করেছিলেন তিনি। বিশ্বকাপ এনে দেওয়া অধিনায়ককে কয়েক ম্যাচের বিচারে এভাবে বাদ দেওয়া যায় কিনা, নির্বাচকদের কাছে শ্রীনি এই প্রশ্ন রাখেন। বিসিসিআই প্রেসিডেন্ট হিসেবে নিজের সব ক্ষমতার ব্যবহার করে শ্রীনি ধোনিকে অধিনায়ক হিসেবে রেখে দিয়েছিলেন বলে জানিয়েছেন।












Click it and Unblock the Notifications