Ranji Trophy: নাটকীয়ভাবেই গুজরাতের বিরুদ্ধে প্রথম ইনিংসে দুই রানের লিড, রঞ্জি ফাইনাল খেলার পথে কেরল
৭৪ বছরের ইতিহাসে প্রথমবার রঞ্জি ট্রফির ফাইনালে উঠতে চলেছে কেরল। পঞ্চম দিনে খেলা এখনও শেষ হয়নি, কিন্ত এরই মধ্যে ফাইনালের টিকিট প্রায় নিশ্চিত করে ফেলল কেরল তা অত্যন্ত নাটকীয়ভাবেই। কারণ প্রথম ইনিংসে মাত্র ২ রানের লিড নিয়েছে কেরল। পঞ্চম দিনে যা পরিস্থিতি তাতে এই লিডই তাদের ফাইনালে পৌঁছে দেবে।
টি২০-র যুগে একটা রঞ্জি ম্যাচ এতটা নাটকীয় হতে পারে তা কল্পনার অতীত। কিন্তু সেটাই হল। লাঞ্চের আগেই প্রায় খেলার ভাগ্য নির্ধারণ হয়ে গেল। সেমিফাইনাল ম্যাচে আমদাবাদের নরেন্দ্র মোদী স্টেডিয়ামে গুজরাতের মুখোমুখি হয়েছিল কেরল। প্রথম ইনিংসে ৪৫৭ রান তোলেন সচিন বেবিরা। জবাবে প্রথম ইনিংসে ৪৫৫ রানে অল-আউট হয়ে গেল গুজরাত। সেটাও চরম নাটকীয় পরিস্থিতিতেই।

কেরলের রানের জবাবে ৩৫৭ রানে সাত উইকেট হারিয়ে ফেলে গুজরাত। কিন্তু কেরলকে চাপে ফেলেন গুজরাতের টেল এন্ডাররাই। অষ্টম উইকেটে ৭৯ রানের পার্টনারশিপ তৈরি করেন প্যাটেল এবং সিদ্ধার্থ দেশাই। তারপর নবম উইকেটে ১০ রান স্কোর বোর্ডে তোলে গুজরাত। ৪৪৬ রানে গুজরাতের নবম উইকেটের পতন হয়।
কিন্তু এরপরও গুজরাতের আর্জান চোয়ালচাপা লড়াই করতে থাকেন । কিছুতেই গুজরাতের একটি উইকেট ফেলতে পারছিলেন না কেরলের বোলাররা। কিন্ত গুজরাতও লিড পাওয়ার দিকে এগিয়ে যেতে থাকে।
এই সময়ই কেরলরে উইকেটরক্ষক মহম্মদ আজহারুদ্দিন মাস্টারস্ট্রোক দিলেন। লিডের জন্য মাত্র ২ রান বাকি গুজরাতের। এই অবস্থায় বা পায়ের কাফ মাসেলে চোটের জন্য ফিজিওকে ডাকলেন তিনি। নিয়ম অনুসারে চিকিৎসার জন্য মাঠে চার মিনিট সময় পাওয়া যায়, এতে ফোকাস নষ্ট হল গুজরাতের ব্যাটারদের। ফলে বদলে গেল ম্যাচের পরিস্থিতি।
আদিত্য সারওয়াতে আউট করেন আর্জানকে। চূড়ান্ত নাটকীয়ভাবে সেই উইকেটে পতন ঘটল। আর্জান একটি শট মারতে যান। তা শর্ট লেগের ফিল্ডারের হেলমেটে লেগে স্লিপের দিকে চলে যায়। সহজভাবেই ক্যাচ তালুবন্দি করেন সেখানে দাঁড়িয়ে থাকা সচিন বেবি। গুজরাতের প্রথম ইনিংস সমাপ্ত হল ৪৫৫ রানে। ২ রানের লিড পেল কেরল। এরপর কেরল দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাট করতে নেমেছে। ফলে দিনের বাকিটা সময় ১০ উইকেট নিয়ে কাটিয়ে দিতে পারলেই ফাইনাল খেলা নিশ্চিত কেরলে। অতি নাটকীয় কিছু না হলে কেরলের ফাইনাল খেলা নিশ্চিত। এই প্রথমবার রঞ্জি ফাইনাল খেলবে কেরল।












Click it and Unblock the Notifications